“শিশুদের গ্রোয়িং স্পাইন”……

lowerbackcurve1“গ্রোয়িং স্পাইন” রোগটি কি?যখন কোনও শিশু জন্ম নেয় তখন তার স্পাইনাল কলামের দৈয্য থাকে ২৪ সেমি বা ৯.৬ইঞ্চি।চার বছর বয়সে বেড়ে গিয়ে দাঁড়ায় ৫১সেমি বা ২০.৪ইঞ্চি।৫-১০ বছরে স্পাইনের সেই দৈয্য আরও ১০ সেমি বেড়ে যায়।এটাই নিয়ম।জন্মানোর পর থেকে বয়ঃসন্ধি পর্যন্ত বিভিন্ন কারনে চোট আঘাত পাওয়া থেকে স্পাইন ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।বাচ্চা প্রসব করানোর সময় অতিরিক্ত চাপ প্রয়োগের কারনে স্পাইন বিশেষত সার্ভাইক্যাল স্পাইনে আঘাত লাগতে পারে তা থেকেও পরবর্তী সময়ে এমন সমস্যা দেখা দেয়।একটু বড় হওয়ার পর যখন সে হামাগুড়ি বা টলমলে পায়ে হাঁটতে শুরু করে তখন ব্যালান্স ঠিক মতো তৈরি না হওয়ার কারনে শিশুটি পড়ে যাওয়ার প্রচুর সম্ভাবনা থাকে।সেটা থেকে আঘাত লাগতে পারে স্পাইনে।বয়ঃসন্ধিতে পৌছনোর পরও কিন্তু চিন্তা থেকেই যায়।খেলাধুলা থেকে স্পাইনে চোট আঘাত লাগার ঘটনা হামেশাই ঘটে।অর্থাৎ জন্ম থেকে বয়ঃসন্ধি পর্যন্ত হাজারো কারনে স্পাইনে চোট আঘাত লাগার সম্ভাবনা থাকে।যা থেকে পরবর্তী সময়ে নানান শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়।

শিশুদের মেরুদণ্ডে জন্মের সময়ে যদি কোনও সমস্যা হয়ে থাকে তাহলে একদম দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্ষ নিন।প্রথমদিকে সেভাবে কোনও উপসর্গ দেখা নাও দিতে পারে কিন্তু পিঠের কোনও দাগ কিংবা ফুটো,পায়ের জোর কম থাকার উপসর্গ দেখা দিলেই চিকিৎসকের পরামর্ষ নিন।এখন শিশুদের বিভিন্ন স্পাইনের সমস্যা সমাধানে দায়িত্ব নিচ্ছেন বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত পেডিয়াট্রিক নিউরোসার্জেনরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *