সব বয়সীরাই ফিট থাকুন ‘ভ্রমন প্রাণায়াম’ অভ্যাস করে।

 

IMG_3850-Walking-Meditationভ্রমণ প্রানায়ামঃ

ভ্রমণ প্রাণায়াম অভ্যাসে কুম্ভকের ব্যবহার নেই, শুধু পূরক ও রেচক ব্যবহার করা হয় তাকেই ‘সহজ প্রাণায়াম’ বলে। তাই কুম্ভকের ব্যবহার নেই বলে ভ্রমণ-প্রাণায়াম  সহজ-প্রাণায়ামেরই অন্তর্ভূক্ত।

পদ্ধতিঃ

মেরুদণ্ড সোজা করে হাঁটতে হবে।প্রতি ৪ পদক্ষেপ উভয় নাকে নিশ্বাস নিতে নিতে মনে মনে ১-২-৩-৪ গুনতে হবে।শেষ হলেই তৎক্ষণাৎ একই পদ্ধতিতে ৪ পদক্ষেপ ১-২-৩-৪ মনে মনে গুনে উভয় নাকদিয়ে প্রশ্বাস ছাড়তে হবে।প্রথম ১ সপ্তাহ এই ভাবে করতে হবে। পরবর্তী সপ্তাহ থেকে ৬ পর্যন্ত গুনে শ্বাস নিতে হবে এবং ৮ পর্যন্ত গুনে শ্বাস ছাড়তে হবে। আরও কিছুদিন অভ্যাসের পর ৮ পদক্ষেপ শ্বাস নেওয়া এবং ১২ পদক্ষেপ অবধি শ্বাস ছাড়ার অভ্যাস করুন। যদি সাধ্যে কুলালে ১২ পদক্ষেপ শ্বাস গ্রহন এবং ১৮ পদক্ষেপ অবধি শ্বাস ত্যাগ করতে পারেন।এর থেকে বেশি আর প্রয়োজন পরে না। এই ভাবে যে কেউ ১০ মিনিট থেকে ৪০ মিনিট অবধি ভ্রমন প্রাণায়াম করতে পারেন। শুধু খেয়াল রাখতে হবে যদি সময় বাড়াতে গিয়ে হাঁপ ধরে বা বুকে ব্যাথা লাগে তাহলে সঙ্গে সঙ্গে বসে বিশ্রাম নিতে হবে।সেই দিন আর অভ্যাস না করে পরের দিন করতে হবে। যদি আবার অস্বস্থি অনুভব হয় সেক্ষেত্রে ডিগ্রী কমিয়ে অভ্যাস করতে হবে।

theravada-walking-meditation

উপকারিতাঃ

ভ্রমন প্রাণায়াম মৃতসঞ্জীবনীর ন্যায় উপকার করে। সব বয়সের পুরুষ- মহিলারাই প্রাণায়ামটি অভ্যাস করতে পারে।ভ্রমন প্রাণায়াম অভ্যাস করলে আর অন্য কিছু করার প্রয়োজন পরে না।সব ব্যায়ামের উপকারিতা এই প্রাণায়াম অভ্যাস করলে পাওয়া যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *