মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের জন্য কিছু প্রয়োজনীয় পরামর্শ

২১)  অmadhyamik-300x191ঙ্ক পরীক্ষা অনেকের কাছেই আতঙ্ক।কাজেই পরীক্ষার আগে ঠাকুর-দেবতা
তাবিজ-মাদুলি,নবগ্রহ,অষ্টধাতু এসব ছেড়ে প্র্যকটিশে মন দাও।
২২)মাথা ঠান্ডা রেখো।প্রশ্ন খুব কঠিন হবে না।ভালোকরে প্রশ্ন পড়ে উত্তর  দিলে
সব উত্তরই পারবে।
২৩)যারা অঙ্কে দূর্বল,তারা যদি মনে করে যে যে অংশ তাদের কাছে কঠিন লাগছে
তারা সেই সব অধ্যায় ছেড়ে যেতে পারো।তবে মনে রেখো,যে অংশের প্রস্তুতি নিয়ে
যাবে,সেখানে যেন কোনো ফাঁক না পড়ে।অল্প করলেও,সব অঙ্ক ঠিক করে আসা চাই।
২৪)সম্পাদ্য,উপপাদ্য পরীক্ষার আগে অতি অবশ্যই দেখে যাবে ও খাতায় বেশ
কয়েকবার প্র্যাকটিশ করে যাবে।
২৫)পরীক্ষার অাগের রাতে পর্যাপ্ত ঘুম দরকার।না হলে কিন্তু শরীর খারাপ লাগবে।
২৬)অঙ্ক করতে করতে উত্তর না মিললে বা পরবর্তী ধাপগুলো মনে না পড়লে যতটুকু
করেছো,ততটুকুই খাতায় করে আসবে।কেটে দিয়ে এসোনা যেন!এর ফলে এক্সামিনার
অন্তত কিছুটা নম্বর দিলেও দিতে পারেন।কেটে দিয়ে এলে সে সম্ভাবনা থাকবে না।
২৭)যে অঙ্ক একেবারে ভুল হয়ে গেছে,এবং সেটা তুমি ধরতে পেরেছো,সেই অঙ্কটা
একদম  কেটে দিয়ে আসবে।
২৮)অঙ্ক করার সময় উপপাদ্য,সম্পাদ্য সবার শুরুতেই করবে।
২৯)পাশের বন্ধুর দেখে বা পাশে বসা বন্ধুর থেকে শুনে নিজের করা উত্তর কেটে
দিও না।বন্ধুর থেকে সবসময় সঠিক উত্তর নাও আশা করতে পারো।
৩০)গ্রাফ টা সেখানেই জুড়ে দেবে যেখানে সংশ্লিষ্ট অঙ্কটা থাকবে।আগে বা পরে
জুড়ো না।

৩১)পদার্থ বিজ্ঞানের পরীক্ষা। খুব সাবধানে লিখো।খুব ‘সিলিমিসটেক’ কিন্তু নম্বর কমিয়ে দেবে।
৩২)উত্তর লেখার পরেই মিলিয়ে দেখে নাও।পরে মেলাবো বলে ফেলে রেখোনা।
৩৩)কয়েকটা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন বলি,যাবার আগে একবার দেখে যাও।যেমন -চার্লসের সূত্র,ফ্লেমিং এর বামহস্ত নীতি,ওহমের সূত্র, সৌরজগত ও পরমানুর গঠনের সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য, নিউক্লিও বিভাজন,তেজষ্ক্রিয়তা,পরমানুর গঠন,জৈবযৌগ ও অজৈব যৌগের পার্থক্য,জিঙ্ক,অ্যালুমিনিয়াম, তামার আকরিক,তড়িৎ যোজ্যতা ও সম যোজ্যতা।

        (ক্রমশ….)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *