souraver chai july–jiyon kathi–by DG Talks

Sourav-Ganguly-and-BCCI-interim-chief-Jagmohan-Dalmiya21তাহলে? সৌরভ রাজনীতির  উঠোনে দাঁড়িয়ে পড়ল? ভোটের প্রস্তুতিও সারছে! আজ বেঙ্গল ক্লাবে জেলা প্রতিনিধিদের সঙ্গে বসছে, তো কাল রাজভবনের কাছে  হোটেলর কনফারেন্সে রুমে ভোটদাতাদের একাংশকে ডেকে নিচ্ছে! যাক-ক্রিকেটের ভোট বাজারে মহারাজের গা গরম হচ্ছে। এরপর বাংলা হয়তো যোগ্য ক্রীড়ামন্ত্রী একদিন পেয়েই যাবে।

মোবাইল ফোনের অন্য প্রান্ত থেকে একের পর এক কথাগুলো ভেসে আসছিল, শেষ লাইনটা বলে ‘হা… হা… হা’ হাসিটায় কিসের ইঙ্গিত ছিল জানি না- মাঠ পাগল এই শার্দূল রাজনীতির ব্যাপারি মনের মধ্যে টোকাটা দিয়ে গেলেন। বিধানসভা নির্বাচনের পালা সাঙ্গ। দিদিভাই আবার মুখ্যমন্ত্রী। দাদা-কাম বন্ধুবর রাজনীতির পাকা মাথা মানুষটির কথা মন থেকে ঠেলে সরাতেই পারলাম না। উল্টে প্রায় আড়াই দশক ‘সিএবির’ সঙ্গে যুক্ত নানান মাপের মানুষের সঙ্গে কথা বলে মনে হল-রাজনীতির বাজারে সৌরভ সত্যিই সিরিয়াস নেট প্র্যাকটিসই তো করছেন!

A win-win situation for Mamata and Sourav Ganguly

ভাবনায় ব্যাক গিয়ার টেনে দেখলাম- সত্যিই তো এমন ঘটনা আগে ঘটেনি। ‘সিএবি’র সভাপতি পরের টার্মটা নিশ্চিত করতে(বলা ভাল-প্রথম টার্মটাই) যা করলেন-তা আগে কেউ কখনও করতে চাননি। হয়তো দরকারও পরে নি। ‘বিশ্বনাথ দত্ত’র সময় এমন নির্বাচন হয়নি যার জন্য তখনকার গ্রেট ইস্টার্ন কিংবা গ্র্যান্ড হোটেলে দু মাস থেকে ক্লাব প্রতিনিধিদের ডাকতে হয়েছে।জগমোহন ডালমিয়া সভাপতির পদে কঠিন লড়েছিল একবার। তখন তার থিয়েটার রোডের অফিস কিংবা আলিপুরের বাড়িতে ‘কোর টিম’ নিয়ে একাধিকবার বসছেন,না হলে, ‘সিএবি’তেই নিজের চেম্বারে  একের পর এক ক্লাব প্রতিনিধিদের মন বোঝার কাজ সারতেন। কিন্তু ‘আইপিএলে’র জন্য ইডেনে বসার জায়গা নেই বলে জনা চল্লিশ ক্লাব প্রতিনিধিদের নিয়ে দু কিলোমিটার দূরে হোটেলে ‘হাইটি’! কেন? ময়দান উত্তর জানে। রাজনীতির কারবারিরাও দেখছি উত্তরটা জানেন! ‘জুলাই এর জিয়নকাঠি’ নাকি এর কারন। এই মাসের শেষের দিকে আছে ‘সিএবি’র বার্ষিক সাধারন সভা। ভোটের ভেঁপু বাজতে শুরু করেছে। ময়দান ছাড়িয়ে রাজ্য টের পাচ্ছে- ‘এস জি’ বনাম ‘বি ডি’র ডুয়েল নিশ্চিত।

Sourav-Biswarup-collage

‘এস জি’ একসময় এই ব্র্যান্ডের ব্যাট নিয়ে মাঠে নামতেন,সেই ‘এস জি’ ওরফে সৌরভ গাঙ্গুলি এখন অন্য লড়াইয়ে মেতেছেন। বাংলার ক্রিকেট মসনদের লড়াই। জগমোহন ডালমিয়া মারা যাবার আগেই সৌরভকে ‘সিএবির’ অন্যতম যুগ্ম সচিব পদে বসিয়ে যান। ‘সিএবি’র সংবিধান আছে ,নানান পদে বসার জন্য নানান মাপকাঠি,সহ সচিব থেকে কোষাধ্যক্ষ কিংবা সহ সচিব থেকে সচিব অথবা সচিব থেকে কোষাধ্যক্ষ -এসব অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।কিন্তু সৌরভ এসবের মাপকাঠির ওপরেই ছিলেন।থাকাই তো স্বাভাবিক,ভারতের অন্যতম সফল অধিনায়ক, বিশ্বের অন্যতম সেরা বাঁ হাতি ব্যাটসম্যান, বাংলার আইকন বলে কথা। এসব সংবিধান তো ক্লাব থেকে আশা কর্তাদের জন্য, বিশ্ববন্দিত ক্রিকেটারের জন্য হতেই পারে না, হয়ও নি। সৌরভ যুগ্ম সচিব হয়ে যান,তারপর ডালমিয়ার প্রয়াণ। ‘নবান্নে’ অন্য বৈঠক, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ‘সিএবি’র ঘর সাজিয়ে দিলেন, সৌরভ

37

সভাপতি। সৌরভের রাস্তা ধরে ( অর্থাৎ সিএবির সংবিধান সরিয়ে) ডালমিয়া পুত্র অভিষেকের অন্য যুগ্ম সচিব হওয়া। নবান্নের বৈঠক। কাক পক্ষীতে যেন টের না পায়- এমন ফতোয়া জারি করা ছিল না।তাই চার দেওয়ালের কথোপকথন ময়দানে পৌঁছে গেল। মুখ্যমন্ত্রী সৌরভকে ডালমিয়ার ঘরে বসতে বললেন। কয়েক মাসের জন্য  সৌরভ এই দায়িত্বে চাইলেন সংস্থার সিনিয়ার প্রাক্তন যুগ্ম সছিবকে। তিনি একসময় একসময় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের দায়িত্ব সামলেছিলেন। নবান্ন বা রাজনীতির অলিন্দে ঘুরে বেড়ানো ‘সিএবি’র কোষাধ্যক্ষ বিশ্বরূপ দে নাকি সৌরভের আপাত অনিচ্ছা দেখে ওপর এক প্রাক্তন যুগ্ম সচিবের নাম ভাসিয়ে দেন।তিনিও ভারতীও বোর্ডের পদাধিকারী ছিলেন। এহেন নাম ভাসানোর খেলা চলা কালীন মুখ্যমন্ত্রীর পাশে থাকা এক ঘনিষ্ঠ মন্ত্রিও( সিএবি তে তিনিও একটি ক্লাবের প্রতিনিধি)নিজের নাম নিজেই ভাসিয়ে দেন। অর্থাৎ আলোচনার দড়ি ম্যাডাম শক্ত হাতে ধরে নিয়েছিলেন। সৌরভ-সভাপতি, অভিষেক- যুগ্ম সচিব ঘোষণার পর বিশ্বরূপ দে কে অন্যতম যুগ্ম সচিব পদে বসতে বলেন। সুধীর গাঙ্গুলিকে বলেন কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব নিতে। সুধীর বাবু বিনয়ের সঙ্গে এই পদের মেয়াদ শেষ হলে নিজেই আর কোনও পদে থাকতে চান না।তখন ঠিক হয় জুলাই য়ে অন্যভাবে ভাবা যাবে, আপাতত নবান্ন বার্তায় শীলমোহর পরে যায়।কিন্তু এবার জুলাই যন্ত্রণা, কেন? কারন ‘বি ডি’ বিশ্বরূপ দে, সহ সচিব থেকে যুগ্ম সছিব,তারপর কোষাধ্যক্ষ হয়ে বসে আছেন। সৌরভ এবং বিশ্বরূপের প্রেম- প্রীতি- ভালোবাসার খবর এদের বেটার হাফ রাও জানেন।সৌরভ যেমন জানে তেমনি ‘সিএবি’র প্রতিটি লোহা- লক্করও জানে জগমোহন ডালমিয়া ভারতীয় বোর্ডে পুররায় ফিরে আসার কালে যে লাঠিটি নিয়ে হেঁটেছিলেন- সেটি আর কেউ নন, বিশ্বরূপ দে। শ্রীনিবাসন ঘনিষ্ঠ বিশ্বরূপকে পছন্দ করতেন না সৌরভ- এটা নিন্দুকরা বলেন, যে বোর্ডের বার্ষিক সভায় ডালমিয়া আবার সভাপতি হন,সেই সভা ঘিরে সৌরভ- বিশ্বরূপ বিভেদ আরও বড়ে, ‘বি ডি’ শিবিরের দাবী ছিল ,সৌরভ নাকি তাদের সঙ্গে লুকোচুরি খেলছিলেন। সৌরভ শিবিরের দাবিঃ আরে! সৌরভ গাঙ্গুলি তিনি,মহারাজের চাল তো রাজার মতনই হবে। ছিলেন- দেখেছিলেন-জিতিয়েছিলেন- ফিরেও এসেছিলেন। নিজের ঘর গুছোতে যান নি।

‘সিএবি’র সকলেই জানতেন, সৌরভ যুগ্ম সচিব হওয়ার আগে ‘বি জি’-‘বি ডি’ রাজ ই ছিল। সেই রাজত্বের ‘বি জি’ ওরফে বাবলু গাঙ্গুলি(সুধির) আজও বাংলা ক্রিকেটের ব্যর্থতার দায় নিয়ে মুছরে আছেন, কথায় কথায় হতাশা প্রকাশও পায়। সিনিয়র টিমটা আমি দেখিনা ঠিকই, কিন্তু জুনিয়ার টিমটা তো চ্যাম্পিয়ন হল না। অনূর্ধ্ব-১৬ ও অনুরধ-১৯ দু,বার পাঞ্জাবের কাছে হারল! কোচ- নির্বাচক সকলে রাজ্যের প্রাক্তন  ক্রিকেটার, কথা বলেছি বার বার। অভিমত একটাইঃ মানসিকতার অভাব।এ বছর আইপিএলে ঋধিমান সাহা আর অশোক দিন্দা,একসময় ৫-৬ জন নানান দলে থাকত। তাহলে কি বাংলার ক্রিকেটের মান পড়ছে?

সৌরভ শিবির ‘ভিশন ২০২০ নিয়ে উৎসাহী’। হোকনা স্থানীয় কোচরা মাসে লাখ টাকা করে পান। লক্ষণ- মুরলি-টি এ শেখরদের গাইড লাইন তো ভালো হচ্ছে। ফল মিলবেই। এই প্রথমবার মে মাসের প্রচণ্ড গরমে ‘সুপার লিগ’ তো শুরু হল। রঞ্জি ট্রফির নিয়ম মেনে খেলা।বড় মাঠে ক্রিকেত।ফাইনাল

Kolkata: Former Indian Captain Sourav Ganguly talks over phone at his chamber at Cricket Association of Bengal after his name was announced as CAB President in Kolkata on Thursday. PTI Photo by Swapan Mahapatra(PTI9_24_2015_000263A)

ফ্লাডলাইটে, তাও আবার কমলা বলে! শোনা যাচ্ছে ‘দাদার’ উদ্যোগে সেই ম্যাচ নাকি টিভি তে সম্প্রচারও হবে।

এখানেই শেষ নয়। সৌরভের নাকি রোখ চেপে গেছে। সেই কারনে বছরে আট(৮) কোটি টাকার টিভি ধারাভাষ্য দেওয়ার প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছেন। পরিবারের অনেকেই মহারাজের এমন মহা বাজীর শেষ দেখতে আগ্রহী। ময়দানের ক্লাব কর্তারা কি কি চান তার একটা খসরা সৌরভের তৈরি। বোঝাও হয়ে গেছে সব মানসিকতা। তাই কি টি টোয়েন্টিতে ‘টিকিট টোটকা’ ছাড়লেন? চার দশক ‘সিএবিতে’ ক্লাব প্রতিনিধিত্ব করছেন এমন প্রতিনিধিও সভাপতির জয়গান করছেন। আমি তো দেখেছি ভবানীপুর বলুন আর আলিপুরই বলুন, বিশেষ বিশেষ পছন্দের লোক বিশেষ টিকিট পেতেন। বাড়িতে বসে টিকিট বেলানো চলত। আশেপাশের চাহিদা মেটাতে নিতে হত। সৌরভ এবার ক্লাব কোটার টিকিট ছাড়াও আমাদের মতো ক্লাব প্রতিনিধিদের আলাদা করে খামে নাম লিখে টিকিট দিয়েছেন। সকলকে সমান গুরুত্ব দিয়েছে। এটাই তো ‘সিএবি’তে ছিল না।

বিরোধী শিবিরের দাবী টিকিট বিলি করে ভোটের চাল চালছেন সভাপতি। ‘যারে দেখতে নারি, তার চলন বাঁকা’- এমনই যেন মানসিকতা। ‘বি ডি’ ব্লক থেকে বলা শুরু হয়েছে- ঘরোয়া ক্রিকেটে পারফরমেন্সের ভিত্তিতে ইনসেন্টিভ দেওয়া হচ্ছে। এক লাখ ২৫ হাজার যেমন পাচ্ছে, তেমনি ৩০হাজারও মিলছে। শূন্য পয়েন্ট পেয়ে শেষে থাকা দলও পাচ্ছে ৩০হাজার! এ কিসের ইনসেন্টিভে!এতো অর্থ বিলিয়ে ভোট কেনা। ফেলে আসা দেড় মাষ গুর-বাতাসা, জল- বাতাসা, ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা- কূল কূল শোনা অভ্যাস হয়ে গেছে। সবই যেন বদলে যাওয়া এক স্লোগানঃ ভোট দাও আমি তোমাদের সাফল্য দেব( রক্ত দিয়ে, আর কেউ স্বাধীনতা দেওয়ার কথা শোনায় না) জগমোহন ডালমিয়াকে বহুবার বলতে শুনেছি ‘সিএবি’ একটা পরিবার, মন কষাকষি-মান অভিমান- ভুল বোঝাবুঝি থাকে,তা বলে বাইরের লোক এসে এ পরিবার ভাঙতে পারবে না। আসলে ‘গড ফাদার’ ‘বিশ্বনাথ দত্ত’র থেকে এভাবেই শুনে ‘জগু বাবু’ ‘সিএবি’তে ঘুরেছিলেন। আজ সেই পরিবারের কি হাল! সভাপতি কোমর কষছেন, এক কোষাধ্যক্ষ বুঝে নিতে চাইছেন।collage39সমস্যা এখানেই,বাংলার ক্রিকেট পড়ছে ক্রিকেটারদের মানসিকতার অভাবে- এটা যদি প্রথম কারন হয়, দ্বিতীয়  এবং মোক্ষম কারন  অবশ্যই  কর্মকর্তাদের

মানসিকতাও।ময়দানে হাজারো প্রশ্ন। সৌরভ হটাত কেন দুই ‘এস পি’ নিয়ে এমন লড়াইয়ে নামলেন? বেঙ্গল ক্লাবে ১৮ জন জেলা প্রতিনিধির সভায় তিনি হাজির ছিলেন বাংলা জেলা ক্রীড়া ফেডারেশনের চিফ পেট্রন হয়ে, কি শুনলেন? ‘সিএবি’র অনুমোদিত ক্লাব সংস্থা ক্লাবগুলো,বিশ্ববিদ্যালয়, অফিস স্পোর্টস ফেডারেশন এবং ১৮টি জেলা, গত তিন বছর ‘আইপিএল’ অনুদান বাবদ(আনুমানিক বছরে ৩ লাখ টাকা) টাকা পায়নি জেলা সংস্থাগুলি। কিন্তু ক্লাবের অনুদান ‘আপডেট’। কেন এই বৈষম্যমূলক আচরণ? সৌরভের সান্তনা বানী বছরে ১০ লাখ টাকা নিজে বিজ্ঞাপন করে এনে দেবেন ফেডারেশনকে। বাহ- চমৎকার প্রতিশ্রুতি।

safe_image (5)

DG Talks..

ফেডারেশন তো ক্রিকেটের বাইরেও অন্য খেলা আছে,তার খরচও আছে। সৌরভও আছেন। সপ্তাহ ঘুরতে না ঘুরতে ‘হোটেল ললিত’ হাই টি পর্ব। জনা ৪০ ক্লাব প্রতিনিধি যারা নিয়মিত আসেন না কিংবা এলেও সৌরভ সাক্ষাৎ জোটে না।১২১ এর ৫৮ প্রতিনিধি সৌরভের বিশেষ সঙ্গ পেলেন।সকলেই কমবেশি শুনলেন… টাকা আসছে, টিকিট আসছে, আর কি চাই? প্লেয়ারদের বিমা চালু হয়ে গেছে আরও নানান ‘বেঙ্গল প্যাকেজ’ রেডি।

যত শুনছি, তত ভাবছিঃ আর দেরি নেই, রাজ্যের যোগ্য ক্রীড়ামন্ত্রী চাই। ক্রীড়া নীতি চাই। সৌরভ স্বপ্ন দেখাচ্ছেন। কিন্তু এতো ‘স্বপ্নের সওদাগর’ মিলতে চলেছে। সাপোর্ট টিম কোথায়? সৌরভের এখন যারা অনুগামী তাদের ময়দানে নানান ডাক নাম। তির্যক মন্তব্যও শোনা জাচ্ছে।১৯ শে মে রাজ্জ্যে দিদিভাই ক্ষমতায় এলেন… ব্যস আর সৌরভের চিন্তা কিসের,গিয়ে দাঁড়ালেই কাজ হয়ে যাবে।দিদি দরাজ হস্তে সব দিয়ে দেবেন বিনিময়ে সৌরভকে বিক্রি হতে হবে, শে তো আগেই হয়ে বসে আছেন।কিন্তু ‘সিএবিতে’ এবার বুঝে নেওয়ার হাওয়া। প্রয়াত ডালমিয়ার স্মরন সভায় যিনি স্মৃতিচারণ করার সুযোগ না পেয়ে অপমানিত- তিনি বুঝে নিতে চান। দীর্ঘদিন ক্লাব-ময়দানে পড়ে থাকা কর্তাদের এবার বুঝে নেওয়ার প্রবল ইচ্ছে। সিএবির টাকায় মুফতে গাড়ী চড়ার হিসাব,নানান মোচ্ছবের খরছের হিসাব এবার বুঝে নিতে চান তারা। আরও আছে- লোধা কমিশনের রিপোর্টও বুঝে চলার পালা এবার এগিয়ে আসছে। মাঠের বাইরের বোঝাবুঝিতে ক্রিকেটই না বোঝা হয়ে যায়।

দীপঙ্কর গুহ

সিনিয়র ক্রীড়া সাংবাদিক

মতামত জানানঃguha.dipankar@gmail.com

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *