ভোটের নির্ঘন্ট ঘোষণা করে দিল নির্বাচন কমিশন।

election-commission-1552187585এবারের লোকসভার ভোট সাত দফায়। ২০১৪ সালে লোকসভার ভোট হয়েছিল পাঁচ দফায়।বিষয়টা এখানেই থেমে নেই, যদি জাতীয় নির্বাচন কমিশন মনে করে বা প্রয়োজন বোধ করে তাহলে দফা আরও বাড়তে পারে সেই রকমই ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে কমিশন সূত্রে। কমিশন অন্যান্য বারের তুলনায় বেশি কড়াকড়ি করতে পারে এবার। বাইরের রাজ্য থেকে প্রচুর আইএএস ও আইপিএস কর্তাকে বাংলায় আনা হতে পারে যথাক্রমে অবজার্ভার ও পুলিশ অবজার্ভার হিসাবে।

বাংলায় এ বার অবাধ ভোট করানোর চ্যালেঞ্জ নিয়েছে কমিশন। ২০১৬ সালের বিধানসভা ভোটের মতোই বাংলায় এ বার সাত দফায় ভোট প্রয়োজনে তার বেশি দফায় ভোট করানো হতে পারে। প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালে বাংলায় লোকসভা ভোটে হয়েছিল পাঁচ দফায়। ২০০৯ সালে পশ্চিমবঙ্গে তিন দফায়।

ইভিএমে কারচুপির ব্যাপারে গত দেড় দু বছর ধরে জাতীয় রাজনীতিতে সরব ছিল বিরোধীরা। দাবি করেছিল ইভিএম বাতিলের। কমিশন তাতে রাজি নয়। বরং ভোট প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা রাখতে ইভিএমের পাশাপাশি প্রতিটি বুথে ভিভিপ্যাট রাখা হবে বলে জানিয়েছে কমিশন।

পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফায় ১১ এপ্রিল যে কেন্দ্রগুলিতে ভোট হবে-কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ারে।

১৮ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় ভোট হবে জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং ও রায়গঞ্জ।

২৩ এপ্রিল তৃতীয় দফায় ভোট গ্রহণ হবে- বালুরঘাট, মালদহ উত্তর, মালদহ দক্ষিণ, জঙ্গিপুর ও মুর্শিদাবাদ।

২৯ এপ্রিল চতুর্থ দফায় আটটি আসনে ভোট হবে – বহরমপুর, কৃষ্ণনগর, রাণাঘাট, বর্ধমান পূর্ব, বর্ধমান-দুর্গাপুর, আসানসোল, বোলপুর ও বীরভূম।

৬ই মে পঞ্চম দফায়- বনগাঁ, ব্যারাকপুর, হাওড়া, উলুবেড়িয়া, হুগলী, শ্রীরামপুর, আরামবাগ কেন্দ্রে।

১২ই মে ষষ্ট দফায়- তমলুক, কাঁথি, ঘাটাল, মেদনিপুর, ঝাড়গ্রাম, বিষ্ণুপুর ও পুরুলিয়া কেন্দ্রে।

১৯সে মে ৯টি আসনে – দমদম, বারাসাত, বসিরহাট, জয়নগর, মথুরাপুর, ডায়মন্ডহারবার,যাদবপুর, কলকাতা উত্তর ও দক্ষিণ।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *