শতবর্ষের পথে ভারত সেবাশ্রম সংঘ

unnamed

১৮৯৬ সালে অবিভক্ত বাংলার মাদারিপুর জেলার বাজিতপুর গ্রামে বিনোদের জন্ম। দিনটা ছিল মাঘিপূর্ণিমা।১৯১৬ সালে বাজিতপুরের ঘন জঙ্গলে সিদ্ধিলাভ করার পর আমরা জানলাম স্বামী প্রনবানন্দজিকে।আরও জানলাম ১৯১৭ সালে মাঘীপূর্ণিমার দিন, জগত প্রসিদ্ধ ভারত সেবাশ্রম সংঘ প্রতিস্তায়।মাত্র ২০ বছরের যুবক বাকি যুবসম্প্রদায়কে আহ্বান করলেম…

এ যুগ—মহাজাগরনের যুগ।

এ যুগ—মহা সমন্বয়য়ের যুগ।

এ যুগ- মহা মিলনেরযুগ।

এ যুগ- মহামুক্তির যুগ।

এই সংঘ একমাত্র প্রতিষ্ঠান যা সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক ও অসাম্প্রদায়িক। সনাতন ধর্মের উদার আদর্শের ভিত্তিতে দেশ ও জাতি গঠনই মূলমন্ত্র।মাত্র ৪৫ বছরের অল্প জীবিতকালে হাজার হাজার যুবককে নিঃস্বার্থ জাতি ও দেশ গড়ার কাজে ব্রতী করতে পারাটাই ওনার সাফল্য।আজ কলকাতায় জোকা, বর্ধমান, আসাম,ঝারখন্ড ও গুজরাটে হাসপাতাল স্থাপন হয়েছে। ভারতের যেখানে আশ্রম আছে সব আশ্রমেই দাতব্য ছিকিতসার ব্যবস্থা আছে। দেশের যেকোনো বন্যা,খরা,দুরভিক্ষ, যুদ্ধে,ভূমিকম্পে আর্ত মানুষের পাশে সদা হাজির ভারত সেবাশ্রম  সংঘ। ১৯৪১ সালে ৮ই জানুয়ারি তিরোধান হলেও আজও ওনার দীক্ষা শিস্য ও ভক্তদের কাছে পরম সত্য, নাহলে ১৯৪১ এর পর শতবর্ষের পথে একই ধারা বজায় রেখে পৌছতে পারত না। জয় স্বামী প্রনবানন্দজি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *