“ফেসবুক-অচিরেই হতে চলেছে বিশ্বের বৃহত্তম ডিজিটাল কবরখানা”

graveyard-quotes-7সালটা সম্ভবত ২০০৯।একদা জনপ্রিয় সোশাল নেটওয়ার্কিং সাইট ‘অরকুট’ তার কৌলীন্য হারাতেই ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়েছিল একটি মেসেজ।যেখানে একটি স্মৃতিফলকের ছবি দিয়ে নিচে লেখা ছিল ‘অরকুটে’র নাম।সঙ্গে উল্লেখ ছিল আবির্ভাব থেকে মৃত্যু।সৌজন্যে ফেসবুক।আর খুব বেশি দেরি নেই,যেদিন মার্ক জুকেরবার্গএর সংস্থার পরিনিত হবে ‘বিশ্বের বৃহত্তম ডিজিটাল গোরস্থানে’!

কানে খটকা লাগছে তো? কিন্তু এটাই বাস্তব হতে চলেছে।কারন,মৃত ব্যক্তিদের অ্যাকাউন্টের সংখ্যা পিছনে ফেলে দিতে চলেছে জীবিত ব্যক্তিদের প্রোফাইল সংখ্যাকে।এক বিশেষজ্ঞ জানিয়েছেন যে কোন মৃত ব্যক্তির অ্যাকাউন্ট নিজে থেকে মুছে(ডিলিট)দেয় না মার্ক জুকেরবার্গ এর সংস্থা। পরিবর্তে তাদের অ্যাকাউন্টগুলিকে ‘মেমোরিয়ালাইজ ভার্সন’ এ পরিনত করে দেয় ফেসবুক। ফলে সেগুলি বহাল তবিয়তে  থেকে যায়। যদি কেউ মৃত ব্যক্তির প্রোফাইলের পাসওয়ার্ড জানেন তবেই তিনি সেই অ্যাকাউন্ট ডিলিট করে দিতে পারবেন। কিন্তু খুব কম ব্যক্তিই অন্যের পাসওয়ার্ড জানেন। ম্যাসচুয়েটস ইউনিভার্সিটির গবেষক হাচেম সাদিকি বলছেন খুব শীঘ্রই জুকেরবার্গ তার সংস্থার বৃদ্ধি হারাবেন। ডিজিটাল বিয়ন্ড নামে এক অনলাইন সংস্থার মতে চলতি বছরের শেষেই মারা যাবেন ৯ লক্ষ ৭০ হাজার ফেসবুক ব্যবহারকারী।২০১০ ছিল ৩ লক্ষ ৮৫ হাজার ৯৬৮ এবং ২০১২ সালে ছিল ৫ লক্ষ ৮০ হাজার।অনুমান করে নিন মাঝের বছর গুলোয় কি অনুপাতে মৃতের সংখ্যা বেড়েছে। মৃত ব্যক্তিদের অ্যাকাউন্ট ডিলিট না করার সিদ্ধান্তের ফলে কালেদিনে জীবিত ব্যক্তিদের প্রোফাইলের সংখ্যাকে হারিয়ে দিতে চলেছে মৃত ব্যক্তিদের অ্যাকাউন্ট।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *