সফল কেরিয়ার গড়তেঃ

feb23image1প্লাস-টু হয়ে গেল মানেই নিশ্চিন্ত এমনটা ভাবার কোনও কারন নেই।এর পরেই একটার পর একটা অ্যাডমিশন টেস্ট দিতে হবে।বেছে নিতে হবে পছন্দের কলেজ ও বিষয়গুলি।এই পয়েন্ট এ খুব মাথা ঠাণ্ডা করে সদ্ধান্ত নিতে হবে।

ভেবে নাওঃ-প্লাস টু এ তোমার যে স্ট্রিম ছিল সেই স্ট্রিমেই উচ্চশিক্ষা চালিয়ে যাওয়া সুবিধাজনক।যারা বিজ্ঞান পড়ছে তাদের জন্য অনেক অপশন আছে।মেডিক্যাল,ইঞ্জিয়ারিং,ডিজাইন,ইনফরমেশন টেকনোলজি ইত্যাদি।পাশাপাশি ফিজিক্স,কেমিস্ট্রি,ম্যাথেমেটিক্স ইত্যাদি ডিগ্রি কোর্সগুলিতেও ব্যাচেলার হওয়া যেতে পারে।যারা কলা এবং বানিজ্য নিয়ে পড়াশোনা করছে তাদেরও ব্যাচেলার ডিগ্রিকোর্সে অনেক অপশন আছে।

প্রবেশিকা পরীক্ষাঃ-কি ধরনের স্ট্রিম পছন্দ করছ তার ওপর ভিত্তি করে প্লাস-টু এর প্রবেশিকা পরীক্ষায় বসতে হবে।অনেক কলেগে অ্যাডমিশান দিতে হয়,অনেক কলেগে অনলাইন পরীক্ষা আবার অনেক কলেজে অনলাইন-অফলাইন দুই পরীক্ষার নিয়ম আছে।স্ট্রিম পরিবর্তনের ইচ্ছে থাকলে সেটাও আগে থেকে খবর নিয়ে নাও কারন বিভিন্ন কলেজ ও ইউনিভার্সিটিতে নানান বাধা নিষেধ থাকে।সঠিক সিদ্ধান্তও নিয়ে পরীক্ষায় বসে যাও।নিশ্চিত সাফল্য।

আগাম প্ল্যানমতো চলুকঃ-রেজাল্ট বেরোনোর পর ঠাণ্ডা মাথায় ভবিষ্যতের প্ল্যান করতে হবে।যে কলেজে ভর্তি হতে চাও সেতি সম্পর্কে ভালো করে খোঁজ খবর নেওয়া দরকার।অ্যাডমিশান টেস্টে কিন্তু আসনের চেয়ে প্রতিযোগী বেশি।নিজে যে কোর্সটা তোমার জন্য আদর্শ ভাবছ সেতায় চান্স নাও পেতে পার।এসব ক্ষেত্রে একজন ভালো কেরিয়ার কাউন্সেলারের পরামর্ষ নাও।যে তোমাকে সঠিক কেরিয়ার বেছে নিতে সাহায্য করবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *