কেন খাবেন গ্রিন টি?

20-Benefits-Of-Green-Tea-That-You-Should-Definitely-Know-1

লাইফ স্টাইলঃ- প্রায় ৫০০০ হাজার বছর আগে থেকে চিনে গ্রিন টি’র প্রচলন শুরু হয়।কারন প্রাচীনকাল থেকে চিনারা একে ঔষধি হিসাবে ব্যবহার করে আসছে।আজও সুস্বাস্থের জন্য ও বিনোদনের পানীয় হিসাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

কি আছে গ্রিন টি তে?

এতে আছে পলিফেনল যেমন ফ্ল্যাভোনয়েডস ও ক্যাটাচিনস যা উপকারি অ্যান্টি অক্সিডেন্টস।এই অ্যান্টি অক্সিডেন্টস আমাদের শরীরে জরা ও বার্ধক্য অনায়নকারি ফ্রি র‍্যাডিকেলসকে প্রশমিত করে।গ্রিন টি তে আরও বহু ধরনের ফ্ল্যাভোনয়েডস থাকে যেমন- ক্যাটাচিন, এপি ক্যাটাচিন, এপিক্যাটাচিন গ্যালেট এবং বিভিন্ন ধরনের প্রো অ্যানথোসায়ানিডেন জাতীয় উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন অ্যান্টি অক্সিডেন্টস যা বিভিন্ন রোগের হাত থেকে রক্ষা করে।

এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের অ্যামাইনো অ্যাসিড ও অ্যালকালয়েড থাকে।বিভিন্ন ধরনের মিনারেল থাকে যেমন- পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম আয়রন, ম্যাঙ্গানিজ ও বিভিন্ন প্রকারের ভিটামিন যেমন- ভিটামিন এ,বি,বি২,বি৩,বি৬, ভিটামিন সি ও ই ইত্যাদি থাকে।

গ্রিন টি’র উপকারিতা-

গ্রিন টি শরীরে ইমিউনিটি বাড়াতে সাহায্য করে। শরীরে স্ট্যামিনা, উৎসাহ ও স্ফূর্তি বাড়াতে সাহায্য করে।যারা নিয়মিত মদ্যপান করেন তারা গ্রিন টি লেবুর রসের মিশিয়ে খেলে উপকার পাবেন। গবেষণায় জানা গেছে রক্তপাত বন্ধ করতে,হার্ট ও মানসিক স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে ও শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রনে রাখতে গ্রিন টি’র বিশেষ ভুমিকা আছে। ক্রমশ গবেষণায় আরও জানা যাচ্ছে যে বিভিন্ন ধরনের ক্যানসার রুখতে, হার্টের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে, কোলেস্টেরল কমাতে, ডায়াবেটিস কমাতে,স্থূলতা ও শরীরের ওজন কমাতে, মেমরি ও ব্রেন ফাংশন বাড়াতে এবং কিছু কিছু চর্মরোগ সারাতে নিয়নিত গ্রিন টি পানে বিশেষ ও ব্যাপক ভুমিকা রয়েছে।

কিভাবে খাবেন?

নিয়মিত ২-৩ কাপের অধিক পান করলে বিভিন্ন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে যেমন- অনিদ্রা, খিদে কমে যাওয়া, মাথাঘোরা, অস্থিরতা, কাঁপুনি ইত্যাদি।গ্রিন টি খাওয়ার ১-২ ঘণ্টা আগে বা পরে পান করা উচিৎ। খালিপেটে একদম খাওয়া উচিৎ নয় যদিও খান তাহলে খাওয়ার আগে জল খেয়ে চা পান করুন।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *