১লা বৈশাখ ১৪২৫, ফিরে দেখা।

17884368_1143101469127909_1909001447429543678_n

এসো, এসো, এসো হে বৈশাখ।
তাপসনিশ্বাসবায়ে   মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে,
বৎসরের আবর্জনা দূর হয়ে যাক॥
যাক পুরাতন স্মৃতি,   যাক ভুলে-যাওয়া গীতি,
অশ্রুবাষ্প সুদূরে মিলাক॥মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা,
অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা।
রসের আবেশরাশি   শুষ্ক করি দাও আসি,
আনো আনো আনো তব প্রলয়ের শাঁখ।
মায়ার কুজ্ঝটিজাল যাক দূরে যাক॥

হিন্দু সৌর বছরের প্রথম দিন আসাম, বঙ্গ, কেরালা, মনিপুর, নেপাল, উড়িষ্যা, পাঞ্জাব, তামিলনাড়ু এবং ত্রিপুরার সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে প্রাচীণ কাল থেকেই পালিত হত। ওই সময় ভারতীয় উপমহাদেশে অন্তত ১০টি প্রধান বর্ষপঞ্জিকার ইতিহাস জানা যায়। সেগুলো হল- বঙ্গাব্দ, হিজরি, শকাব্দ, সংবৎ, মগী, বগড়ী, বুদ্ধাব্দ, চৈতন্যাব্ধ, লানকাব্দ এবং ইংরেজি। অনুমান করা হয় যে, জুলিয়ান ক্যালেন্ডারের সোমবার ১২ এপ্রিল ৫৯৪ এবং গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের সোমবার ১৪ এপ্রিল ৫৯৪ প্রথম বঙ্গাব্দের সূচনা হয়েছিল।

মুসলিম শাসনকালে হিজরী সালের সঙ্গে ব্যাপক প্রচলন  বাংলা সালেরও ব্যাপক প্রচলন ছিল। বাংলা সাল ব্যবহারের আদি নিদর্শন পাওয়া যায় বারোভূঁইয়াখ্যাত ঈশা খাঁ নির্মিত একটি কামানে খোদাই করা আছে, সন  ১০০২।” এটি ১৫৯৫ খ্রীষ্টাব্দে খোদাই করা হয়।

বঙ্গাব্দের মূলভিত্তি হিজরী সাল। সম্রাট আকবর যখন (১৫৫৬ খ্রীষ্টাব্দ) সিংহাসনে আরোহণ করেন এবং তখনই সাল প্রবর্তন করেন। সম্রাট আকবর বর্তমানে প্রচলিত বঙ্গাব্দ সরাসরি প্রবর্তন না করলেও সম্রাট প্রবর্তিত ‘তারিখ-ই- ইলাহী’’র আদলে স্থানীয় পণ্ডিতগণ বাংলা সন প্রচলন করেছিলেন। আকবর ছিলেন বাস্তববাদী  ও দূরদর্শী। তিনি বুঝেছিলেন হিজরী কিংবা ভারতীয় চন্দ্র-সূর্যভিত্তিক বর্ষপঞ্জি এই দেশে অচল।

প্রাচীনকালে ভারতীয় উপমহাদেশে বিভিন্ন সাল প্রচলিত ছিল। যেমন : লক্ষণাব্দ, বিক্রমাব্দ, শালিবাহন শাল, জালালী সাল, সেকান্দার সাল, শতাব্দ, গুপ্তাব্দ ইত্যাদি। এই সালগুলি উপমহাদেশের সর্বত্র প্রচলিত ছিল না।কালক্রমে সাল্গুলি বিলুপ্ত হয়ে যায়। প্রচলিত এ সব সালের মধ্যে কোনো কোনোটি চান্দ্রমাসের হিসাবে গণনা করা হতো। কিন্তু চান্দ্রবছরের তারিখ সৌরবছরের গণনায় প্রতি বছরে ১১ দিন পিছিয়ে পড়ে। সুতরাং শাহী-লেনদেন ও প্রজা-সাধারণের সুবিধার্থে একটি সৌরসাল প্রবর্তনের প্রয়োজনীয়তা  হয়ে পড়ে।

রাজদরবারে বহুদিন ধরেই হিজরী সালের ব্যবহার ছিল। কিন্তু হিজরী সাল চান্দ্র অব্দ। তাই আকবর একটি নতুন সৌরসাল প্রণয়নের আদেশ জারী করেন। মোগল সাম্রাজ্যের ‘অর্যাবতে’ এবং ‘দক্ষিণাত্যে’ নতুন সালটি ‘ফসলী সন’ নামে পরিচিতি পায়। সালটি বঙ্গদেশে এসে বঙ্গাব্দরূপে প্রতিষ্ঠা পায়।

সুবেবাংলায় খুব সম্ভবত রাজস্ব বিষয়ক পণ্ডিত রাজা টোডরমল ‘তারিখ-ই-ইলাহী’র প্রবর্তন করেন। স্থানীয় পরিবেশের  সাথে সঙ্গতি রেখে সম্রাট আকবর প্রবর্তিত ‘তারিখ-ই-ইলাহী’ ই বাংলা সন বা বঙ্গাব্দে রূপান্তরিত হয়।

সুতরাং বলা যায়, বাঙালী জাতির মতো বাংলা সনও একটি শংকর অব্দ। যার ভিত্তি হিজরী সন কিন্তু গণনা করা হয় সৌর পদ্ধতিতে। বর্ষগণনা শুরু হয় মেষাদি পদ্ধতিতে এবং প্রথম মাসের নাম হয় বৈশাখ। আকবর নামাতে ১ম থেকে ২৭ ইলাহীর বছর শুরুর দিনগুলি নথিভুক্ত আছে। তাতে দেখা যায়, এ সব বছরে প্রতিটি বর্ষ শুরু হয়েছিল ১১ মার্চ থেকে (১৪ বার) ১০ মার্চ থেকে (১০ বার), ১২ মার্চ থেকে (৩ বার), অর্থাৎ ‘তারিখ-ই-ইলাহী’র শুরুর বছর থেকে ২৭তম বর্ষ শুরু হয়েছিল ১০ মার্চ থেকে ১১ মার্চের মধ্যে। পরবর্তীকালে এর পরিবর্তন ঘটে। ২৮তম বর্ষ শুরু হয় ২১ মার্চ ১৫৮৩ (হিজরী : সফর ২১, ৯৯৩)। আর ২৯তম বর্ষে এ সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয় এবং নতুন অব্দের নামকরণ করা হয় ইলাহী।

বঙ্গাব্দ ও ইলাহী মূলত হিজরীর জাতক আর বঙ্গাব্দ ইলাহীর সহোদর। তাই ‘ইলাহী’ নিয়ে এত এলাহীকাণ্ড। আবার বঙ্গাব্দের তথ্যানুসন্ধানে ফিরে আসা যাক। বিশ্বকোষ গ্রন্থে উল্লেখ করা হয়— হোসেন শাহ নামে জনৈক রাজা বঙ্গাব্দ প্রচলন করেন, মতান্তরে জনৈক ফতে উল্লাহ সিরাজী বাংলা সালের প্রবর্তক। বঙ্গাব্দের প্রচলন সম্পর্কে আরেকটি মত : ৫৯২-৫৯৩ খ্রীষ্টাব্দে গৌরেশ্বর শশাঙ্ক তার রাজধানী প্রতিষ্ঠা করলেন ভাগীরথীর পশ্চিমতীরে রাঢ় দেশের কানসোনা গ্রামে। বৈশাখ মাসের সেই শুভক্ষণ থেকে বঙ্গাব্দের নতুন বর্ষগণনা শুরু হল। বঙ্গাব্দ প্রচলনের সাথে সাথে সেকালে প্রচলিত স্থানীয় চান্দ্রমাসগুলিও সৌরমাসে পরিণত হয়। ফলে বৈশাখ, জৈষ্ঠ্য আষাঢ়, শ্রাবণ, প্রভৃতি নামগুলিও বঙ্গাব্দের বিভিন্ন মাসের নামরূপে গৃহীত হয়। বিভিন্ন মাসের নামের উৎস নিম্নরূপ :

‘বৈশাখ-বিশাখা নক্ষত্র, জৈষ্ঠ্য-জৈষ্ঠা নক্ষত্র, আষাঢ়-আষাঢ়া নক্ষত্র, শ্রাবণ-শ্রাবণা নক্ষত্র, ভাদ্র-ভাদ্রা নক্ষত্র, আশ্বিন-অশ্বিনী নক্ষত্র, কার্তিক-কৃত্তিকা নক্ষত্র। অগ্রহায়ণ-অগ্র (প্রথম)+হায়ণ (বৎসর) পৌষ-পুষ্যানক্ষত্র। মাঘ-মঘান নক্ষত্র, ফাল্গুন-ফাল্গুনী নক্ষত্র চৈত্র-চিত্রা নক্ষত্র।

বিভিন্ন নক্ষত্রের নামে মাসের নাম নির্ধারিত হয়। অগ্রহায়ণ মাসের নাম কোনো নক্ষত্র অনুসরণ করেনি। এককালে ফসল তোলার এই মাসকে বছরের প্রথম মাস রূপে বিবেচনা করা হতো। ‘অভিধান চিন্তামণি’ নামে এক প্রাচীন সংস্কৃত গ্রন্থে, বছরের বিভিন্ন মাসের তালিকা শুরু করা হয়েছে অগ্রহায়ণ মাসে দিয়ে.

সম্রাট আকবর প্রচলিত ‘তারিখ-ই-ইলাহী’ তথা হিজরী সনই বাংলা সালের মূলভিত্তি। এটিই ঐতিহাসিক সত্য। অন্যান্য সিদ্ধান্তগুলি নিতান্তই একেকটি মত মাত্র। বঙ্গাব্দের উৎস সম্পর্কে আরও কিছু মত প্রচলিত আছে।

কিন্তু সে সব,কালেদিনে ভুল প্রমাণিত হয়েছে। সুতরাং সম্রাট আকবরই বাংলা সনের প্রবর্তক— এটিই ইতিহাসের সত্য। ভারতবর্ষের অন্যতম মহান বাঙালী জ্যোতিষপদার্থ বিজ্ঞানী ড. মেঘনাদ সাহার অভিমত এই ঐতিহাসিক সত্যকে বৈজ্ঞানিক ভিত্তি দিয়েছে। ড. মেঘনাদ সাহার মন্তব্য-In 1079 A.D. Sultan Jalaluddin Melik Shah of Iran introduced a salar calendar for Inran and this was introduced by Emperor Akbar in India in 1584 under the name Tarik-E-ilahi Akbar’s calender was used to date all events from his accession (1556 A.D.) and was official calendar during the reign of Jahangir and early part of Sahjahan’s reign when it fell into disuse. But it gave rise to number of hybrid eras like the Bengali san and the false era which are still in use.

খ্রীষ্টাব্দ, হিজরী বা বঙ্গাব্দ ছাড়া অন্যান্য অব্দ হারিয়ে গেছে। হিজরী সাল বাঙ্গালীর জীবনে আচার-আচরণে ব্যবহৃত অব্দ; আর খ্রীষ্টাব্দের ব্যবহার এর আন্তর্জাতিকতার খাতিরে। বঙ্গদেশে প্রচলিত অন্যান্য অব্দের অধিকাংশই কোন রাজ-রাজার নামযুক্ত কিংবা তাঁদের রাজ্যাভিষেক সম্পর্কিত। কিন্তু বাঙ্গালী জাতিসত্তা এবং তার সংস্কৃতির উদরে জন্ম নেওয়া সাল বঙ্গাব্দ। এখানে কোনো রাজা-মহারাজা নেই কোনো জমিদার নেই, কোনো সামন্ত মহাজন ফড়িয়া নেই। বাংলার শ্যামলপ্রকৃতি, তার সুপ্রাচীন সাংস্কৃতিক নরম পলিমাটি থেকে জন্ম নেওয়া সাল বঙ্গাব্দ। তাই এটি বাঙালি গণমানুষের সাল। একই সাথে অসাম্প্রদায়িতক চেতনাঋদ্ধ সাল সর্বজনীন সাল।

অনেক পণ্ডিতের মতে, প্রাচীন বাংলায় প্রথম মাস ছিল অগ্রহায়ণ।সময়ের সঙ্গে মতও পাল্টে গিয়ে অগ্রহায়ণের জায়গায় হয়েছে বৈশাখ।  একটি বছর শেষে জীবনের সফলতা ব্যর্থতার হিসাব মেলানোর দিন। নতুন বছরে নতুন কিছু শপথ নেওয়ার দিন। জমিদারী প্রথা থাকাকালে, দিনটিকে খাজনা আদায়ের দিন হিসেবে জমিদারেরা ধার্য করেছিল। এ উপলক্ষ্যে, মিষ্টি বিতরণেরও প্রথা ছিল। ব্যবসায়ীদের কাছেও নববর্ষ পূণ্য লাভের দিন তারা এদিন হালখাতা খুলে বসে। গ্রাহক, ক্রেতা, খাতক আসে কিছু না কিছু টাকা জমা দিতে।

খ্রীষ্টীয় নববর্ষের সাথে একটি ধর্মীয় ভাব জড়িত থাকে। খ্রীষ্ট ধর্মাবলম্বীরা এদিন প্রার্থনা সভায় যোগ দেন। বাংলা নববর্ষের সাথে ধর্মীয় বিষয় জড়িত নেই। এটি মূলত সাংস্কৃতিক উৎসব। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার উৎসব। তাই এই উৎসবে সবাই মেতে উঠে। এই দিনটিতে বাঙালী জাতিসত্তা পৃথিবীকে তাঁর স্বতন্ত্র অস্তিত্বের জানান দিতে চায়। এমন একটি বর্ষবরণ উৎসব পৃথিবীতে প্রায় বিরল।

পারিবারিক ভাবেও ১লা বৈখাখ পালনের ঐতিহ্য আছে। দুধ-চিনি কিংবা গুড়ের সাথে আতপ চাল মিশিয়ে পায়েশ বানিয়ে পরিবারের লোকজন খেতো সঙ্গে পাড়া প্রতিবেসিদের বিতরন করার রেয়াজ ছিল। গ্রামের কৃষকেরা ১লা বৈশাখকে শুভদিন মনে করে  নতুন লাঙ্গল বাঁধতো। কোন কোন ক্ষেত্রে কৃষক মাঠের মধ্যে তার জমিতে গিয়ে গরুর কাঁধে লাঙ্গল বেঁধে দু’পাক ঘুরে নিত যাতে সারা বছর তার চাষআবাদ ভাল হয়। বাড়ির গৃহিনীরা এক মুঠো ধান নেকড়ায় বেঁধে রাখতো যাতে সারাবছর তার ঘরে যেন ধান চালের  অভাব না হয়।

গ্রামের বড় কোন বটগাছ তলায় কিংবা বড় পুকুর পাড়ে বৈশাখী মেলা বসতো। মন্ডা-মিঠাই, মুড়ির মোয়া, দেশীয় মিষ্টির পসরা বসত মেলায়। সেই সাথে থাকতো নাগরদোলা। তাল পাতার হাত পাখা, বাঁশ ও কাঠের তৈরি নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস পাতি পাওয়া যেত। বাচ্চাদের জন্য খেলনা।

পশ্চিমবঙ্গে মহাসমারোহে  উদযাপিত হয় বাংলা পয়লা বৈশাখ। চৈত্র সংক্রান্তির দিন পালিত হয় চড়কপূজা অর্থাৎ শিবের উপাসনা। এদিন গ্রামবাংলার বিভিন্ন অঞ্চলে আয়োজিত হয় চড়ক মেলা।পরের দিন অর্থাৎ পয়লা বৈশাখ প্রতিটি পরিবারে স্নান সেরে বয়ঃজ্যেষ্ঠদের প্রণাম করে দিনের শুরু।  বাড়িতে বাড়িতে এবং সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চলে মিষ্টিমুখ। নতুন খাতার উদ্বোধন করে,নতুন খাতা বা হালখাতা।  গ্রামাঞ্চলে এবং কলকাতা শহরের উপকণ্ঠে পয়লা বৈশাখ থেকে আরম্ভ হয় বৈশাখী মেলা। এই মেলা সমগ্র বৈশাখ মাস জুড়ে অনুষ্ঠিত হয়।

কলকাতা পয়লা বৈশাখ উদযাপনে একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, শহরের বিভিন্ন পাড়ার অলিতে গলিতে নানা সংগঠনের উদ্যোগে প্রভাতফেরি আয়োজিত হয়। চৈত্র মাসে শহরের অধিকাংশ দোকানে ক্রয়ের উপর দেওয়া হয়ে থাকে বিশেষ ছাড়, যার প্রচলিত কথ্য নাম ‘চৈত্র সেল’। তাই পয়লা বৈশাখ উপলক্ষে এবং এই ছাড়ের সুবিধা গ্রহণ করতে অর্থনৈতিক অবস্থা নির্বিশেষে কলকাতার সমস্ত মানুষ একমাস ধরে নতুন জামাকাপড়, ইত্যাদি ক্রয় করে থাকে। পয়লা বৈশাখের দিন উল্লেখযোগ্য ভিড় চোখে পড়ে কলকাতার বিখ্যাত কালী মন্দিরগুলিতে। সেখানে বিভিন্ন ব্যবসায়ী ভোর থেকে প্রতীক্ষা করে থাকেন দেবীকে পূজা নিবেদন করে হালখাতা আরম্ভ করার জন্য। ব্যবসায়ী ছাড়াও বহু গৃহস্থও পরিবারের মঙ্গল কামনা করে দেবীর আশীর্বাদ প্রার্থনা করতে মন্দিরে গিয়ে থাকেন। এইদিন বাঙালির ঐতিহ্যবাহী পোশাক ধুতি-পাঞ্জাবি এবং শাড়ি পরার রেওয়াজ প্রচলিত।

ভারত, বাংলাদেশ ছাড়া অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, সুইডেনসহ পৃথিবীর অন্যান্য দেশে বাঙালি নববর্ষ ধুমধামের সঙ্গে পালিত হয়। ইংল্যান্ডে প্রবাসী বাঙালিরা স্ট্রিট ফেস্টিভ্যাল (পথ উৎসব) পালন করে। এটি ইউরোপে অনুষ্ঠিত সর্ববৃহৎ এশীয় উৎসব।

১৪২৫ এর প্রারম্ভেই একবিংশ সবাইকে শুভেচ্ছা ও শুভকামনা জানায়। সকলে ভাল থাকুন, সকলকে ভাল রাখুন।

দেবাশীষ পাইন

দেবাশীষ পাইন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *