উচিৎ মনে করলে অবশ্যই শেয়ার করুন।

downloadধর্মের ভিত্তিতে ভারতবর্ষ ভাগের পর থেকে প্রথমে পাকিস্তান,পরে পাকিস্থান ভাগ হলে বাংলাদেশ থেকে অত্যাচারিত হিন্দুদের পাশাপাশি দরিদ্র ও অশিক্ষিত মুসলমানরা দলে দলে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে অনুপ্রবেশ করে বসবাস করতে শুরু করে। এই অনুপ্রবেশের পিছনে যেমন বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের প্রত্যক্ষ মদত রয়েছে। সমান্তরালভাবে আমাদের দেশের ক্ষমতালোভী রাজনৈতিক দল ও তাদের নেতাদের  সম্পূর্ণ মদত তখনো ছিল এবং এখনো ভীষণভাবে আছে।

এই অনুপ্রবেশ সমস্যায় সবথেকে বেশি ভুক্তভোগী ও পীড়িত আসাম ও পশ্চিমবঙ্গ। দীর্ঘদিন ধরে দলে দলে অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী আসাম ও পশ্চিমবঙ্গে এসে, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সহযোগিতায় রেশন কার্ড, ভোটার কার্ড ইত্যাদি পরিচয় পত্র বানিয়ে এদেশে স্থায়ীভাবে বসবাস করছে। এদের মধ্যে যেমন বাংলাদেশি নির্যাতিত হিন্দুরা আছে ঠিক তেমনি প্রচুর কট্টর বাংলাদেশি জিহাদি মুসলমানরা রয়েছে।

এই অনুপ্রবেশের কারণে একদিকে যেমন জনবিন্যাসের ভারসাম্য বিঘ্নিত হচ্ছে তেমনি অন্যদিকে দরিদ্র ও অশিক্ষিত মানুষদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, রুজি রুটির বন্দোবস্ত করতে গিয়ে আমাদের দেশের উন্নতি ভীষণ ভাবে বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে। শুধু তাই নয় এই অনুপ্রবেশকারীদের কারনে দেশের ভুমিপুত্ররাও বিভিন্ন দিক দিয়ে ও বিভিন্ন ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

ইসলামিক জিহাদিরা অসম ও পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন অঞ্চলে মুসলমান জনসংখ্যা বৃদ্ধি করে গ্রেটার ইসলামিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাতারে কাতারে বাংলাদেশি মুসলমান ঢোকানোর চেষ্টা নিরন্তর করে চলেছে।এই বিষয়টা আমরা দেখেও দেখছিনা। এদেশে ঢুকে এই জিহাদিরা একটু থিতু হলেই সাধারন মানুষের উপর নির্যাতন, খুন, জখম, লুটপাট ইত্যাদির কোনোটি করতেই পিছপা হচ্ছে না।

এই কট্টর জিহাদি মুসলমানদের জ্বালায় আসাম ও পশ্চিমবঙ্গ দির্ঘদিন ধরে জ্বলছে। একদল মানবতার নামে অনুপ্রবেশকারীদের সমর্থন করে ক্ষমতায় আসে তো অন্যদল তাড়াবো বলে ক্ষমতায় আসে।যেমন, বেআইনি অনুপ্রবেশকারীদের এদেশ থেকে তাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিজেপি এবার অসমের ক্ষমতায় এসেছে।

সুপ্রিম কোর্টের সম্পূর্ণ তত্ত্বাবধানে NRC রিপোর্ট তৈরি হয়ে প্রকাশ হওয়ার পর বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতাজ বেগম রে রে করে এর বিরোধিতায় নেমে পড়লেন। এদের এই পক্ষ ও বিরোধিতা দেখে বীতশ্রদ্ধ হয়ে একজন অরাজনৈতিক সচেতন নাগরিক হিসাবে আমার কিছু প্রশ্ন রয়েছে।

আমাদের দুর্ভাগ্য যে, মুসলমানদের তোয়াজ করে নিজের ক্ষমতা ধরে রাখতে গিয়ে বেগমজি জিহাদিদের কাছে নিজেকে সম্পুর্ন বেচে দিয়েছেন। তাই জিহাদিদের চাপের কাছে মাথা নত করে বাংলাদেশি অবৈধ মুসলমানদের এদেশ থেকে তাড়ানো আটকাতে বেগমজি উঠে পড়ে লেগেছেন। বেগমজি বলছেন, অসম থেকে বেছে বেছে বাঙালিদের বিতাড়ন করা হচ্ছে। বাঙালি সেন্টিমেন্টের নাম দিয়ে জিহাদি মুসলমানদের বাঁচানোর কি সুন্দর কৌশল!! পশ্চিমবঙ্গ তো এক ঝটকায় বাংলা হয়েই গেছে, এরপর বাংলার পাশে দেশ বসিয়ে দিলেই ইসলামিক বাংলাদেশ করার কি সুন্দর অপ প্রচেষ্টা ।

বেগমজি,এত বাঙালি প্রেম আপনার এতদিন কোথায় ছিল? রাজনৈতিক দলগুলির বদান্যতায় আসামের *হিলাকান্দি* জেলাটা যখন সম্পুর্ন মুসলমান অধ্যুষিত হয়ে গেল। এবং ওখানকার বাঙালি হিন্দু যারা দেশ বিভাগের আগে থেকেই ওখানকার অধিবাসী ছিলেন, তারা যখন মুসলমানদের অত্যাচারে বাস্তুচ্যুত হলেন তখন বেগমজী আপনি কোথায় ছিলেন ? দিদি আপনি আজ শুধুমাত্র ক্ষমতায় টিকে থাকার স্বার্থে জামাতি ও জিহাদিদের সামনে হাঁটু গেড়ে দিয়েছেন। বাঙালি সেন্টিমেন্টে সুড়সুড়ি দিয়ে বলছেন যে অসম থেকে বাঙালিদের বিতাড়িত করা হলে তিনি সেই জিহাদি মুসলমানদের পশ্চিমবঙ্গে এনে জামাই আদর করে পুষবেন।

এবার কতগুলো প্রশ্ন ও উত্তর পর্ব সেরে নেওয়া যাক।
১)আসাম ও পশ্চিমবঙ্গের মত রাজ্যে অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী আছে কি নেই ?
উত্তর – নিশ্চিতভাবে আছে ।

2) দেশের শান্তি ও নিরাপত্তার স্বার্থে এই অনুপ্রবেশকারীদের দেশ থেকে বিতাড়ন করা উচিত কি উচিত না ?
উত্তর – অবশ্যই উচিত।

৩) পাকিস্থান ও বাংলাদেশ থেকে বাঙালি হিন্দুদের বিতাড়ন, কাশ্মীরে হিন্দু পন্ডিতদের বিতাড়ন নিয়ে তো কখনও এই বেগমের কোনো হেলদোল দেখিনি? তাহলে এখন কেন ওনার এত আবেগ, এত দরদ ? এখনই তো ওদের তাড়িয়ে দেওয়া হয় নি ? এটাতো একটা নামের খসড়া তালিকা মাত্র। তাহলে এই নির্লজ্জ্ব ইসলাম তোষণ কি ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য?
উত্তর – অবশ্যই।

৪) বসিরহাট, বাদুরিয়া, কালিয়াচক, ধুলাগড়, রানীগঞ্জ ঘটনার সময়তো ওনার এরকম চিন্তা ও আবেগ দেখা যায় নি। উল্টে হিন্দুদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে উড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। কি উড়িয়ে দেন নি?
উত্তর – একদম উড়িয়ে দিয়েছিলেন ।

৫) সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, আজ পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে যে, বেগম এখন সম্পূর্ণরূপে জিহাদিদের হাতের পুতুল হয়ে গেছে ।
এমতাবস্থায়  সকল হিন্দুরা যদি সব ভেদাভেদ দূরে সরিয়ে রেখে একত্রিত না হই তাহলে অচিরেই এই বাংলা থেকে আমাদের মুছে যেতে হবে। তাই বাঁচার স্বার্থে সব হিন্দুদের আজ এক হতেই হবে । মনে রাখবেন *একতাই বল *।

লেখাটি যদি উচিৎ মনে করেন তাহলে অবশ্যই শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *