Ekabinsha – Media/News/Publishing

Latest Posts Under: Books/Literary Works

শান্তিনিকেতনে যাই বটে কিন্তু ভালবাসি বোলপুরে যেতে। বর্ষা থেকে শীত পর্যন্ত বহুবার ছুটেছি। যাওয়া হয় নি দোলের খেলায় অংশ নিতে। দেখিনি কখনো পৌষ মেলার আড়ম্বর। নিরিবিলি বোলপুরেই আমার অন্যতম প্রিয় পর্যটন।বরাবর। শনিবারের সোনাঝুড়ির হাট আমার […]

কেবল ছেলেরাই নয় কয়েকজন নারী জলদস্যুর কথাও জানা যায়।এঁদের মধ্যে দুজন পৈশাচিক অত্যাচার আর নিষ্ঠুরতায় পুরুষদেরকেও ছাপিয়ে গিয়েছিল।মেরি অ্যান ছিল তেমনই এক জলদস্যু।ইনি আবার জাহাজে পুরুষের ছদ্মবেশে থাকতেন।আইরিশ মহিলা অ্যান বনিও পুরুষের ছদ্মবেশে জলদস্যুতা করতেন।ক্যাপ্টেন […]

বিখ্যাত সব জলদস্যুদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকজনের মধ্যে অন্যতম ছিলেন ফ্রান্সিস ড্রেক।প্রথম জীবনে তিনি ছিলেন বৃটিশ রাজবাহীনির নৌসেনাপতি।তবে পরবর্তী কালে তিনি এক মূর্তিমান সমুদ্র ত্রাসে পরিনত হন।১৫৮৫ খ্রিস্টাব্দে তিনি পশ্চিম ভারতীয় দ্বীপপুঞ্জে এক বিরাট অভিযানের নেতৃত্ব […]

‘India After Gandhi’

Ramachandra Guha cannot be truer in saying that for Indian student, or public in general, history comes to an end on 15th of august, 1947. Even if it has been extended beyond that, then only […]

বাংলায় জলদস্যুদের নানান নামে ডাকা হত।বোম্বেটে,হার্মাদ(নামটা সম্ভবত: স্প্যানিশ আর্মাডা থেকে অপভ্রংশ হয়ে বাংলা শব্দভাণ্ডারে এসেছে),ইত্যাদি।বুকানির,প্রাইভেটিয়ার এগুলোতো ছিলোই।শোনা যায় বাংলার বর্তমান দক্ষিন চব্বিশ পরগনার ডায়মন্ড হারবারে নাকি পর্তুগীজ জলদস্যুদের বেশ বড়সর একটা ঘাঁটি ছিল।    সেকালের […]

        জলদস্যুতার ইতিহাস অবশ্য বেশ প্রাচীন ক্যাপ্টেন চার্লস জনসনের লেখা বিখ্যাত বই “এ জেনারেল হিস্ট্রি অফ দি রবারিস এন্ড মার্ডারস অফ দি মোস্ট নোটোরিয়াস পাইরেটস”বই থেকেজানা যায় ১৩৫০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে মিশরীয় ফারাওদের নথিতে প্রথম জলদস্যুদের উল্লেখ পাওয়া যায়।ভাইকিংরাও নৌচালনায় পারদর্শী হওয়ায় সে যুগে সমুদ্রপথে লুঠ পাট চালাতো।শোনাযায় জুলিয়াস সিজার ও নাকি একবার জলদস্যুদের হাতে বন্দী হয়েছিলেন।ক্রমে ক্রমে ইংরেজদের পাশাপাশি ফরাসীরাও জলদস্যুতার দিকে ঝুঁকে পড়ে।জলপথে পণ্য পরিবহন করার সময়তারা রীতিমত অস্ত্রসজ্জায় সজ্জিত হয়ে তবে বেরোতো। রাণী প্রথম এলিজাবেথের শাসন কালে জলদস্যুতা একটা লোভনীয় পেশা হয়ে দাঁড়িয়েছিল।শাসকের প্রত্যক্ষ মদতে এরা ছোট ছোট রনতরী নিয়ে লুঠ পাটে বেরোত।এদের বলা হত”প্রাইভেটিয়ার্স”।এরা প্রধানত ফরাসীদের জাহাজ লুঠ করত।দেখাদেখি ফরাসীরাও এই ধরনের রাষ্টীয় মদতপুষ্ট সাগরদস্যুদল তৈরি করে।নাম দেয়,”করসেয়ার্স”। প্রাইভেটিয়ার্স আর করসেয়ার্সরা সমুদ্রে ত্রাসের সঞ্চার করলেও দেশের বিপদে বা শত্রু দেশের আক্রমনের সময় স্বদেশের রাজকীয় নৌবাহিনীর পক্ষ নিত।স্পেনের সম্রাট দ্বিতীয় ফিলিপ ব্রিটিশ নৌসেনাপতি স্যার রিচার্ড গ্রেনভিল কে […]

ঔপনিবেশিক শাসনের গোড়ার দিকে বাংলায় জমিদারি শাসন ব্যাবস্থা অস্তাচলের দিকে যাত্রা শুরু করলে কাজ হারানো পাইক,বরকন্দাজ,লেঠেলরা যেমন প্রান্তিকচাষি,জনমজুরদের সঙ্গী করে ফাঁসুড়ে,ঠগী বা দুধর্ষ ডাকাতে পরিনত হয়,যাদের অত্যাচারে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলো,অনেকটা সেই রকমভাবে পনেরোশশতকের শেষাশেষি থেকেই গোটা পশ্চিম ইউরোপ সহ ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল জলদস্যুদের দাপট, প্রায় গোটা পৃথিবীকে অতিষ্ট করে তুলেছিলো।কে ছিলনা সেই দলে!ইংরেজ,ফ্রেঞ্চ,ডাচ,পর্তুগীজ,স্প্যানিশ প্রায় সব সমুদ্র উপকূলবর্তী দেশগুলোই ঝাঁপিয়ে পড়েছিল,নিত্যনতুন জলপথ ধরে আসা ধন রত্ন পরিপূর্ণ বড় বড় জাহাজগুলো লুঠকরার অভিপ্রায় নিয়ে।উদ্দেশ্য দেশের সঞ্চিত সম্পদ বাড়িয়ে দেশের রাজা বা রাণীর প্রিয়পাত্র হয়ে ওঠা।বিপরীত ঘটনাও অবশ্য থাকত।অনেক সময় দেখাযেত,কোনো কারনে দেশের রাজা বা রাণীর বিরাগভাজন হয়ে বা কঠোর শাস্তি পেয়ে সেনাবাহিনীর কোনো সেনাপতি বা নৌবাহিনীর কোনো তুখোড় যুদ্ধবাজস্বদেশের জাহাজ দেখলেই লুটপাঠ করত।একেবারে নি:স্ব করে ছেড়ে দিয়ে জাহাজে আগুন লাগিয়ে দিত,কখনো কখনো তোপ দেগে ফুটো করে দিয়ে ডুবিয়ে দিত।ফলেসেকালের সমুদ্র যাত্রা মোটেই নিরাপদ ছিল না।আসলে,নৌবাহিনী থেকে পালিয়ে যাওয়া কিছু মানুষ আর তাদের সঙ্গে যোগ দেওয়া ভাগ্যান্বেষী কিছু দু:সাহসীকমানুষ,এদের নিয়েই গড়ে উঠেছিল ভয়ংকর সব জলদস্যুর দল।তারা যেমন নিষ্ঠুর,তেমনি অকুতোভয়।উপকূলবর্তী দেশগুলোর শাসনকর্তারা হিমশিম খেয়েযেত,এদের বাগে আনতে।সমুদ্রের প্রতিটা অলিগলি এদের মুখস্থ ছিল।তাই,ধরাটাও খুব একটা সহজ হত না। ইংরাজি “পাইরেট” কথাটা এসেছে গ্রিক শব্দভান্ডার থেকে।যার অর্থ”টু টেক”অর্থাৎ “নেওয়া”।আবার অনেকের মতে ল্যাটিন শব্দ “পাইরের” থেকে শব্দটির জন্ম।যার অর্থ “অপরের জিনিষআত্মসাৎ করা”। ওলন্দাজ জলদস্যু এস কুইমেলিং এর জলদস্যুদের নিয়ে লেখা বই “দি ব্যাক্যানিয়ার্স অফ আমেরিকা ইন 1674” থেকে সেকালের জলদস্যু এবং তাদের বিষয়ে অনেক তথ্য পাওয়া যায়।ষোড়শ শতকে ভূমধ্যসাগরীয় ও ক্যারিবিয়ান সাগরীয় অঞ্চলের ত্রাস ছিল রেড বেয়ার্ড।সপ্তদশ শতকের এক উল্লেখযোগ্য জলদস্যু ছিল হেনরি মরগ্যান।অষ্টাদশ শতকে সমুদ্র শাসন করেগেছে ব্ল্যাক বেয়ার্ড।এছাড়াও ক্যাপ্টেন স্যামুয়েল বেল্লামি,বার্থেলোমিউ রবার্টস,ক্যাপ্টেন কিড,ফ্রান্সিস ড্রেক,জন হকিন্স,রিচার্ড গ্রেনভিল,জ্যাকসন,মন্তবার্স,ক্যালি ফোর্ড,বেনিতো বনিতোছাড়াও ছিল এশিয়ার চৈনিক জলদস্যু চিং শি।এখানেই শেষ নয়,দু একজন মহিলা জলদস্যুর নামও পাওয়া যায়।এদের মধ্যে মেরি অ্যান আর অ্যান বনির নাম বিশেষ উল্লেখযোগ্য। ড্যানিয়েল ডিফোর লেখা “এ জেনারেল হিস্ট্রি অফ দি পাইরেটস”বই থেকে সেকালের জলদস্যুতা সম্বন্ধে অনেক  তথ্য পাওয়া যায়। সেকালের জলদস্যুদের কোনো দেশের প্রতিই সর্বাঙ্গীন আনুগত্য থাকত না।এদের মূল লক্ষ ছিল,নব আবিস্কৃত “নিউ ওয়ার্ল্ড”(প্রধানত মেক্সিকো,পেরু,বলিভিয়া,ব্রাজিল ইত্যাদি দেশগুলোকেএকত্রে নতুন পৃথিবী বলা হত)।আর মায়া সভ্যতা,ইনকা সভ্যতা,আজটেক সভ্যতার মত বহু প্রাচীন সভ্যতার ভিত্তিভূমি হওয়ায়,এই সব দেশে প্রচুর ধন সম্পত্তি পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরিহয়েছিল।সেই সব দেশে আগে থেকে উপনিবেশ স্থাপন করা,স্পেন,পর্তুগালের মত দেশগুলো নিজেদের রাজকোষে কোটি কোটি টাকা মূল্যের ধন রত্ন লুঠ পাট করে নিয়ে এসে জমা করছিল।দেশের শাসকদের প্রচ্ছন্ন মদতও অবশ্য তারা পেত।ইনকা বা আজটেক সভ্যতার লুকোনো রত্ন ভান্ডারের সন্ধান তারা পেয়েছিল।সেকালে পরিবহনের একমাত্র মাধ্যম ছিল,জলপথ।আরবড় জলযান ছাড়া এগুলো নিয়ে আসাও সম্ভব ছিল না।সমুদ্রের শাসকদের নির্মম লোলুপ দৃষ্টি পড়তো এই সব বিশাল বিশাল রত্ন বাহী জাহাজগুলোর ওপরে।প্রথম প্রথম স্পেন ও পর্তুগালেরমধ্যে থাকলেও পরে ইংরেজ,ডাচরাও এই দস্যুতায় নেমে পড়ে।  

চাঁদের সঙ্গে কথা হয় রোজ। অজস্র পুর্ণিমা ওর ঝুলিতে… আমি খেলতে নি ওকে… আর সারারাত চলে এক্কা-দোক্কার আলাপন। চাঁদ বড় সহজ জিনিস নয় বকেয়া কফির দাম মেটায় না কখনোও।  

আমার অফিসের সহকর্মী সাহেব চৌধুরী, তার নামের মধ্যে আভিজাত্যের ছোঁয়া থাকলেও আসলে সে এক মধ্যবিত্তের সন্তান।নিতান্তই সহজ,সরল,সাদা-মাটা চরিত্রের মানুষ সে।তার মাঝে  সাহেবিয়ানা না থাকলেও তাকে সাহেবের মতই লাগত, কারণ রূপের দিক থেকে সে নিঃসন্দেহে সুশ্রী […]

ভাষা নগর পত্রিকার পক্ষথেকে মল্লিকা সেনগুপ্ত পুরস্কার প্রতি বছর বইমেলার শেষ দিনে ঘোষিত ও প্রদান করা হয়। প্রথা ভেঙ্গে এই বছর থেকে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার প্রদান করা হবে মল্লিকা সেঙ্গুপ্তের জন্মদিনে (২৭ই মার্চ)।এ বছর মল্লিকা […]

বাদলের বাসঃ বাদল কলকাতায় এসেছে প্রথম বার।বাস স্টপেজে দাঁড়িয়ে ভাবছে কাউকে জিজ্ঞাসা করবে ঠিকানাটা কোথায়। একটা লোক সামনের দিক থেকে এগিয়ে আসতে দেখে জিজ্ঞাসা করল… দাদা ভাই অমুক ঠিকানায় যেতে চাই কি ভাবে যাব? লোকটি […]

পরের চিঠিটা আরও মজার। ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দের ২জুলাই বাবু শ্রীযুক্ত অখিল চন্দ্র সেন, সাহেবগঞ্জ স্টেশনের সুপারিন্টেনডেন্টকে গাড়ীর কামরায় শৌচালয় না থাকার জন্য তাঁকে গার্ডসাহেবের দোষে কি রকমভাবে বেইজ্জত হতে হয়েছিল, চিঠিটা ছিল সেটারই অভিযোগপত্র। Dear Sir, […]

চিঠি নিয়ে রচিত হয়েছে এমন বহু গল্প, গাঁথা হয়েছে অসংখ্য গান, তৈরী হয়েছে অনেক বাংলা ও বিদেশী ছবি। জগন্ময় মিত্রের ‘চিঠি’ গানটি তো অমর হয়ে আছে। আছে বনশ্রী সেনগুপ্তের আধুনিক গান। পঙ্কজ উদাসের গজল। সোনু […]

এদিকে বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাসে নগেন্দ্রকে লেখা কুন্দর চিঠি শুধু সাহিত্যই নয় বাংলার তত্কালীন সমাজ ও সংস্কৃতিক জীবন চর্চার এক দলিল বিশেষ। এই বঙ্কিমই আবার ‘বঙ্গদর্শন’-এ এক চিঠিতে অপর এক সমসাময়িক কবিবরকে তুলোধনা করেছেন। বঙ্কিম লিখেছেন- “দামোদর […]

আবার অযর্মা উপন্যাসেও দীর্ঘ সময় ধরে পত্রালাপ চলেছে। পড়লে কাব্যউপন্যাসের মত স্বপ্ন বোনা যায়। ভালবাসার ফোঁটা ফোঁটা নির্যাসে ভেজা শব্দ – আধভাঙা খোপা, বাঁকা টিপ, বুক থেকে খসে পড়া আঁচল, সব মিলিয়ে প্রেমপত্র একটা তৃষ্ণার […]

  আমি ভালবাসতে ফিরবো আবার দুপুরে পুড়বো পথের ধুলোয় অনন্ত লাট খেতে খেতে তাচ্ছিল্ল্য ছুঁড়ে মারব সপাটে   এদিক-ওদিক ভাসাবো অনায়াস উঠোনে শুয়ে পড়বে আয়েসী রোদ্দুর ফিরবো আবার…মনে রেখো ।

জেল থেকেই নজরুলের রচনা পড়ে বাংলা সংবাদপত্রে নিয়মিত সমালোচনামূলক চিঠি লিখতেন মুজাফফর আহমেদ ওরফে কাকাবাবু। প্রেমের কবি কীটস তাঁর প্রেমিকা ফ্যানিব্রুনের চিঠি না খুলে রেখেই দিয়েছিলেন, প্রেমের স্মৃতি হিসেবে। তাঁর মৃত্যুর পর সেই না খোলা […]

অশ্লীলতার দায়ে অভিযুক্ত হলেও পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ পত্ররচনার মধ্যে অবশ্যই থাকবে জেমস জয়েসের প্রেমপত্রগুলো।  যার সাহিত্য মূল্য কোনো অংশে কম নয়।  ভাবা যায়, দাপুটে রাষ্ট্র নায়ক ‘ট্রটস্কি’র নামটা পর্যন্ত দিয়েছিল তার প্রেমিকা প্রেমপত্রে আদরের নাম হিসেবে […]

কবি নজরুলও ভীষণ সুললিত ভাষায় চিঠি লিখতেন। তাঁর লেখা চিঠিগুলি কবির মনের অবস্থা, ভবিষ্যতের ভাবনা ও রাজনীতি এবং সমাজব্যবস্থা সম্পর্কে ধারণা দেয়। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু তাঁর দেশে ও বিদেশে থাকাকালীন বহু চিঠি-পত্র তাঁর নিকটাত্মীয়, পরিজন, […]

ইতিহাস বিদ হেলানিসাস এর লেখা থেকে যেমন আমরা প্রথম জানতে পারি, পারস্যের (ইরান) রাজা সাইরাসের কন্যা আটোসসা –র লেখা চিঠি চাই সম্ভবত পৃথিবীর প্রথম স্বহস্তে লিখিত পত্র, তেমনি বাইবেলের নিউ টেস্টামেন্টে পল এবং অ্যাপোস্টে ল […]

Scroll To Top