উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের “বায়োলজির” জন্য কিছু প্রয়োজনীয় পরামর্শ

(1) বায়োলজি তে প্রচুর ছোট প্রশ্ন আসে।কাজেই খুব ভালো করে টেক্সটা পড়ে যাবে।
(2) ডি এন এ এর অ্যাপ্লিকেশন অংশ টা খুব ভালো করে পড়ে যাবে।এখান থেকে প্রশ্ন আসতে পারে।
(3) ভালোকরে পড়ে যাবে উজেনেসিস আর স্পারমাটোজেনেসিস।
(4) জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং পদ্ধতিতে ইনসুলিন উৎপাদন
সম্পর্কিত প্রশ্ন তৈরি করে যাবে।
(5) ম্যালেরিয়া, এস্কেরিয়াসিস,ফাইলেরিয়াসিসের সংক্রমন ও লক্ষন ভালো করে দেখে যাবে।
(6) ওজন গহ্বর সৃষ্টির কারন ও ফলাফল আলোচনা কর।
(7) মাছের প্রণোদিত প্রজনন সংক্রান্ত প্রশ্ন আসতে পারে।
(8)ইকোলজিক্যাল সাকশেসন অংশটাও গুরুত্বপূর্ণ।
(9) পুংলিঙ্গধর ও স্ত্রীলিঙ্গধর উদ্ভিদ টা দেখে যেও।
(10) আবার বলে রাখছি,অহেতুক উত্তরের দৈর্ঘ্য বাড়াবে না।টু দ্য পয়েন্ট উত্তর দেবে।
(11) ছবিটা যেন পারফেক্ট হয়।বিশেষ করে ডি এন এ এর মত ছবিগুলো।
(12) উত্তরের পার্টগুলোর মধ্যে একটু জায়গা ছেড়ো।পারলে পেন্সিল দিয়ে লাইন টেনে বুঝিয়ে দিও।আর অতি অবশ্যই দুটো উত্তরের মাঝে অন্তত দু আঙুলের ফাঁক রেখো।
(ক্রমশ…..)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *