কাছে পিঠে বেড়ানোর গাইড:-

1

 

শীতকালে ঘুরতে যাওয়ার প্রবণতা সকলের মধ্যেই দেখা যায়। জীবনের একঘেয়েমিকে মুছে ফেলতে বেড়িয়ে পড়ুন। পরিবারকে সাথে নিয়ে চলে যান “বনগাঁ।”

(বনগাঁ):- ঘন জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে বয়ে গেছে ইছামতি নদী। বনগাঁ শুধুমাত্র প্রকৃতির সৌন্দর্য উদযাপনের, বিভূতিভূষণের অভয়ারণ্য বা পরমাদান ক্ষেত্র নয়। নদীতে সারি বেধে হরিণের জল খাওয়া, নাম না জানা অসংখ্য পাখির কিচিরমিচির শব্দ, জঙ্গলের নিস্তব্দতার মধ্যে যেন এক আলাদা বিশেষত্ব লক্ষ্য করা যায়। শোনা যায় এখানকার এই ‘ইছানদীর’ নির্জন পাড়ে বসে বিভূতিভূষণ কবিতা লিখতেন। নদীতে বোটিং করার সুবিধেও রয়েছে। কাছেই রয়েছে ছোট্ট একটা চিড়িয়াখানা। সেখানে অজগর, কাকাতুয়া, হরিনেরও দেখা মেলে। পরিবারের বাচ্চা থেকে বড় সকলকের জন্যই জায়গাটা অত্যন্ত মনোরম। এখান থেকে আবার ৬ কিলোমিটার দুরে ভারত- বাংলাদেশের বর্ডারের দিকেও যেতে পারেন, জায়গাটার নাম- পুস্পিঘাটা।

বনগাঁ যাওয়ার রাস্তা বা যাত্রাপথ:- ট্রেন ধরে বনগাঁ পৌঁছবেন প্রথমে, সেখান থেকে অটো বা জিপ ভাড়া করে কিংবা বাসে করে যেতে হবে নলডুগড়ি। সেখান থেকে ভ্যানে পরমাদান। ধর্মতলা থেকে বাসেও সরাসরি নলডুগড়ি যেতে পারেন।

আর দেরী কেন? এইটাই তো ঘুরতে আসার সেরা সময়।342

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *