উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য কিছু প্রয়োজনীয় পরামর্শ

kolkata-students-sitting-in-the-examination-hall-273222১৩) উচ্চ মাধ্যমিক শুরু হল বলে,তাই কিছু গোড়ার কথা বলি।তোমরা যে উত্তরপত্রটা হাতে পাবে,সেটার কথায় আসি।খাতার ওপরে প্রথমেই থাকবে সাব্জেক্ট।তার নিচে নাম।এরপরে থাকবে রেজিস্ট্রেশন এবং নম্বর।তার নিচে থাকবে রোল এবং নম্বর। কাজেই খুব ভালো করে পড়ে,দেখে শুনে লেখা শুরু কোরো।

১৪)যদি লিখতে গিয়ে কাটাকুটি হয়,তাহলে পুরোটা কেটে দিয়ে পরিস্কার করে আবার লিখবে।ওভার রাইটিং একদম নয়।

১৫)প্রথম পরীক্ষা বাংলা।সেজন্য বাংলা পাঠ্যগ্রন্থটা অনুপুঙ্খ ভাবে পড়ে যাওয়া দরকার।যাতে এম সি কিউ এবং এস এ কিউ এর উত্তরগুলো দ্রুত এবং নির্ভুল ভাবে করতে পারো।কেননা এই অংশ থেকে ১৮ ও ১২ নম্বর মোট ৩০ নম্বরের উত্তর সঠিকভাবে দিতে পারো।

১৬)ভাষার ইতিহাস অংশটা খুব অবহেলিত হয়।বিষয়টা একবার দেখে যেও।কেননা,এই অংশ থেকে ১০ নম্বরের প্রশ্ন আসে।কমন পড়ে গেলে,উত্তর লেখা খুবই সহজ।

১৭)পাঠ্যসূচীর যে অংশে বাংলা সংস্কৃতির ইতিহাস রয়েছে,সেগুলো যতটা সম্ভব দশক বা যুগ ধরে ভাগ করে পড়ে যাওয়া দরকার। এতে ওভারল্যাপের সম্ভাবনা কমে।

১৮)কখনো কখনো দেখা যায়,ছাত্র-ছাত্রীরা এম সি কিউ এবং এস এ কিউ এর উত্তরগুলো লেখার সময় ওভাররাইট করেছে।এটা খুব বাজে ধারণা তৈরি করে পরীক্ষকের মনে।তাই কোনো কনফিউশন না রেখে পরিস্কার করে কেটে দিয়ে স্পষ্ট করে লিখে আসবে,সেটা শুদ্ধ না কি অশুদ্ধ।এতে পরীক্ষকের সংশয়ের অবকাশ থাকে না।

১৯)আবার অনেক সময় দেখা যায়,ছাত্র ছাত্রীরা ৫নম্বরের উত্তর লিখতে গিয়ে সংশ্লিষ্ট সমগ্র গদ্য বা পদ্যের সার সংক্ষেপ করে লিখে আসছে।এটা অনভিপ্রেত।প্রশ্ন অনুযায়ী উত্তরের বক্তব্য নির্বাচন করে নিয়ে তাকে যথাযথভাবে লেখা দরকার।

২০)কিছু উদাহরণ দি।যেমন ধরো,’শিকার’ কবিতায় যে ভোরের পরিচয় পাওয়া যায়,তার বর্ণনা দাও।

২১)”রূপনারায়ণের কূলে জেগে উঠিলাম”-কবি এই কবিতায় কি প্রত্যক্ষ করেছেন?

২২)ভাত গল্পের নামকরণের সার্থকতা লেখো।

২৩)”ডেকচিতে হাত ঢুকিয়ে স্বর্গসুখ উপভোগ করে উচ্ছব”-ভাতের স্পর্শে কিভাবে স্বর্গসুখ লাভ করে তা আলোচনা কর।

২৪)”কে বাঁচায় কে বাঁচে গল্প অবলম্বনে নিখিল ও মৃত্যুঞ্জয়ের চরিত্র আলোচনা করো।

এই সব প্রশ্নগুলো ছাড়াও বাংলা নিবন্ধ রচনা থাকবে।তবে আজকাল এত পয়েন্ট দিয়ে দেওয়া থাকে,যে তাতে লিখতে খুব অসুবিধা হওয়ার কথা নয়।শুধু মনে রেখো,অপ্রাসঙ্গিক কথা বা ভারী ভারী  শব্দ লিখে লেখার অমর্যাদা কোরো না।ব্যাক্তি ভিত্তিক রচনা যেমন এ পি জে আবদুল কালাম,মান্না দে,বিবেকানন্দ ইত্যাদি গুলো আরো একবার খুব ভালো করে দেখে যেও।

              (ক্রমশ…..)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *