দাঁতের সমস্যায় আধুনিকতম চিকিৎসা– ‘লেসার’

LifeCare-Dental-Laser-Treatment-924x4001ভারতে দাঁতের চিকিৎসায় লেসারের ব্যবহার অনেকদিন।কিন্তু সেই লেসারগুলো উন্নতমানের ছিল না বলে চিকিৎসায় ভালো সাড়া দিত না।তাই অতটা জনপ্রিয় হতে পারেনি।এবার জানা যাক লেসার আসলে কি?লেসার আসলে একটা শক্তি।এর থেকে তাপ উতপন্ন হয় ফলে যে কোনও টিস্যুকে চার্জ করে বার্নআউট করা যায় মানে পুড়িয়ে দেওয়া যায়।লেসার তরঙ্গদৈর্ঘ্যকে দু ভাগে ভাগ করা হয়।কম তরঙ্গদৈর্ঘ্য ও বেশি তরঙ্গদৈর্ঘ্য।যার মাপ ৩০০ থেকে ১০০০০ পর্যন্ত হতে পারে।

দাঁতের চিকিৎসার ক্ষেত্রে দু রকম লেসার ব্যবহার করা হয়।সফট টিস্যু লেসার ও হার্ড টিস্যু লেসার।প্রথমটা ব্যবহার করা হয় ঠোঁট, জিভ,মাড়ির ক্ষেত্রে আর দ্বিতীয়টি দাঁতের ক্ষেত্রে। দুই থেকে আড়াই হাজারের মধ্যে লেসারগুলো ব্যবহার করা হয়। সফট টিস্যুর জন্য ২৯০০ থেকে ১০০০০ হাজার পর্যন্ত ব্যবহার করা হয় দাঁতের জন্য।

সফট টিস্যুতে লেসার খুব ভালো কাজ করে।যেমন-মাড়ি দিয়ে রক্তপাত হচ্ছে, মাড়িতে কোন গ্রোথ হয়েছে সেটাকে ছিন্ন করতে।বা বাচ্চাদের আলজিভের সমস্যা,ঠোঁট জুড়ে থাকা বা ঠোঁটের ওপরের ফেরামটা যদি জোড়া থাকে এসব লেসারের সাহায্যে কেটে দেওয়া যায়।অনেক সময় ঠোঁটের ওপর মিউকোসিল তৈরি হয় দেখতে ফোলা মতো, মনে হয় ভেতরে জল জমে আছে।লেসারের সাহায্যে ভালো চিকিৎসা হয়।এতে অ্যানাসথেসিক ব্যবহার করতে হয় না,রক্তপাতের পরিমান নামমাত্র,লেসার ব্যবহার করলে সেলাইয়ের প্রয়োজন নেই,রক্তক্ষরণ বন্ধ করতে লেসারের জুড়ি নেই।

জিভের আলসারে যদি ক্যানসার না হয়ে থাকে তাহলে লেসারের দ্বারা চিকিৎসা করলে জ্বালা যন্ত্রণা কমে যায়।যদি কারোর দাঁত মাড়ি ভেদ করে উঠতে না পারে তাহলে লেসারের দ্বারা মাড়ি কেটে দাঁত উঠতে সাহায্য করে। লেসারের সাহায্যে দাঁত ব্লিচিং ভালো হয়।মাড়ির অন্তভাগ ও কানের নিচের সংযোগস্থলে ব্যাথা হলে লো লেভেল লেসার থেরাপি করে নিরাময় করা যায়।রুট প্লেনিংয়ের লেসার ব্যবহার করা হয়।দাঁতের ক্যাভেটি পরিষ্কারে লেসার খুব কার্যকরী।

লেসার সব বয়সেই ব্যবহার করা যায়।এমনকি দশ মাষের শিশুর ক্ষেত্রেও বাধানিষেধ নেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *