—– প্রথম ১০-এ-৫৬ —–

Sanjeevani-Debnath-of-the-first-Cooch-Behar-of-the-medium-and-the-top-of-the-Burdwans-Shirshendu-Saha১২ মার্চ শুরু হয়েছিল ২০১৮ মাধ্যমিক পরীক্ষা।৬ই জুন প্রকাশিত হল।২০১৮সালে মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছিল মোট ১০৮৪১৭৮ জন পরীক্ষার্থী, তাদের মধ্যে ৮৯৯৫৬৪ জন কৃতকার্য হয়েছে।পাশের হার ৮৫.৮৯%।
প্রথম স্থান অধিকার করেছে — কোচবিহারের সুনীতি অ্যাকাডেমির সঞ্জীবনী দেবনাথ, মোট প্রাপ্ত নম্বর— ৬৮৯
দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে– বর্ধমানের সাতগাছিয়া হাইস্কুলের শীর্ষেন্দু সাহা। মোট প্রাপ্ত নম্বর৬৮৮

তৃতীয় স্থান অধিকার করেছেন মোট তিন জন– কোচবিহার জেলার সুনীতি অ্যাকাডেমি স্কুলের-ময়ূরাক্ষী সরকার। জলপাইগুড়ি জেলা স্কুলের- নীলাব্জা দাস ও মৃন্ময় মন্ডল। প্রত্যেকের প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৭।

চতুর্থ স্থান অধিকার করেছেন–  উত্তর ২৪ পরগনা জেলার প্রফুল্ল নগর বিদ্যামন্দিরের দীপ গায়েন।তার মোট প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৬

পঞ্চম স্থান অধিকার করেছেন মোট পাঁচ জন- কোচবিহার জেলার সুনীতি অ্যাকাডেমি স্কুলের অঙ্কিতা দাস। বাঁকুড়া ডোগরা হাইস্কুলের সৌমি নন্দী। বাঁকুড়া বিবেকানন্দ শিক্ষায়তনের সৃজা পাত্র। পশ্চিম মেদিনীপুরের অনীক জানা। কাঁচড়াপাড়ার প্রথমকান্তি মজুমদার।প্রত্যেকের প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৫

ষষ্ঠ স্থান অধিকার করেছেন মোট ছয় জন– দীনহাটা হাইস্কুলের সুমিত বাগচি। জলপাইগুড়ি সেনট্রাল গার্লসের নিধি চৌধুরি। বর্ধমান জেলার পারুলিয়া কে কে হাইস্কুলের আরিত্রিকা পান। বর্ধমান জেলার জ্ঞানোদাস মেমোরিয়াল হাইস্কুলের প্রতীমান দে। বাঁকুড়া জেলার মিশন গার্লসের শ্রুতি সিংহ মহাপাত্র ও বীরভুম জেলার শান্তিনিকেতন নবনালন্দা স্কুলের রৌনক সাহা। প্রত্যেকের প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৪

সপ্তম স্থান অধিকার করেছেন মোট পাঁচ জন–  কোচবিহারের মহাশ্বেতা হোম রায়। বর্ধমান মিউনিসিপাল স্কুলের দেবাঞ্জন ভট্টাচার্য। সুলতানপুর তুলসীদাস স্কুলের অরিন্দম ঘোষ। দক্ষিণ দিনাজপুরের পারমিতা মন্ডল। বরানগর রামকৃষ্ণ মিশনের স্বার্থক তালুকদার। প্রত্যেকের প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৩

অষ্টম স্থান অধিকার করেছেন মোট আট জন- কোচবিহার রামভোলা স্কুলের দেবস্মিত রায়। আলিপুর দুয়ারের তাপস দেবনাথ। দক্ষিণ দিনাজপুরের জমুনা নার্গিস। মালদা এ সি ইনস্টিটিউশনের অরিন্দম সাহা। বাঁকুড়ার বিবেকানন্দ শিক্ষানিকেতনের অনামিত্র মুখোপাধ্যায়। বাঁকুড়া মিশন গার্লসের দেবারতি পাঁজা। বাঁকুড়ার বিবেকানন্দ শিক্ষানিকেতনের তৃষা মন্ডল। চন্দননগর কৃষ্ণভবানী নারী শিক্ষা মন্দিরের প্রেরণা মন্ডল। প্রত্যেকের প্রাপ্ত নম্বর ৬৮২

নবম স্থান অধিকার করেছেন মোট এগারো জন- কোচবিহার সুনীতি অ্যাকাডেমির ঐতিহ্য সাহা। বাগডোগরার সায়ন্তিকা রায়। মালদা রামকৃষ্ণ মিশনের অম্লান ভট্টাচার্য ও সায়ন্তন চৌধুরী। মালদা জেলার মহম্মদ রাফুকুল হাসান। বাঁকুড়া বিষ্ণুপুরের সায়ন নন্দী। হুগলির মগরার সৌত্রিক সুর। হুগলি সিঙ্গুর মহামায়া হাইস্কুলের তন্ময় চক্রবর্তী। বীরভূম সিউড়ির সোহম আহমেদ। নদিয়ার সৈকত সিংহ রায়। কাঁচড়াপাড়ার স্বস্তিক কুমার ঘোষ। প্রত্যেকের প্রাপ্ত নম্বর ৬৮১

দশম স্থান অধিকার করেছেন মোট তেরো জন- মাথাভাঙা হাইস্কুলের বৈদুর্য বিশ্বাস ও সুমন কুমার সাহা। মালদা রামকৃষ্ণ মিশনের মীর মহম্মদ ওয়াসিন। মালদা এসি ইনস্টিটিউশনের অরিত্র সরকার। মালদার তামন্না ফিরদৌস। বাঁকুড়া মিশন গার্লস হাইস্কুলের অন্বেশা দেঘুরিয়া। বাঁকুড়া বড়জোড়া হাইস্কুলের গৌরব মন্ডল। ঘোড়াডহ এসসি হাইস্কুলের মোনালিসা সামন্ত। বীরভূমের শুভম রায়। পুরুলিয়া রামকৃষ্ণ মিশনের ইন্দ্রজিত্‍ মিশ্র। তমলুক হ্যামিল্টন স্কুলের অগ্নিভ সিনহা। পূর্ব মেদিনীপুরের বাগমারি নারী কল্যাণ শিক্ষা সদনের দেবার্ঘ্য প্রধান। টাকি হাউসের ছাত্র পবিত্র সেনাপতি।প্রত্যেকের প্রাপ্ত নম্বর ৬৮০।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *