MGNREGA…Banglay mithyar ma-pa-dha-ni

we-want-to-develop-north-bengal-as-a-trade-hub-wb-cm-at-siliguri-didiuttarsiliguri

 MGNREGA—- বাংলায় মিথ্যার মা-পা-ধা-নি

ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহের নেতৃতে  UPA সরকার দরিদ্র সীমার নিচে বসবাসকারি কর্মহীন মানুষের হাতে রোজগার তুলে দিতে বছরে নুন্যতম ১০০ দিনের কাজের বন্দবস্ত করেছিলেন  Mahatma Gandhi National Rural Employment Guarantee Act (MGNREGA), মাধ্যমে।ফলে সারা ভারতের গ্রামে  কাজের জোয়ার এসে কর্মহীন মানুষদের হাতে দু পয়সা আসছিল এবং এটাই ছিল পরিকল্পনার বাস্তব রুপায়ন। এখন “বি জে পি” সরকার এই রোজগার আইনের সমালোচনা করছে কিন্তু তারাও জানে সরকারে আসার পর নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিষের  উত্তর উত্তর দাম বৃদ্ধিতে সাধারন মানুষের নাভিস্বাস উঠছে, বিন্দু মাত্র নিয়ন্ত্রণ করতে এই সরকার বার্থ সেখানে সামান্য হলেও “ইউ পি এ” খেটে খাওয়া মানুষকে সন্মানের সঙ্গে দু পয়সা রোজগারের ব্যাবসা করে দিয়ে ছিল, আর যাই হোক MGNREGA প্রকল্পের সমালোচনা “বি জে পির” শোভা পায় না। এই পরিকল্পনার মূল বিষয়টা শুধু রোজগারের মধ্যে সিমাবদ্ধ ছিল না  আরও বৃহত্তর  উদ্দেশ্য ছিল, ভারতের গ্রামের বিকাশ এবং সেই কাজের সঠিক রুপায়নের মধ্যে দিয়ে ভারতের গ্রামগুলোর  চিত্র বদলে যাবে এবং গেছেও। ব্যাত্রিক্রম শুধু একমাত্র পশ্চিমবাংলায়। গত পাঁচ বছরের-‘মা-মাটি-মানুস’ এর সরকার তারা তাদের লক্ষ্যমাত্রা পুরন করতে ব্যারথ। আমরা বিগত বছর গুলিতে দেখতে পেলাম কেন্দ্র থেকে এই প্রকল্পে বিভিন্ন খাতে যা টাকা এসেছে তাঁর বহু অংশ খরচ না হয়ে ফেরত চলে গেছে।কেন্দ্রীয় গ্রাম উন্নয়ন মন্ত্রক থেকে যে চিঠি রাজ্য সরকারের গ্রাম উন্নয়ন মন্ত্রক কে লেখা হয়েছে তাতে স্পষ্ট  উল্লেখ আছে  গত ১৪-১৫ আর্থিক বছরে রাজ্য সরকারের কৃতিত্ব একদম শূন্য।মাত্র ১৯ শতাংশ কাজ সম্পাদন হয়েছে আর বর্তমান আর্থিক বছরে আগস্ট মাস অবধি মাত্র ৩ শতাংশ কাজ করতে সক্ষ্যম হয়েছে তৃনমূল সরকার । চিঠিতে আরও উল্লেখ আছে  গত আর্থিক বছরে ২ হাজার ৫২৩ কোটি টাকা যা সম্পূর্ণ ব্যায়ের ৯৬ শতাংশ কর্মীদের দিতে ১৫ দিনের বেশি দেরি হয়েছে এবং এই ধারা এখনও অব্যাহত। এই আর্থিক বছরে ২০৭ কোটি টাকা যা ব্যায়ের ৫৫ শতাংশ দিতে একই রকম দেরি করেছে। এর থেকে প্রমানিত হয় কি ভাবে এক খাতের টাকা অন্য খাতে ব্যাবহার করা হচ্ছে ফলে সময় মতো ১০০ দিনের কর্মীরা তাদের ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এই চিত্রটি শুধু কর্মীদের পাওনা বঞ্চনার কথা, এই প্রকল্পর আওতায় আরও অন্যান্য যে সুযোগ সুবিধাগুলি গ্রামের মানুষদের দেওয়ার কথা UPA সরকার ভেবেছিল  সেই ভাবনাগুলিকে অন্য রাজ্য রুপায়ন করলেও  বাংলার চালচিত্র  সম্ভব বিপরীত। বর্তমান রাজ্য সরকার ১৮০ ডিগ্রি সরে গিয়ে কোন কাজ সম্পূর্ণ না করে শুধু ১ নম্বরে থাকার ভাঁওতাবাজি দিয়ে প্রচার করে চলেছে। কেন্দ্রিয় সরকারের চিঠি যা রাজ্য সরকারকে পাঠানো হয়েছিল সেই চিঠিতে পরিষ্কার করে এমন  ৭ টি বিষয়ের ওপর আলকপাত করা হয়েছে যার জবাব দিতে রাজ্য সরকার ব্যারথ হয়েছে। শুধু বিভিন্ন উৎসব আর মেলা করতে সিদ্ধহস্ত এই তৃনমূল সরকার যারা কেন্দ্রের দেওয়া ১০০ দিনের কাজের টাকা ঠিকমতো খেটে খাওয়া গরিব লোকেদের হাতে পৌঁছে দিতে পারে না, গ্রামের উন্নয়ন খাতে নির্ধারিত টাকা খরছা করতে অক্ষম এবং যে  টাকা ফেরত চলে যায় তাদের মুখ দিয়ে বের হওয়া বাংলা ১ নম্বরে এই

মিথ্যা ধরা পড়ে গেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *