“ব্যক্তির সাধনা এবং সমষ্টির আরাধনা একই”, দেবাশীষ পাইন।

images (1)১৯১৬ সালে ২৫সে সেপ্টেম্বর উত্তর প্রদেশের মথুরা থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে নঙ্গলা চন্দ্রভান গ্রামে পণ্ডিত দিনদয়াল উপাধ্যায় জন্মগ্রহন করেন। বর্তমানে এই চন্দ্রভান গ্রামটি দিনদয়াল ধাম নামে আখ্যা পেয়েছে। শিক্ষাবিদ, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, তুখোড় বক্তা, লেখক ও সমাজ- দার্শনিক যিনি তার সাংগঠনিক দক্ষতার বলে শুধু একাতব মানববাদ মতবাদের জন্ম দিয়ে থেমে থাকেন নি, ছড়িয়ে দিয়েছিলেন আপামর ভারতবাসীর মধ্যে।

তিনি বলতেন, একটি সর্বাঙ্গ সুন্দর সমাজ তখনই গড়ে ওঠে যখন সেই সমাজের ব্যক্তিসত্ত্বা পূর্ণ ও পবিত্ররুপে বিকশিত হয়।ব্যক্তির সাধনা এবং সমষ্টির আরাধনা একই।এককের মধ্যে সমষ্টির নিত্য অনুসন্ধান চালাতে হবে। তাহলেই সমাজ দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাবে।

দীনদয়াল উপাধ্যায়ের প্রদর্শিত পথেই এগিয়ে চলেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। ‘সব কা সাথ সবকা বিকাশ’ এটা শুধুই নারা নয়, এক তারে বেঁধে দেওয়ার সুর।ভারতবাসীকে বুঝতে হবে নাহলে পিছিয়ে পড়তে হবে।

১৯৩৭ সালে কানপুরে সনাতন ধর্ম কলেজে পঠনপাঠনের সময় তিনি রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘের প্রাণপুরুষ শ্রী কেশব বলিরাম হেডগেওয়ারের সংস্পর্শে আসেন। ১৯৪২ সালে আরএসএস-র সর্বক্ষণের কর্মী। সাপ্তাহিক ‘পাঞ্চজন্য’ এবং দৈনিক ‘স্বদেশ’ পত্রিকার সম্পাদনা করেন। ১৯৫১ সালে ভারতীয় জনসঙ্ঘ প্রতিষ্ঠা হলে তাতে যোগদান করেন।

জনসঙ্ঘ থেকে ভারতীয় জনতা পার্টি,চলার পথটা খুব সহজ ছিল না। ভারতকেশরী ডঃ শ্যামাপ্রসাদের বলিদানের পর টালমাটাল শিশুটিকে সঠিক পথে পরিচালিত করার অন্যতম কারিগরের নাম- শ্রী দীনদয়াল উপাধ্যায়। বলরাজ মাধকের পর জনসঙ্ঘের আমৃত্যু সভাপতির দায়িত্ব সামলেছেন।

এহেন এক মহান ব্যক্তিত্বকে বরাবর খাটো করে দেখানোর প্রচেষ্টা চালিয়ে গেছে ভারতবর্ষের বিশেষ একটি রাজনৈতিক দল এবং তার সঙ্গে দোসর হয়েছে আরও অনেকে। কারন তারা জানতেন এই মানুষটির মতবাদ ও আদর্শের কথা মানুষের কাছাকাছি এলে তাদের কোলকেতে আর তামাক দেওয়ার কেউ থাকবেনা।

আসুন,আজকে দিনদয়াল উপাধায়ের জন্মদিনে আমরা তাকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরন করি এবং একাতব মানববাদের সারার্থ হৃদয়ঙ্গম করে চলার পথে সাথি করে নি।

দেবাশীষ পাইন

দেবাশীষ পাইন

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *