মেরে পাশ-‘মা’ হ্যায়’…

kWRNCVNদীর্ঘদিন লোকচক্ষুর অন্তরালে থাকা  আশি ও নব্বই দশকের জনপ্রিয় নায়ক শশী কাপুর চলে গেলেন।বার্ধক্য জনিত দীর্ঘ রোগ ভোগের পর গতকাল মুম্বইয়ের কোকিলাবেন হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর।২০১৪ সালে তার বাইপাস সার্জারি হয়।গত রোববার রাতেই তাকে চেস্ট ইনফেকশনের জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।গত দু’দশক ধরে তিনি অবশ্য রুপালি জগতের বাইরেই ছিলেন। তিনি তিন পুত্র-কন্যা রেখে গিয়েছেন। তারা হলেন কুনাল কাপুর, সানজনা কাপুর ও করণ কাপুর।

বলিউডের বিখ্যাত কাপুর পরিবার, পৃথ্বীরাজ কাপুরের কনিষ্ঠ সন্তান ছিলেন তিনি।শশী কাপুরের আসল নাম বলবীর রাজ কাপুর। তবে ছবির দুনিয়ায় ও ভক্তদের কাছে তিনি শশী নামেই পরিচিতি পেয়েছেন। ১৯৩৮ সালে কলকাতায় শশী কাপুরের জন্ম।বড় ভাই রাজ কাপুর ও শাম্মী কাপুরের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে নিজ অভিনয় প্রতিভার গুণে সমান জনপ্রিয় ছিলেন। হিন্দি থেকে ইংরেজি বিভিন্ন ছবিতে তার অভিনয় প্রতিভা বার বার দর্শকদের মনে দাগ কেটেছে। ১৭৫টিরও বেশি ছবিতে শশী কাপুর অভিনয় করেছেন। এর মধ্যে ৬১টি ছবিতে তিনি ছিলেন এককভাবে নায়ক। তিনবার জাতীয় পুরস্কারও পেয়েছেন। ১৯৬১ সালে ‘ধর্মপুত্র’ ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে তার অভিনয় কেরিয়ারের শুরু। ‘দিওয়ার’, ‘সত্যম শিবম সুন্দরম’, ‘কাভি কাভি’র মতো ছবিতে তিনি যেভাবে দর্শককে মুগ্ধ করেছেন তা চিরকাল সকলে মনে রাখবে। তার অন্যান্য ছবির মধ্যে রয়েছে ‘সিলসিলা’, ‘জুনুন’, ‘কালযুগ’, ‘বিজেতা’, ‘উৎসব’।  ১৯৯১ সালে ‘আজুবা’ নামে একটি হিন্দি ছবি পরিচালনা করেন শশী কাপুর। এই ছবিতে অভিনয় করেছিলেন অমিতাভ বচ্চন। এছাড়া এই তারকা ১৯৮৮ সালে একটি রাশিয়ান ছবি পরিচালনা করেন। ২০১১ সালে ভারত সরকার তাকে ‘পদ্মভূষণ’ সম্মান দিয়ে সম্মানিত করেছে। এছাড়া ২০১৫ সালে তিনি পেয়েছেন দাদা সাহেব ফালকে পুরস্কারও।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *