শান্তিকামী মানুষের প্রেরনা, সঙ্গীত শিল্পী “বব ডিলানের” আজ জন্মদিন

13244651_503111773223830_3295685331679778387_nফিচার ডেস্কঃ  সময়টা ১৯৬১, হাতে অ্যাকুইস্টিক গিটার নিয়ে বব ডিলান গান গাইছেন নিউ ইয়র্কের গ্রিনউইচ গ্রিনউইচ ভিলেজের ক্লাব ও ক্যাফেগুলোকে।আবার কখনও ওয়াশিংটন ডিসিতে জননেতা মার্টিন লুথার কিং-এর ‘আই হ্যাভ এ ড্রিম’ বক্তৃতার মিছিলে জন বায়েজ ও পিট সিগারদের সাথে গান গাইছেন বব ডিলান।কখনও না থেমে থাকা ডিলান ভিয়েতনাম ও ইরাক যুদ্ধের সময়ও আমেরিকার শন্তিকামী মানুষের যুদ্ধ-বিরোধী আন্দোলনে অফুরন্ত প্রেরণা জুগিয়ে ছিল।ডিলানের ‘ব্লোয়িন ইন দ্য উইন্ড’ ও ‘দ্য টাইমস দে আর চেঞ্জিং’ -এর মত গান সেই আন্দোলনকে আরও জোরদার করেছিল৷রোলিং স্টোনের সব সময়ের ৫০০ গ্রেট সং লিষ্টে এই দুট গান রয়েছে যথাক্রমে ৫৯ এবং ১৪ তম স্থানে।ষাটের দশকে আমেরিকার নাগরিক অধিকার রক্ষা আন্দোলনে যে কজন শিল্পীর গান অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিল তাদের মধ্যে বব ডিলান ছিলেন প্রথম সারির একজন।ক্রমে তিনি হয়ে উঠেছিলেন সাম্যবাদ আর ঐক্যের প্রতীক।

সংগীতে নানা অবদানের কারণে তিনি ‘গ্র্যামি’, ‘গোল্ডেন গ্লোব’ এবং ‘অ্যাকাডেমি পুরস্কার’ জিতেছেন এবং ‘রক অ্যান্ড রোল’, ‘হল অব ফেম’, ‘ন্যাশভিল সং রাইটার্স হল অব ফেম’ ও ‘সংরাইটার্স হল অব ফেম’-এ তার নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। টাইম ম্যাগাজিনের প্রকাশিত বিংশ শতকের শ্রেষ্ঠ ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় তার নাম রয়েছে এবং ২০০৪ সালে রোলিং স্টোন ম্যাগাজিন প্রকাশিত সর্বকালের শ্রেষ্ঠ ১০০ গায়কের তালিকায় দ্য বিটলসের পর বব ডিলন দ্বিতীয় অবস্থান দখল করেন। পুলিৎজার পুরস্কার বিজয়ী এই গায়ক বেশ কয়েকবার নোবেল সাহিত্য পুরস্কারের জন্যও মনোনীত হয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *