“আয়ুর্বেদ চিকিৎসাবিদ্যা” নিয়ে পড়াশোনার সুযোগ।

ayurvedic-medicine-history01পৃথিবীজুড়ে যারা চিকিৎসা বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করছে তাদের সঠিক শাখা বেছে নিয়ে পড়াশোনা করা একান্তুই জরুরি।নিজেদের বুৎপত্তি ও ভাললাগা নির্ণয় করে সঙ্গে জেনে নিতে হবে কোণ রোগের পাদুরভাব বেশী সেই বিষয় বেছে নিয়ে পড়াশোনা করাটাই আদর্শ।সেই রকম একটি বিষয় হচ্ছে আয়ুর্বেদ চিকিৎসা।ভারতের এই সনাতন চিকিৎসা পদ্ধতিকে অ্যালোপাথি চিকিৎসার পার্শ্ব পতিক্রিয়া ও ব্যায়বহুলতা আবার মানুষের কাছে জনপ্রিয় করছে।ভারত সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের অধীনে “আয়ুস” চিকিৎসা পদ্ধতির বিশেষ বিভাগে আয়ুর্বেদের বিকাশের জন্য কাজ করছে।

Bharati_Vidyapeeth_Deemed_University_Class2

আয়ুর্বেদ  চিকিৎসা শাস্ত্রের ছাত্র ছাত্রীরা যাদের শুধুমাত্র ‘বিএএমএস’ ডিগ্রি আছে তাদের আগামী দিনে বৃহৎ ক্ষেত্রে আয়ুর্বেদ নিয়ে পড়াশোনা করার সুযোগ আছে, যেমন মেডিসিন বা সার্জারি বিভাগে স্নাতকোত্তর করতে পারবে।

MD Kaumarbhritya Admission in Ayurvedic colleges karnataka

যথাঃ ‘সংহিতা ও সিদ্ধান্ত’( বেসিক প্রিন্সিপালস),‘ শরীর ক্রিয়া’( ফিজিওলজি), ‘শরীর রচনা’(এনাটমি),

‘স্বাস্থ্যভ্রুত্তা’(প্রিভেনটিভ মেডিসিন), ‘দ্রব্যগুন’(ফার্মাকোলজি) ‘রসশাস্ত্র’(ফার্মাসিউটিক্যালস), ‘অগদাতন্ত্র’(টক্সিকোলজি),’ নিদান’(প্যাথলজি), ‘কায়াচিকিৎসা’(মেডিসিন), ‘পঞ্চকর্ম বালরোগ’(পেডিয়াট্রিক্স), ‘মানসরোগ’(সাইকিয়াট্রি)। যারা সার্জারি বিভাগে পড়াশোনা করতে চান তাদের জন্য ‘স্ত্রীরোগ প্রসূতি বিজ্ঞান’(গাইনোকোলোজি), ‘শল্যতন্ত্র’(জেনারেল সার্জারি) এবং ‘শলাকিয়াতন্ত্র’(ইএনটি এবং চোখ)। আর শুধুমাত্র আয়ুর্বেদিক ওষুধ নিয়ে পড়াশোনা করতে চাইলে ফার্মাসি নিয়ে ‘এমবিএ’ করতে হবে।

isha-herbal-e1320146852993-386x386

অপরের উল্লেখিত আয়ুর্বেদিক শাস্ত্রের বিষয় গুলি নিয়ে পড়াশোনা করলে কাজের ক্ষেত্রে ডাক্তারি করা ছাড়াও বিভিন্ন আয়ুর্বেদিক সেন্টারে শিক্ষকতা করতে পারবে অথবা গবেষণার কাজে নিযুক্ত হতে পারবেন কারন গবেষণার কাজের জন্য দরকার নুন্যতম জ্ঞান ও চিকিৎসা ক্ষেত্রে বাস্তব ধারনা। আয়ুর্বেদশাস্ত্র ও তার চিকিৎসা ক্রমশ মানুষের কাছে পুনরায় জনপ্রিয় হচ্ছে।এই চিকিৎসার প্রতি মানুষের ঝোঁক থেকেই অনুমান করা যায় ভবিষ্যতে কি চাহিদা তৈরি করবে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *