বিশ্বেসেরা ১০ পর্ণ স্টারের মধ্যে একজন হয়েও একের পর এক হিন্দী ছবিতে :-

1বিশ্বেসেরা ১০ পর্ণ স্টার একজন হয়েও হিন্দী ছবিতে অনেকের ঘুম কি ভাবে কেড়ে নিলেন?

 অন্টারিও শহরে শিখ পাঞ্জাবি বাবা-মার ঘরে জন্ম নেন (মে -১৩, ১৯৮১)।  ১৬ বছর বয়সে অন্য বিদ্যালয়ের একটি বাস্কেটবল খেলোয়াড়ের সাথে তাঁর কুমারীত্ব হারান  এবং১৮ বছর বয়সে তাঁর উভকামিতা আবিষ্কার করেন। জুন ২০০৬ সালে, লিয়ন একজন আমেরিকান নাগরিক হয়ে ওঠেন।

 

2পর্ন  শিল্পে কাজ করার পূর্বে, তিনি প্রথমে একটি জার্মান বেকারিতে কাজ করেন। ২০০৩ সাল সানির ক্যারিয়ারের টার্নিং পয়েন্ট। তিনি নির্বাচিত হন ‘পেন্টহাউস পেট’। এবছরই পর্ণো ছবির অন্যতম সেরা নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ভিভিড ইন্টারটেইনমেন্টের সঙ্গে তিন বছরের চুক্তিতে আবদ্ধ হন। তবে চুক্তির শর্ত অনুসারে কেবল লেসবিয়ান চরিত্রেইঅভিনয় করতে থাকেন তিনি। ২০০৭ সালের মার্চ মাসে আবারও সানির সঙ্গে চুক্তি করে ভিভিড। চুক্তির আওতায় ছয়টি ছবিতে অভিনয় করেন সানি লিওন। আর এবারই প্রথমকোনো পুরুষ অভিনেতার সঙ্গে কাজ করতে সম্মতি জানান তিনি। সানির বাগদত্তা ম্যাট এরিকসন এই ছবিতে তার কো-আর্টিস্টের ভূমিকায় অভিনয় করেন। পুরুষের সঙ্গেপ্রথম যে ছবিটিতে তিনি অভিনয় করেন সানি সেটির নাম ‘সানি লাভস ম্যাট’। ছবিটি তাকে ২০০৯ সালের সেরা নারী অভিনেত্রীর পুরষ্কার এনে দেয়। একসঙ্গে কয়েকটি ছবিতেঅভিনয়ের পর সানি উপলব্ধি করেন ম্যাটের সঙ্গে টানা অভিনয় বাজারদর কমিয়ে দিচ্ছে। এবার তিনি অন্য অভিনেতাদের সঙ্গেও অভিনয় করতে শুরু করেন। যাদের মধ্যেরয়েছেন টমি গান, চার্লস ডেরা জেমস ডিন প্রমুখ।

4

এর পর বেশ কিছু হিন্দী ছবিতেও কাজ করে ফেলেছেন সানি। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ছবি হল- জিসম- ২, রাগিনী এমএমএস- ২,  জ্যাকপট, হেট্স্টোরি।  এই ছবিগুলোতে অন্তর্দৃশ্যে অভিনয় করতে গিয়ে সানি অস্বচ্ছন্দ বোধ করেন। কারণ এতো দিন যিনি পর্ন স্টার হিসেবে বিখ্যাত ছিলেন। এও কি সম্ভব?যারা যারা এখনও সানির জিসম ২ দেখেন নি, তাদের উদ্দেশ্যে বলব যে, সানি যৌন দৃশ্যে কতটা স্বচ্ছন্দ তা দেখে নিন। সানির অভিনীত হিন্দী চলচ্চিত্র গুলোরমধ্যে অভিনয়ের পারদর্শীতা দেখা গেছে কিছুটা রাগিনী এমএমএস-২ সিনেমাটিতে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *