বর্ষায় ঘুরে আসুন দারিংবাড়ী(ওড়িশা)

downloadপ্রায় ৪ হাজার ফুট উচ্চতায় অবস্থিত ‘ওড়িশার কাশ্মীর’ দারিংবাড়ি। পুরো পাহাড়টা ঘন সবুজের চাদরে মোড়া। ওপরে নীল আকাশ তার নিচে সবুজের সমারহ। বর্ষায় সবুজের রূপ আরও খোলতাই হয়। দারিংবাড়ীকে ঘিরে আছে অসংখ্য জলপ্রপাত,বর্ষায় প্রপাতগুলি জলে ভরে ওঠে। প্রকৃতি কেমন যেন ঝলমল করে। এত ঝকঝকে আবহাওয়া ভাবাই যায় না।

48809480

কী ভাবে যাবেনঃ

হাওড়া থেকে ভুবনেশ্বর গামী যে কোনও ট্রেনে যেতে পারেন। ভুবনেশ্বর থেকে গাড়িতে দারিংবাড়ি।

hqdefault

কি কি দেখতে পাবেন দারিংবাড়ী এলেঃ

হিল ভিউ পয়েন্টঃ- দারিংবাড়ী এলে এই স্থানটাকে কিছুতেই বাদ দেওয়া যাবে না। সমগ্র দারিংবাড়ী ও আশপাশের এলাকাটাকে এই পয়েন্ট থেকে দেখা যায়। অপূর্ব সুন্দর লাগে দেখতে।

রুসিকুল্লাহ নদীঃ-নদী দারিংবাড়ী পাহাড়ের ঢাল বেয়ে নেমে এসেছে।

কফি ও গোলমরিচের বাগানঃ- দারিংবাড়ী পাহাড় জুড়ে অসংখ্য কফি ও গোলমরিচের বাগান দেখতে পাওয়া যায়। বন দফতরের তত্ত্বাবধানে বাগানগুলির পরিচর্চা হয়। ঘুরে বেড়ানো আর বনভোজনের আদর্শ স্থান।

rsz_img_1464

দলুরি নদীঃ-এই নদীটির বিশিষ্ট হল সমগ্র দারিংবাড়ী পাহাড় জুড়ে অসংখ্য সুন্দর ঝরনা তৈরি করেছে।

পুদুডি জলপ্রপাতঃ-ওড়িশা রাজ্যের সবচাইতে উল্লেখযোগ্য জলপ্রপাত। দারিংবাড়ী এসে এই জলপ্রপাতটি না দেখলে পুরো ভ্রমণটাই অসম্পূর্ণ থেকে যাবে।

বেলঘর অভয়ারণ্যঃ-১৬,১৭৪,৪৬ একর জায়গা জুড়ে বিস্তৃত। দারিংবাড়ী থেকে মাত্র ৫০ কিলোমিটার দূরে। ঘন সবুজে ঢাকা এই জঙ্গলে প্রচুর বন্যপ্রাণীর সন্ধান মেলে, বিশেষ করে দাঁতাল হাতী। এছাড়াও অসংখ্য পাখী, বুনো শুয়োর, হরিণ দেখতে পাওয়া যায়। এই জঙ্গলের বনবাংলোটি আরেকটি আকর্ষণ পর্যটকদের কাছে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *