“বনসাঁই দিয়ে ঘর সাজান ” জেনে নিন কি করবেন।

JUNIPER_BONSAIবনসাঁই একটি জাপানি শব্দ।Bon অর্থাৎ পাত্র আর Sai অর্থ গাছ বাঁ গাছ রোপণ।বনসাঁই শিল্প হিসাবে প্রথম প্রকাশ পায় বহু শতাব্দী আগে চিন দেশে।তারও আগে মিশরে বনসাঁইয়ের নিদর্শন পাওয়া গেছে।ঘর সাজানোয় বনসাঁই ফ্যাসান একটা ভিন্ন রুচি বহন করে।বনসাঁইকে জীবন্ত শিল্পকর্ম বলা হয়ে থাকে।কংক্রিটের জঙ্গলে এক টুকরো সবুজের উপস্থিতি ফ্যাসানের মাত্রাকে বাড়িয়ে দেয় আর সেই কারনে বনসাঁইয়ের কদর যেন একটু বেশিই।আগে মুলত চিন,জাপান দেশে ঘর সাজাতে বনসাঁই সিমাবদ্ধ ছিল এখন ঐ দেশের বেড়া টপকে আজকাল আমাদের দেশে শৌখিন সংগ্রহের পাশাপাশি ঘর সাজাতে এবং অন্যান্য ইন্টেরিয়র ডিজাইনের কাজে বনসাঁই ব্যবহার করা হয়।

আপনি বনসাঁই নিজের পছন্দমতো কিনতে পারেন অথবা নিজেই তৈরি করে নিতে পারেন।বাজারে বনসাঁই বানানোর বই পাওয়া যায়।অতিউৎসাহীরা বনসাঁই বানানোর ক্লাবও খুলে ফেলেছেন।চাইলে, সন্ধান করে আপনিও ক্লাবের সদস্য হতে পারেন।শুধু একটা কথা না বললেই নয় সেটা হোল-একটু আন্তরিক ভাবে বনসাঁইয়ের পরিচর্চা করতে হয়।ঘাবড়ে যাবেন না,খুব বেশি ঝামেলা পোয়াতে হয় না।কিছু পরিচর্যার নিয়ম বাতলে দিচ্ছি সেগুলি করলেই চলবে।

১.  গাছকে নিয়মিত কালো মাটি, বালি বা ইটের গুঁড়ো ও সর্ষের খোল দিন।

২. বনসাঁইয়ে বেশি জল দেবেন না এবং বেশি রোদ লাগাবেন না।

৩. বনসাঁইয়ে পড়া ধুলো ময়লা জল দিয়ে নিয়মিত পরিষ্কার করুন।

৪. টবের মাটিতে পোকামাকড় কিংবা ছত্রাক যাতে না জন্মাতে পারে তার জন্য ওষুধ দিন।

৫. আকৃতি ঠিক রাখতে নির্ধারিত ডালপালা বাদে ছাঁটাই করুন।

৬. অবশ্যই প্রতি এক বছর অন্তর টবের মাটি পরিবর্তন করুন।

৭. গাছের ছাঁটাই করার জন্য নির্ধারিত যন্ত্রপাতি ব্যবহার করুন।

আর দেরি না করে লাগিয়ে ফেলুন বনসাঁই।ফ্যাসান করতে টাকা লাগে একথা ঠিক কিন্তু শুধু টাকা থাকলেই চলে না দরকার রুচির।সামর্থের সঠিক ব্যবহার করে সকলকে তাক লাগিয়ে দিন।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *