সানস্ট্রোক বা হিটস্ট্রোক থেকে বাঁচবেন কিভাবে।

heat-stroke

শরীর স্বাস্থ্যঃ- গরমকাল পড়লে হামেশাই সংবাদপত্রে গরমের কারনে মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে থাকি। সানস্ট্রোক বা হিটস্ট্রোকের কারনে এই মৃত্যুগুলি ঘটে। রোদে বা গরমে বেশীক্ষণ থাকলে  অনেক সময় শরীর নিজের তাপমাত্রাকে নিয়ন্ত্রনে রাখতে পারে না। দেহের তাপমাত্রা মাত্রাতিরিক্ত বেড়ে যাওয়ার কারনে মৃত্যু হয়।

হিটস্ট্রোকের লক্ষণ কি? আক্রান্ত ব্যক্তি ভুল বকতে শুরু করে। অজ্ঞান হয়ে যায়। দেহের চামড়া শুষ্ক ও রক্তাভ হয়ে যায় ইত্যাদি।

কাঠফাটা রোদ্দুরে ও গরম আবহাওয়াতে আমাদের শরীরে ঘাম হয়। সেই ঘাম বাস্পায়ীত করার করার জন্য দেহ থেকে তাপ গ্রহন করে। এর ফলে আমাদের দেহ ঠাণ্ডা থাকে। প্রখর রোদ্দুরে বেশীক্ষণ থাকলে শরীর ঠিক মতো কাজ করতে পারে না। জলের অভাবে বা অন্য কারনে কম ঘাম হয় বা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। যার ফলে শরীরের তাপমাত্রা বাড়তে থাকে।এই কারনে হিটস্ট্রোক হয়। বেশী গরমের মধ্যে অতিরিক্ত পরিশ্রম করলেও  হিটস্ট্রোক হতে পারে। তবে যে কারনেই হিটস্ট্রোক হোক, এতে প্রচণ্ড ডিহাইড্রেসন হয়। শরীরের স্বাভাবিক কাজ বন্ধ হয়ে গিয়ে মৃত্যুমুখে পতিত হয়।

কারোর হিটস্ট্রোক হলে তাকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করতে হবে। সাহায্য আসতে দেরি করলে আক্রান্ত ব্যক্তিকে ঠাণ্ডা জায়গায় নিয়ে যান। শরীর থেকে জামাকাপড় যতটা সম্ভব খুলে পাস ফিরিয়ে শুইয়ে দিন।পাখার বাতাস করুন। ঘাড়ে, বগলে, কুঁচকিতে ঠাণ্ডা জলে স্পঞ্জ করুন।রুগীর হুশ থাকলে তাকে ইলেক্ট্রোলাইট জাতীয়  জল খাওয়ানোর চেষ্টা করতে হবে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *