উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য কিছু প্রয়োজনীয় পরামর্শ

kolkata-students-sitting-in-the-examination-hall-273222২৫)আসি ইংরাজি র কথায়।প্রথমেই বলি

      একদম ভয় পেয়ো না।পরীক্ষাটা

      তোমরা কতটা জানো তার হয়।পরীক্ষক কতটা জানেন,তার নয়।কাজেই নির্ভাবনায় পরীক্ষা দাও।

২৬)পাঁচখানা প্রশ্ন আসে ৬মার্কসের।এই অংশটাই তফাৎ করে দেবে তোমার সঙ্গে

অন্যদের।খুব ভালো করে লিখে এসো।যতটা সম্ভব বানান ভুল এড়িয়ে, যতদূর সম্ভব গ্রামারটিক্যাল মিস্টেক এড়িয়ে।

২৭)গ্রামার অংশের উত্তর খুব ভালো করে করবে।মাথা ঠাণ্ডা রেখে,তাড়াহুড়ো না করে ধীরে সুস্থে উত্তর দিও।

২৮)রাইটিং স্কিল তিনখানা থাকবে।এটা লেখার সময় খেয়াল রেখো,অপ্রাসঙ্গিক কথা বার্তা যেন না ঢুকে যায়।কম লেখো ক্ষতি নেই,বেশি লিখলে ভুলও অনেক বেশি হবার সম্ভাবনা থাকে।

২৯)সবটাই টেক্সটচুয়াল কাজেই অসুবিধা হবার কথাও নয়।

৩০)এস এ কিউ আর এম সি কিউ এর উত্তর লেখার সময় গ্রুপ,প্রশ্নর নম্বর,দাগ নম্বর উল্লেখ কোরো।পুরো বাক্যে উত্তর দিও।ট্রু বা ফলস লেখার সময় পরিস্কার করে লিখবে।এক্সামিনারকে বিভ্রান্ত কোরো না।

৩১)উত্তর দেবার সময় যেটা লিখেছো,পরে পাশের বা সামনে পিছনের বন্ধুদের সঙ্গে আলোচনা করে মিলিয়ে নিয়োনা। তোমার আগে থেকে লিখে রাখা উত্তরটা ঠিক হতে পারে।পরে বন্ধুর কাছ থেকে যেটা লিখলে সেটা ভুল হতে পারে।অহেতুক ঠিক উত্তরটা কেটে দিয়ে শোনা ভুল উত্তরটা লেখার জন্য পরে খুব অনুশোচনা হবে।তাই কোনোরকম আলোচনা নয়।নিজে যতটুকু পারবে,লিখে আসবে।

৩২)আসি অংকের কথায়।বেশিরভাগের অভ্যেস থাকে রিডিং টাইম এ উত্তর করে ফেলার।এটা একদম নয়।বরঞ্চ ওই সময়ে সিলেক্ট করে ফেলো কোন উত্তর করবে।শুরুতেই এই কাজটা পরে তোমার সময় বাঁচাতে সাহায্য করবে।

৩৩)পরীক্ষার শুরুতেই এম সি কিউ নয়।একদম নয়।শুরু করবে ২/৪/৫ নম্বরের প্রশ্ন দিয়ে।

৩৪)যে সমস্ত অংকগুলো প্রমাণ করতে বলা হবে,সেগুলো প্রথম ঘন্টায় করে ফেলতে পারলে,খুব ভালো হবে।

৩৫)কোনো প্রশ্নের ভাষা বুঝতে অসুবিধা হলে,অন্য ভাষায় সেটা কি দেওয়া আছে,সেটা দেখে নিও।বন্ধুদের জিজ্ঞাসা করার থেকে ইনভিজিলেটরকে জিজ্ঞাসা করা ভালো হবে।

৩৬)এবারে ক্যালকুলাসটা বেশি ভালো করে দেখে যেও।পরীক্ষা শেষের পনেরো মিনিট আগে থেকে রিভিসন কোরো।তাহলে ঠান্ডা মাথায় ভুলগুলো শুধরে নিতে পারবে।

     (ক্রমশ…….)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *