রূপনগরে,জনপ্রিয়তার স্বরুপ চেনালেন দিলিপ ঘোষ। দেবাশীষ পাইন

WhatsApp Image 2020-09-10 at 10.33.49 AMসোনারপুর রুপনগরে নিজের জনপ্রিয়তার স্বরুপ দেখালেন, বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলিপ ঘোষ। আজ সকাল ৬.৩০ মিনিটে ২০টা গাড়ি ও ৩০টা মোটর বাইকের বহর নিয়ে যাত্রা শুরু করলেন ইকো পার্ক থেকে সোনারপুরের উদ্দ্যেস্যে।

সকালবেলা থেকেই আকাশের মুখ ভার।  সকাল সাতটা তিরিশ মিনিটে যখন রূপনগরে পা রাখলাম তখন বৃষ্টির বুন্দাবুন্দি শুরু হয়ে গেছে। বৃষ্টি শুরু হলে সাধারনত সভা সমাবেশে যা হয়, জমায়েত স্থলে টাক পড়ে যায় কিন্তু এখানে আপনাকে হতাস হতে হবে। চারিদিকে শুধু কালো মাথা।ইতিউতি উঁকি মারছে গেরুয়া রঙের ওপর নরেন্দ্র মোদী ও দিলিপ ঘোষের মুখ আঁকা ছাতা, সবুজ- গেরুয়া ফানুশ, মা- বোনেদের হাত থেকে উড়ে আসছে কুছো ফুল। দিলিপ ঘোষের ছবি আঁকা কাগজের চায়ের কাপে চুমুক মারছে অনেকেই। পুরো সমাবেশ স্থলটি মুখরিত জয়শ্রী রাম, নরেন্দ্র মোদী ও দিলিপ ঘোষ জিন্দাবাদ ধ্বনিতে।

WhatsApp Image 2020-09-10 at 10.34.02 AM

মানুষের ঢল, পুরুষ ও মহিলাদের জমায়েত দেখে চোখ কপালে ওঠার জোগাড়। নতুন ভাবে অনুভব করাচ্ছে যে বাংলায় আরও এক জননেতার উদয় হয়েছে। যার একক আহ্বানে বাংলার মানুষ একটি পতাকাতলে সমবেত হতে শুরু করেছে। সাম্প্রতিককালে বিজেপি দলটিকে বাংলার রাজনীতিতে প্রাসঙ্গিক করার ক্ষেত্রে দিলিপ ঘোষের অবদান অনস্বীকার্য।

জনসংযোগ কর্মসূচীর নতুন এক আঙ্গিকের নাম দিলিপ ঘোষের ‘চায়ে পে চর্চা’। টেলিভিশন অনুষ্ঠানের সর্বোচ্চ টিআরপি রেট যদি ‘দিদি নাম্বার ওয়ান’ হয় তাহলে রাজনীতির ময়দানে ইতিমধ্যে সর্বোচ্চ টিআরপি আদায় করে নিয়েছে, দিলিপ ঘোষের ‘চায়ে পে চর্চা’। অতীতে প্রমানিত হয়েছে, আজও আবার প্রমানিত হোল।

WhatsApp Image 2020-09-10 at 10.33.56 AM

বাংলার মানুষের মনে একটা বিশেষ বিশ্বাসের জায়গা তৈরি করে নিতে সফল হয়েছেন, দিলিপ ঘোষ। বর্তমান বাংলায় যে অগণতান্ত্রিক পরিবেশ,চারিদিকে রক্তের স্রোত বইছে, খোলাখুলি দুর্নীতি, বাতাসে বারুদের গন্ধ যা বাম আমলে নিত্য সংবাদ শিরোনামে থাকতো। তারই প্রতিচ্ছবি স্পষ্ট বিদ্যামান ২০১১ সালে পরিবর্তনের পর। সাধারন মানুষ এই পূতি গন্ধময় পরিবেশ থেকে মুক্তি পেতে চাইছে। দিলিপ ঘোষের ‘চায়ে পে চর্চা’, জনসভা বা যে কোন ধরনের সামাজিক অনুষ্ঠানে যে হারে লোকসমাগম হচ্ছে তা থেকে ধারনা করা যায় বাংলার মানুষ দিলিপ ঘোষের ওপর আস্থা রাখতে শুরু করেছে। কোথাও যেন একটা ধারনা তৈরি হয়েছে, একমাত্র দিলিপ ঘোষই পারেন মমতা ব্যানার্জীর চোখে চোখ রেখে কথা বলতে। অন্তত জনসমাগম দেখে তাই মনে হয়।

দেবাশীষ পাইন

দেবাশীষ পাইন

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *