অতিরিক্ত স্মার্টফোন ব্যবহার চোখের মারাত্মক ক্ষিতি করছে।

Blue_Light_Therapyবর্তমানে স্মার্টফোন, ছোট বড় সকলের কাছে সব পেয়েছির দুনিয়া। স্মার্টফোন এখন আসক্তির পর্যায়ে। ট্রাম, বাস, ট্রেন,গাড়িতে, অফিসে, পড়াশোনার ফাঁকে, রাস্তা দিয়ে চলতে কানে হেডফোন। স্মার্টফোনের ওপর হাত বোলাও ব্যাস দুনিয়া চোখের সামনে দৃশ্যমান।

কিন্তু একটা সময়ের পর এই আসক্তি চোখের ভয়ানক বিপদ ডেকে আনছে। দীর্ঘদিন অনেকক্ষণ ব্যবহারের করলে প্রথমে চোখে ক্লান্তি আসতে শুরু করে তারপর চোখ টকটকে লাল হয়, শুকনো লাগে, জল পড়তে শুরু করে।

এটা হওয়ার কারন- স্ক্রিন থেকে নির্গত আলো, ব্লু ভায়োলেট রে দেখতে সাদা মনে হলেও আসলে ভিবজিওরের ভায়োলেট ও ইন্ডিগো ব্লু শেডস থাকে যা ডিজিটাল স্টেইন বা ডিজিটাল ফ্যাটিগ তৈরি করছে।

সমীক্ষা বলছে, আমাদের বায়োলজিক্যাল ঘড়ি অনুযায়ী দিনের বেলা ব্লু লাইট আমাদের প্রয়োজন কিন্তু রাত্রে একদমই ভালো নয়। আমাদের চোখ ও মস্তিস্ক এত বছরের বিবর্তনের পথ ধরে ব্লু লাইট দেখতে অভ্যস্ত নয়। ফলে খিটখিটে মেজাজ, জেদ, রাগ, বিরক্তি আর ছোটদের ক্ষেত্রে হচ্ছে- পড়াশোনায় অমনোযোগ, জেদ, ইত্যাদি অ্যাটেনশান ডেফিসিট ডিজঅর্ডার তৈরি করছে।

এখন সমস্যা হচ্ছে, স্মার্টফোন ছাড়া আমাদের দৈনন্দিন জীবন অচল। তার মধ্যেই জীবনযাপনের ধারা বদলে বদলে চলতে হবে।

১০- ১৫ মিনিট পর মনে করে চোখ রাখুন, আবার খুলুন।

১ঘন্টা থেকে ১/ ৩০ ঘণ্টা পর অন্তত পক্ষে ১০-১৫মিনিট চোখ বন্ধ রাখুন।

৩-৪ ঘণ্টা পর চোখে ভালো করে জল দিন।

লেখার সময় ফ্রন্ট সাইজ বড় করুন। ব্যাকগ্রাউন্ড লাইটের কনট্রাস্ট ব্যালান্সটা ঠিক রাখুন।রাতে ঘর অন্ধকার করে ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস একদম ব্যবহার করবেন না।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *