ট্রাম্পের সংরক্ষণবাদ নিতি আদতে কতটা কার্যকর হবে ???

nbc-fires-donald-trump-after-he-calls-mexicans-rapists-and-drug-runnersবর্তমানে বিশ্বজুড়ে সবার উপরে এক ট্রাম্প-জ্বর চেপে বসেছে।আমেরিকার নতুন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জন ট্রাম্প।ট্রাম্প আগমণের মুল বার্তা- আমেরিকার সাথে সম্পর্কিত দুনিয়াজুড়ে যত ঘটনা ছিল তা আর আগের নিয়মে ঘটবে না।এটাই ধরে নিয়ে চলতে হবে।অন্য কিছু বোঝার আগে ‘ট্রাম্প কেমন মানুষ সেটা বোঝার চেষ্টা করতে হবে।সকলেই একবাক্যে বলছে ট্রাম্প আনপ্রেডিক্টেবল লোক।মানে লোকটা কখন কী করে তা আগে থেকে বলা এককথায় অসম্ভব।ট্রাম্পের নীতি কেমন এই প্রশ্নে মিডিয়া বলছে সে প্রটেকশনিস্ট,মানে সংরক্ষণবাদী।মানে যে নিজের দেশের বাজার,নিজ জনগণের চাকরির বাজার সংরক্ষণ করে আগলে রাখতে চায়।এটার মধ্যে দোষের কিছু নেই।কিন্তু প্রশ্ন হল কী ভাবে? যে কায়দায় সংরক্ষণ করতে চাওয়া হচ্ছে তা কী কাজ করবে? বিকল্প পথের বিষয়টি কি ভাবা হয়েছে? ট্রাম্প তার নিজের নীতিকে ঠিক ‘সংরক্ষণবাদী’ বলে পরিচয় করান না।বলেন ‘আমেরিকা ফার্স্ট’।মানে সবকিছুতে সবার আগে আমেরিকা – এই নীতি।আবার অনেকে  বলছেন,ট্রাম্পের নীতি অ্যান্টি-গ্লোবালাইজেশন।সংরক্ষণবাদী মানেই ‘অ্যান্টি-গ্লোবালাইজেশন’।সেই সত্তরের দশক থেকে আমেরিকা সবাইকে নিজের নিজের দেশের বাজার খুলে দিয়ে গ্লোবালাইজেশনে যোগ দিতে প্ররোচিত করত। চাপ দিত। আজ, সেই আমেরিকা ট্রাম্প জমানায় উল্টো পথে চলা শুরু করেছে।যেমন ওবামার আমলে চীন বাদে ১২টি রাষ্ট্রের বাণিজ্য জোট –“টিপিপি” করেছিল।ট্রাম্প ক্ষমতায় এসেই আমেরিকাকে ওই বাণিজ্য জোট থেকে বের করে এনেছে।

গ্লোবালাইজেশন আর বাজার এর সম্পর্কটা কী? গ্লোবালাইজেশন মানে অবশ্যই নিজ বাজার খুলে দেওয়া। কিন্তু এটাই একমাত্র অর্থ বা বৈশিষ্ট নয়।বাজার খোলা মানে অন্যের বাজার খোলা পেতে হবে।অন্যের বাজার খোলা পেয়েছি বলেই তো গার্মেন্ট বেচে বছরে ৩২-৩৮ বিলিয়ন ডলার কামাতে পারি।গ্লোবালাইজেশনের অংশ হবার আগেও যেমন আমাদের উপর আমেরিকান দাদাগিরি ছিল এখনও প্রায় তেমনই কার্যকর আছে।গার্মেন্টস নিয়ে আমেরিকার বাজারে সব পণ্য কোডে যাতে ঢুকতে না পারি সেজন্য কোটার নিয়ন্ত্রণ দেয়া আছে।এতসব কিছুর পরও কিছু কিছু ছিদ্র আছে,শর্ত পরিস্থিতি আছে,ক্যাপিটালিজমের লজিক আছে, স্ববিরোধীতা আছে  যেখানে আমেরিকা দাদাগিরির ক্ষমতা থাকলেও তা প্রয়োগ করতে পারে না বা কাজে লাগে না।এদিকে আমাদের নিজ সক্ষমতা আছে, দক্ষতা আছে, আমাদের শ্রমের বাজারমুল্য বিদেশের তুলনায়  সস্তা এবং দক্ষ(নুন্যতম মজুরি বাড়িয়ে দিলেও তা সস্তা থাকবে)– এই ধরণের আরও অনেক তুলনামূলক-সুবিধা (কমপিটিটিভ এডভ্যানটেজ)আছে– যেগুলো আমেরিকা চাইলেও ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না।আমাদের এসব সুবিধার দিক গুলো আর বুদ্ধি খরচ করে চলতে পারলে আমাদের জন্য বন্ধ বাজার(প্রটেকশনিজম) এর  চেয়ে তুলনায় গ্লোবালাইজেশন এর সুবিধা বেশি। ফলে আজকের যুগের লড়াইটা  কেন্দ্রীভূত হয়েছে গ্লোবাল বাজারে নিজের শেয়ার বাড়ানোয়।অবশ্যই নয় নিজ বাজার সংরক্ষণে বা অন্যের প্রবেশ ঠেকানোয়।চলতি শতকের শুরু থেকেই চীনের অর্থনৈতিক উত্থান স্পষ্ট হতে থাকে।ফলে বুশের দ্বিতীয় টার্ম থেকে শুরু করে ওবামার দুই টার্ম এই পুরো সময় ধরে আমেরিকা এশিয়ায় চীনা কনটেনমেন্ট নীতি বা ‘চীন ঠেকানোর নীতি’ চালু রেখেছিল।এই নিতি কার্যকর করতে দুই রাইজিং ইকোনমির ভারত ও চীনের মধ্যে ভারতকে সুযোগ সুবিধা দিয়ে কাছে টেনে চিনের বিরুদ্ধে লাগিয়ে দিয়েছিল।আমেরিকা নিজের দাদাগিরি শক্তির কিছু ভাগ ভারতকে দিয়েছিল এই কারনে যাতে করে ভারত চিনকে ত ঠেকাতে পারে।গত প্রায় ১০-১২ বছর ধরে ভারত-আমেরিকার সম্পর্কের মৌলিক ভিত্তি এটাই। এই ব্যাপারে ট্রাম্পের নীতি সম্ভবত ভিন্ন হতে যাচ্ছে।ট্রাম্প যে আমেরিকা সাজাতে চাইছে তাতে এই দুই রাষ্ট্রের সাথে আমেরিকার সম্পর্কের ভিত্তি হবে আমেরিকান কাজের বাজার চীন বা ভারত কে কোথায় নষ্ট করছে সেটা দেখা ও ঝগড়া করে ঠেকানো।এজন্য ট্রাম্প পরিষ্কার করে বলেননি যে চীন ঠেকানোর পুরনো নীতি তার আমলে কী হবে।কিন্তু এটা পরিষ্কার, আমেরিকার কাজের বাজার কাউকে নষ্ট করতে দেওয়া বরদাস্ত করা হবে না।এটাই ট্রাম্পের ফোকাস।

তাহলে সার কথা  ‘চীন ঠেকানোয়’ “এশিয়াতে আমেরিকা পিভোট বা ভারসাম্য আনয়নকারী হয়ে থাকবে”।এই নীতি ওবামা চালিয়ে গিয়েছেন।ট্রাম্পও চীন-বিরোধী তবে সেটা নির্ভর করছে চিন আমেরিকার কাজের বাজার কতটা ধ্বংস করছে তার ওপর।কিন্তু ট্রাম্প ইতিমধ্যে ভারত-বিরোধী অবস্থান নিয়েছে,তবে সম্পুর্ণ ভিন্ন পন্থায়।ভারতের আইটি শিল্প আমেরিকান নাগরিকের চাকরি খাচ্ছে বলে ট্রাম্প মনে করেন।প্রসঙ্গটাকে আমরা ‘H1-B ভিসা কর্মসূচি’ দিয়ে বুঝতে পারি।এটা একটা বিশেষ ক্যাটাগরির ভিসা কর্মসূচির নাম। আমেরিকার আইটি শিল্প বা সফটওয়্যার ব্যবসার বাজারটা মোটামুটি ১২০-১৫০ বিলিয়ন ডলারের।এর প্রায় ৭০ ভাগ বাজার ভারতের দখলে।ভারতীয় মালিকানাধীন আমেরিকায় রেজিষ্টার্ড তিন-চারটা কোম্পানী এই বাজার দখল করে রেখেছে।আমেরিকায় রেজিস্টার্ড ভারতীয় মালিকানাধীন কোম্পানিগুলো ওই ভিসা ক্যাটাগরিতে ভারত থেকে প্রোগ্রামারদের এনে আমেরিকান প্রোগ্রামাদের থেকে কম বেতনে কাজে নিয়োগ করে আসছিল। যদিও ওই ভিসা ক্যাটাগরির পেছনের আইনে বলা ছিল যে এই ক্যাটাগরিতে ভারতীয় বা বিদেশীদের আনতে গেলে তাদের ন্যূনতম বেতন বছরে ৬০ হাজার ডলার বা এর বেশি হতে হবে।শ্রম আমদানিকারক কোম্পানিগুলোর সাফাই ছিল, যেহেতু দক্ষ ও মেধাবী শ্রমগুলো (যাদের বেতন ৬০ হাজার ডলার মাপকাঠির) আমেরিকায় যথেষ্ট পাওয়া যায় না এবং ভারতীয়দের মাস্টার্স আছে, আমেরিকান চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে মাস্টার্স থাকে খুব কম জনের সেই কারনে তারা ভারত থেকে আমদানি করছে।
ট্রাম্প এই ভিসা ক্যাটাগরিতে শ্রম আমদানির বিপক্ষে এবং রুখতে চায় শর্তগুলোকে আরও কঠিন করে দিয়ে।এই ভিসা ক্যাটাগরির শ্রম আমদানির বিরুদ্ধে কেবল ট্রাম্প একা নয়; আছে কংগ্রেস ও সিনেটে সংখ্যাগরিস্ট রিপাবলিকানরাও।এই দলে অনেক ডেমোক্র্যাটও আছে।ট্রাম্পের শপথ নেয়ার আগেই গত ৫ জানুয়ারি থেকে কংগ্রেসে ‘হাই-স্কিল্ড ইনটিগ্রিটি অ্যান্ড ফেয়ারনেস অ্যাক্ট, ২০১৭’ নামে বিল আনার তৎপরতা শুরু হয়ে যায়।এই কাজে এখনই চার থেকে পাঁচটা প্রস্তাবিত আইন কংগ্রেসে ঘোরাফেরা করছে। সেগুলোর অন্তত একটা বাই-পার্টিজান মানে ডেমোক্র্যাট-রিপাবলিকান দুই দলের দুই সদস্যের যৌথ প্রস্তাব।শুরুর দিকের প্রস্তাবগুলোতে সংশোধিত  ‘H1-B ভিসা কর্মসূচিতে’ মুখ্য দুই পরিবর্তনের মধ্যে ছিল। ন্যূনতম বেতন বছরে এক লাখ ডলার করা; আর মাস্টার্স ডিগ্রি থাকাকে অপ্রয়োজনীয় ঘোষণা করা।এমন প্রস্তাবের পেছনে যুক্তি হল, বছরে এক লাখ ডলার মানে মাসে আট হাজার ডলারের বেশি দিয়ে বিদেশী-ভারতীয় লোক আনতে গেলে সেটা আর আমদানিকারক কোম্পানীর কাছে লাভজনক থাকবে না। কারণ ওর চেয়ে কম বেতনে আমেরিকা থেকেই স্থানীয়ভাবে প্রোগ্রামার পাওয়া যাবে। আর মাস্টার্স ডিগ্রি থাকার শর্ত উঠিয়ে দেয়া মানে স্থানীয়ভাবে গ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামাররা ওই চাকরির আবেদন করতে পারবে, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হতে পারবে।এদিকে ট্রাম্পের শপথের পরে আরো যেসব নতুন বিল বা আইনের প্রস্তাব কংগ্রেসে উঠেছে সেগুলোতে ন্যূনতম বেতন বছরে এক লাখ ত্রিশ হাজার রাখা হয়েছে।বলা বাহুল্য ভারতীয়দের মাথায় হাত।ইতিমধ্যে ভারতীয় কোম্পানিগুলোর ভারতে রেজিস্টার্ড অংশে শেয়ার বাজারে পতন হয়েছে গড়ে শতকরা ৯ ভাগ। আমেরিকান শেয়ারবাজারের এক অ্যানালিস্ট হিসাব করে বলছেন ভারতীয় তিন শীর্ষ কোম্পানিকে টিসিএস (টাটা), ইনফোসিস ও উইপ্রো নতুন হবু আইনে ৬০-৭০ ভাগ বেশি বেতন গুনতে হবে। ফলে আনুপাতিক মুনাফা কমে যাবে। অর্থাৎ অবস্থা খুবই বেগতিক। এসব কোম্পানির এক মালিক সমিতি আছে নাম ন্যাসকম(NASSCOM)  খুবই তৎপর হয়ে লবিং করছে।ওদিকে মোদি সরকার নিশ্চুপ। প্রকাশ্যে কোনো প্রতিক্রিয়া নেই।অথচ গত নভেম্বরে ট্রাম্পের বিজয়ের পর থেকে এই বিপদ যে আসছে তা সরকার ও সংশ্লিষ্টরা সবাই জানে। ট্রাম্প বিজয়ী হওয়ার পর মোদি পঞ্চম রাষ্ট্রপ্রধান যিনি ট্রাম্পকে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন। এরপরে ট্রাম্পের শপথ গ্রহণ শেষে ২৫ জানুয়ারি সরকারপ্রধান হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে ফোনে কথা বলেছেন।ফোনালাপে ভারতের উদ্বিগ্নতার ইস্যুগুলো নিয়ে কোনও চর্চা হয়েছে কিনা,কোন আশার আলো আছে কিনা এসব বিষয়ে তেমন কিছুই পরিষ্কার করে সামনে আসেনি। কয়েকজন আমেরিকান বিশেষজ্ঞের মতামত হল, ভারত আমেরিকানদের চাকরি খেয়েছে – এই জায়গা থেকে কোনো ছাড় দেয়া অথবা সরে আসার কোন সম্ভাবনা তারা দেখছে না।অনেকর মনে হতে পারে  ট্রাম্প বা অন্য যেকোনো জাতীয়তাবাদীর পক্ষে এমন সংরক্ষণবাদী অবস্থান নেওয়াটাই স্বাভাবিক।বিনয়ের সঙ্গে বলছি-দুঃখিত, আসলে ব্যাপারটা এত সরল নয়।বরং সস্তা জাতীয়তাবাদ।

শ্রম আমদানিকারক কোম্পানিগুলোর যুক্তি হল, বিরাট সংখ্যক ট্যালেন্ট যখন আমাদের সাথে কাজ করতে চাইছে আর আমরা তাদের আটকে রাখতে চাইছি, এটা উদ্ভাবন ও প্রতিযোগিতার দিক থেকে ধ্বংসাত্মক’।ইমোশনাল না হয়ে দেখলে, আসলে এখানে ট্যালেন্ট বলে ডেকে কোম্পানীগুলোর অবস্থানের পক্ষে সাফাই গাইছে।আসলে যাদের ‘ট্যালেন্ট’ আখ্যা দেওয়া হচ্ছে তাদের ভারত থেকে সস্তায় কম বেতনে পাওয়া আর সেই কারনেই তাদেরকে গৌরবান্বিত করে এমন ট্যালেন্ট বলে ডাকা হচ্ছে।যদি কোনো কারণে আমেরিকাতেই তুল্য দক্ষ শ্রম সস্তায় পাওয়া যেত তাহলে আমেরিকানরাই ট্যালেন্ট হয়ে যেত।ক্যাপিটালিজমের স্বভাব বৈশিষ্ট্যই হল সস্তা শ্রমের পক্ষে সব ধরনের যুক্তি-সাফাই গাওয়া।এখন বড় প্রশ্ন হল, ক্যাপিটালিজমের স্বভাব-বৈশিষ্ট্যের বিরুদ্ধে আইন বানিয়ে ট্রাম্পের পক্ষে জয়লাভ করা কি সম্ভব হবে?

সম্ভব।কারন এই আইন কার্যকর হলে বিদেশী নয় আমেরিকানদের চাকরি হবে।সেক্ষেত্রে নিয়োগকর্তা কোম্পানীগুলো ভারতীয়দের চেয়ে স্থানীয়দের নিয়োগ দিলে বেতনের বিবেচনায় লাভজনক হবে।কিন্তু ঘটনার এখানেই শেষ নয়। আরও দিক আছে।মূলকথা এই স্থানীয় নিয়োগের ক্ষেত্রে বেতন কিন্তু এখনকার তুলনায় ৬০-৭০ ভাগ বেশি হবে। যার অর্থ এই সেক্টরের সফটওয়ার প্রডাক্টে ক্রেতাদেরকে  বেশি মূল্যে সফটওয়্যার ও সার্ভিস কিনতে হবে।অর্থাৎ আমেরিকানদের চাকরি দিতে গিয়ে বা সস্তার জাতীয়তাবাদ দেখাতে গিয়ে রাষ্টের সবাইকে বেশি মূল্যে পণ্য কিনতে হবে।যার পুরোটাই লস।ব্যাপারটা যেন এমন হল সব আমেরিকান মিলে পকেট থেকে চাঁদা দিয়ে বেকার আমেরিকান আইটি গ্র্যাজুয়েটদের বসিয়ে বসিয়ে খাওয়াল।এর চেয়ে বেকারভাতা দেওয়া সহজ।এটা কি ন্যাশনাল প্রডাকশন বাড়ল না ন্যাশনাল লস? কোন খাতে ফেলব? প্রশ্নটা কাজ দেওয়ার, নাগরিকের পকেট কাটা নয়। অতএব বলে দেয়া যায় – এই সস্তা জাতীয়তাবাদ টিকবে না।

সত্যটা হল আমাদের মতো গরিব দেশের শ্রম (দক্ষ বা অদক্ষ দু’টিই) উন্নত বা বড় অর্থনীতির দেশের শ্রমের চেয়ে সস্তা ও প্রতিদ্বন্দ্বী হবেই।এখনো অনেক দিন এটা হবে।ক্যাপিটালিজমের সাধারণ ঝোঁক সব সময় এই সস্তা শ্রমের পক্ষ নেওয়া, কারণ ওখানে মুনাফা বেশি হবে। এই সত্য অস্বীকার করে কেউ বেশিদিন টিকবে না।একথা যে যত তাড়াতাড়ি বুঝবে তার তত ভালো।সস্তা জাতীয়তাবাদের শ্লোগান দিয়ে ভোটে জেতা আর দেশ চালানো এক নয়।অতএব ট্রাম্পের সংরক্ষণবাদ নিতি টিকবে না বলেই মনে হয়।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *