শীতকালে সর্দি-কাশি থেকে রক্ষার উপায়।

The-common-winter-ailments-common-cold-and-coughশীতকাল এসে পড়েছে।ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে সর্দি-কাশি আর ঠাণ্ডা লাগা। সর্দি-কাশি হলে আমরা ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়াই নিকটস্থ ফার্মেসি থেকে ওষুধ কিনে খেয়ে থাকি যা খুব ক্ষতিকারক।
শীতকালে ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে সর্দি-কাশির প্রকোপ বৃদ্ধি পায়। এসব ভাইরাসের ভেতর রাইনোভাইরাস অন্যতম। প্রায় ২০০-এর বেশি ভাইরাস রয়েছে যেগুলো এ ধরনের সংক্রমণের জন্য দায়ী। শীতকালে বাতাসে আর্দ্রতা কম থাকে, সর্দি-কাশির জন্য দায়ী ভাইরাসগুলো কম আর্দ্রতায় অধিক হারে বংশবৃদ্ধি করে এবং অধিক হারে মানুষকে আক্রান্ত করে। ভাইরাস আক্রান্ত শীতকালীন সর্দি একটি ছোঁয়াছে রোগ। এটাকে আপার রেসপিরেটরি ট্রাকট ইনফেকশন বলি।

এন্টিবায়োটিক কতখানি কার্যকর

এন্টিবায়োটিক একটি ব্যাকটেরিয়া নিধনকারী ওষুধ। কিন্তু ভাইরাস সংক্রমণে অসুখ নিরাময়ে এর কোনো কার্যকর ভ‚মিকা নেই।তাই সাধারণ সর্দি-কাশি হলে এন্টিবায়োটিক গ্রহণ না করাই ভালো।তবে সর্দি-কাশির সঙ্গে তীব্র জ্বর থাকলে  ডাক্তারের পরামর্শ মাফিক ওষুধ গ্রহণ করতে হবে।
কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি :

০. সর্দি-কাশি হলে আক্রান্ত হলে জল, আদা চা, ফলের রস ইত্যাদি পান করুন।
০. এক গামলা গরম জলে  নাক দিয়ে বাষ্প টানুন।
০. দুই কাপ গরম জলে এক টেবিল চামচ লেবুর রস এবং এক চা চামচ মধু মেশান। মিশ্রণটি স্বাভাবিক তাপমাত্রায় এলে গারগেল করুন। ঠাণ
০. গরম চায়ের সঙ্গে এক চা চামচ মধু মিশিয়ে পান করতে পারেন।
কীভাবে সর্দি-কাশি প্রতিরোধ করবেন :

সর্দি-কাশি প্রতিরোধ করতে সব সময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকুন। বার বার হাত ধোবেন। এতে ভাইরাস ছড়ানোর সুযোগ কম থাকে। যারা দীর্ঘস্থায়ী ফুসফুসের অসুখে ভুগছেন তারা বেশি সতর্ক থাকুন। বছরে একটি করে ফ্লুসট (ভেক্সিন) নিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *