“সেক্স করি..পরিবার চালাই”পর্ব-4(ধারাবাহিক)

male-prostituteবাথরুমের বাইরে অপেক্ষা করছিলাম, ভেতর থেকে ম্যাডাম ডাকলেন- দেবরাজ একটু ভেতরে এসো, তোমার হেল্প লাগবে। আমি বাথরুমে ঢুকে দেখলাম, ম্যাডাম ম্যাক্সি পালটে ফেলেছেন,চুল দিয়ে এখনও জল পড়ছে, মনে হল ভালো করে মাথা মোছার সামর্থ্য নেই। আমার দিকে তাকিয়ে অর্থপূর্ণ  হেঁসে বললেন, দেবরাজ,আমায় একটু ধরো,আমি একা যেতে পারব না।সাহায্য করতে আমরা ডান হাতটা ওনার কোমরে পেঁচিয়ে দিলাম, উনি ওনার বাম হাতটা আমার কাঁধে রাখলেন।সদ্যস্নাত নারী শরীরের গন্ধ নাকে ধাক্কা মারছিল। উত্তেজিত হয়ে পড়ছিলাম। নাভির নিচে একটা গুড়গুড়ানী শুরু হয়ে ক্ষেপীয়ে তুলছিল আমায়- বুঝলাম ক্রমশ নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছি কিন্তু নিজেকে শাসন করলাম।

ম্যাডামকে খাটে শুইয়ে দিয়ে বেরোবার ফন্দি আঁটছিলাম। রুমের ভেতর থাকতে আর ভালো লাগছিল না। ভেতর ভেতর অস্থির ভাব কাজ করছিল। ম্যাডাম খাটের দিকে যেতে গিয়ে মাঝ পথে বাধা দিয়ে চেয়ারটার দিকে আঙ্গুল দেখিয়ে বললেন, বসব। শুনেই মেজাজ হারিয়ে ফেললাম, একটু আওয়াজ চড়িয়েই বলে উঠলাম- রাত ২ টোর সময় চেয়ারে বসে কি করতে চান? শুয়ে পড়ুন। বুজতে পারছি ম্যাডাম নিস্পলক দৃষ্টিতে আমায় দেখছেন।থমথমে গলায় জানতে চাইলেন, এই মুহূর্তে আমি যা করতে চাই তা তুমি করবে-দেবরাজ? জবাব দিলাম, সাধ্যমতো চেষ্টা করব। ঠিক আছে,তাহলে আমার ৬ বছর আগে ফেলে আসা ফুলশয্যার নোংরা স্মৃতিকে মুছে দাও। পারবে? আমি আর নোংরা স্মৃতিটাকে বইতে পারছি না-দুচোখ দিয়ে জলের রেখা- প্লিজ দেবরাজ, আমার স্বপ্নের ফুলশয্যায় নিয়ে চল। অতর্কিতে গুলির মতো এরকম প্রস্তাব আমারদিকে ধেয়ে আসাতে খানিক বাক্যহারা হয়ে পড়েছিলাম। তা সত্তেও ম্যাডামের দিকে না তাকিয়ে বিড়বিড় করে বললাম, আপনি যা বলবেন আমি তাই করব। চেয়ার ছেড়ে দাঁড়িয়ে পড়েছেন ম্যাডাম, হাতে টেবিলের ফুলদানীতে রাখা ফুলের গোছা,ফুল  ছিঁড়ছেন আর ছড়িয়ে দিচ্ছেন বিছানার ওপর। চিৎকার করে ড্রিংক বানানোর নির্দেশ দিলেন। আমি-আর না ম্যাডাম, অনেক খেয়েছেন বলাতে আমায় আঙ্গুল উঁচিয়ে বারন করলেন- না দেবরাজ, আজ আমি যা বলব তুমি তাই করবে, কথা দিয়েছ। অগত্যা, গ্লাসে মদ ঢালা শুরু করলাম, আড়চোখে তাকিয়ে দেখছি ম্যাডাম সুটকেস খুলে ওড়না বার করলেন।

place-beyond-the-pines_55008268-2048x1365

আমার পেটের ভেতরের মদ তার নিজের মেজাজে কাজ শুরু করে দিয়েছে। বিছানার ওপর ম্যাডাম বসে আছেন, ওড়নাটা মাথায় ঘুমটার মতো করে ঢাকা। ঘরের মৃদু আলোয় ম্যাডামকে নববধুর মতো লাগছিল। আমার ভূমিকা কি হতে চলেছে ভেবে উত্তেজনায় ফুটছিলাম কিন্তু নিজেকে সংযত করলাম।দুহাত সামনে বাড়িয়ে আমায় ডাকলেন। ধিরে ধিরে খাটের দিকে এগিয়ে গেলাম। ঘুমটা খুলে দিতেই দুচোখ তুলে আমার দিকে তাকালেন, দুহাত দিয়ে আমার গাল দুটো ধরে একভাবে তাকিয়ে রইলেন। হাত ধরে বিছানায় শুইয়ে দিলেন, নিজেও পাশে শুলেন। কানের কাছে মুখ এনে ফিসফিস করে বললেন- দেবরাজ, সব ভুলে যাও শুধু এই মুহূর্ততাকে উপভোগ করো।আমি হাতের কাছে মাখনের তাল পেয়ে ছটকাতে গিয়ে ধমক খেলাম- এ ধমক অনেকটা সার্কাসের রিং মাস্টার যেমন করে অবাধ্য বাঘকে দেয়। ধিরে দেবরাজ-ধিরে।ক্ষুধাতুরের মতো হাঁকপাঁক করো না, রসিকের মতো আস্বাদন করো। অভিভাবক যেমন করে তার সন্তানের হাত ধরে এগিয়ে নিয়ে যায়, আমিও ম্যাডামের হাত ধরে দেহের সোপান পথে উঠতে লাগলাম। তার পর আর মনে নেই।বুঝলাম আমার পুরনো অস্তিত্ব বিলীন হয়ে নবজন্ম হয়েছে।

ম্যাডামের হাতের ধাক্কা খেয়ে ধড়মড়িয়ে ঘুম থেকে উঠলাম। মাথাটা বালিশ থেকে তুলতেই পারছি না। পাথরের মতো ভারী লাগছিল। ঘরের পর্দাগুলো সরিয়ে দিচ্ছেন ম্যাডাম। কড়া রোদে ঘর ভোরে গেল, বুজলাম বেশ বেলা হয়েছে। ঘড়ি বলছে ১০টা বাজে। ম্যাডামের স্নান শেষ, প্রসাধন বিহীন মুখ, হালকা ক্রিম কালারের শিফন পড়ে আছেন। চুল এখনও ভেজা। ভীষণ তাজা লাগছে, চেয়ারে বসে কাপে চা ঢেলে আমার দিকে বাড়িয়ে দিল, নিজেও নিল। চা খেতে খেতে আমার গত রাতের কথা মনে পড়ে গিয়ে বেশ লজ্জা লজ্জা লাগছিল। কি জানি ম্যাডাম হয়তো অন্তর্যামীর, বুঝতে পেরে আমার ভাবনায় ছেদ টেনে দিয়ে বললেন, দেবরাজ- অনেক বেলা হল, এবার বাথরুমে যাও- ফ্রেশ হয়ে নাও। আমি হ্যা ম্যাডাম বলে বিছানা থেকে উঠতে গিয়ে হুঁশ করলাম চাদরের তলায় আমার প্যাইজামাটা নেই,গায়ের টি শার্টটাও নেই, এতক্ষণ খেয়াল ছিল না। বুজতে পেরে ম্যাডাম চোখের ইশারায় খাটের কোনে পরে থাকা প্যাইজামা- টিশার্ট দেখিয়ে দিয়ে রুমের বাইরে চলে গেলেন। পোশাক পড়ে নিজের রুমে এসে, বাথরুমে ঢুকলাম। বাথরুম সেরে বেড়িয়ে আমার এক সদ্য বিবাহিত বন্ধুকে ফোন করলাম, জেনে নিলাম ওরা ফুলশয্যার রাতে আর হনিমুনে কি কি করেছিল। বন্ধুর সঙ্গে কথা শেষ হতে না হতেই ম্যাডামের ফোন ঢুকল, দেবরাজ- ব্রেকফাস্ট রেডি চলে এসো। ব্রেকফাস্ট টেবিলে ‘রাখি’ মনে করাল, কি দেবরাজ-আমরা বিচ ড্রাইভে যাচ্ছি তো? জানালাম আমার মনে আছে। ব্রেকফাস্ট শেষ করেই আমরা বিচ ড্রাইভে বেরবো।

alexis_mabille_hot_boys_V_28jun10-FirstVIEW

সমুদ্রের জল অনেকটা নেমে গিয়ে দূরে চলে গেছে। গাড়ী বিচ দিয়ে মাঝারী গতিতে ছুটছে, জানলা দিয়ে মেছো গন্ধের হাওয়া হুড় হুড় করে ঢুকছে। ম্যাডাম পাশের আসনে বসে, হাওয়ায় শাড়ীর আঁচল বেশামাল,বুক আর পেটের অনেকটা অংশ অনাবৃত। আমার চোখ বার বার মিলিয়ে দেখতে চাইছে রাতের মৃদু আলোয় দেখা আর উজ্জ্বল আলোয় দেখার ফারাক আছে কি না। মেয়েদের এসব ব্যাপারে ষস্টেন্দ্রিয় কাজ করে, চোখাচুখি হতেই আমায় চোখের ইশারায় সামনের দিকে তাকাতে বললেন। অখুশি হয়েছেন বলে মনে হল না বরং ওনার শরীরের প্রতি আমার লোভ মাখান আগ্রহ দেখে প্রশ্রয়ের  চোখের ধমক দিলেন। গাড়ী মোহনার কাছে থামিয়ে দিলাম, বললাম আপনারা ঘুরে আসুন আমি অপেক্ষা করছি। ওরা নেমে যেতে আমি গাড়ীর বনেটে হেলান দিয়ে ওদের এলোমেলো ঘোরা দেখছি। ক্রমে ওদের চেহারাগুলো ছোট হয়ে গেল, একা একা কি আর করব! গাড়ীতে গিয়ে বসলাম, গান চালিয়ে দিলাম। খানিক পরে গাড়ীর কাঁচ দিয়ে দেখছি তিনটে চেহারা আগুপিছু হয়ে ফিরছে। কাছে আসতে বুঝলাম গার্গী।গাড়ীতে উঠে, রুমাল দিয়ে মুখের ঘাম মুছে বলল-ধন্যবাদ তোমায়, দারুন জায়গায় নিয়ে এসেছ। একটা ভিজিটিং কার্ড আমার দিকে বাড়িয়ে দিয়ে বলল এটা আমার কার্ড, দরকার পড়লে ফোন করো। তোমার নং টা দেবে? আমি দিলাম। মোবাইলে আমার নং টা সেভ করতে করতে বলল আমাদের এই লেনদেনটা কাউকে বোলো না, আমি না সূচক মাথা নাড়লাম।

লাঞ্চ করে নিজের ঘরে এসি চালিয়ে শুয়ে আছি। দরজায় টোকা পড়ল, আলো জ্বেলে দরজা খুললাম- সামনে ম্যাডাম। আমায় একটু ঠেলেই ঘরে ঢুকে পড়লেন। আলো জ্বালিয়ে রেখেছ কেন? নিজের হাতে আলো নিভিয়ে সটান খাতে গিয়ে শুয়ে পড়লেন। আমায় মৃদু ধমকের সুরে-ভেবলুর মতো দাঁড়িয়ে আছ কেন! কাছে এসো, আমি ভীষণ উত্তেজিত হয়ে আছি, আমায় ঠাণ্ডা করো। আমি মিউমিউ করে বললাম, এখন!! ম্যাডাম বেশ ঝাঁজিয়ে উঠলেন, কেন? সকালে তো এই শরীরের দিকে তাকিয়ে লালা ঝরছিল, লাঞ্চের পর লোভ খাবারের সঙ্গে পেটে ঢুকে গেল! আমি মরীয়া হয়ে বললাম- ম্যাডাম আপনি ঠিক কি চাইছেন বলুন তো? ঝটকা মেরে খাট থেকে উঠে সোজা আমার সামনে এসে দাঁড়াল, এতটাই সামনে যে ওনার গরম শ্বাস টুকু আমার মুখের ওপর পড়ছিল। দুহাতে আমার গলা জড়িয়ে,মুখটা তুলে আমার চোখের দিকে চোখ রেখে অস্ফুটে বলল, দেবরাজ তুমি আমায় পূর্ণতা দাও। ছয় বছর ধরে ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যাওয়া স্বপ্নগুলোকে জোড়া লাগাতে চাই। আমার অতৃপ্ত বাসনার বোঝা আর বইতে পারছি না।আমি আমার মতো করে জোড়া লাগিয়ে ফেরত পেতে চাই শুধু তুমি সঙ্গ দাও।আজ সকালে তোমার চোখে আমার প্রতি যে আগ্রহ দেখেছি তা সত্যি তো? যদি সত্যি হয় তাহলে আমি কথা দিলাম এই শরীরটা তোমার, তুমি তোমার মতো করে চেটেপুটে ভোগ করে নাও। আমি কি জবাব দেব ভেবে পাচ্ছিলাম না। আমার উত্তর না পেয়ে ম্যাডাম আবার জানতে চাইল- দেবরাজ, তুমি কিন্তু জবাব দিলে না। জবাব দেওয়ার বদলে জানতে চাইলাম- এতে আমার কি লাভ? নিজের লাভের কথা বলতে পারব এটা ভেবেই অবাক হলাম। ম্যাডাম আমার হাত ধরে খাটের দিকে নিয়ে যেতে যেতে জবাব দিল, তুমি তোমার সবটুকু দাও তাহলে আমিও সাধ্য মতো তোমায় অদেয় কিছু রাখব না। দুজনেই শরীরের উত্তাপে গলে যেতে থাকলাম। নারী শরীরের নতুন নতুন সুলুক সন্ধানে ভেসে গেলাম। অনুভব করলাম আমি কাল রাতের থেকে আজ বেশী সমর্পিত। ম্যাডামও গত রাতের থেকে আজ বেশী তৃপ্ত। শরীরের মধ্যে উল্কার মতো ছুটে চলা পদার্থটা বেড়িয়ে যেতেই ক্লান্তিতে এলিয়ে পড়লাম- দুজনেই। ম্যাডাম আমায় জড়িয়ে ধরে শুয়ে আছেন, বাথরুমে যাব বলে উঠতে যেতেই, নড়ো না, চুপ করে শুয়ে থাক। বললাম বাথরুমে যাব, আদুরে গলায়- পরে যাবে, এখন লক্ষ্মী হয়ে শুয়ে থাক।

172d3c89-7590-4bb9-94db-8b9a14abbec81176839830

ম্যাডামের ফোন বেজেই চলেছে, চোখ বুজে ম্যাডাম আমায় বললেন দেখ তো কার ফোন। আমি হ্যালো বলতেই ওপারের ধেয়ে এলো কথা- আপনি কে বলছেন, দেবরাজ বলছি। রুমি কোথায়, ওর রুমে ফোন করছি বেজে যাচ্ছে তাই মোবাইলে করলাম। তুমি কি ওর রুমে? না, উনি আমার রুমে। অহহহ আচ্ছা, আমরা নিচে অপেক্ষা করছি আপনি আপনার ম্যাডামকে নিয়ে নিচে আসুন, বলে হেঁসে ফোন ছেড়ে দিলেন। চোখ বুজে থাকলে কি হবে ম্যাডাম সবটাই শুনেছেন। আমি জিজ্ঞাসা করলাম কিছু ভুল বলা হল? ম্যাদাম- একদম না, বলে বিছানা ছেড়ে দরজা খুলে বাইরে বেড়িয়ে গেলেন।

ম্যাদামের আগে আমি নিচে নেমে এলাম। গার্গী-রাখীকে লাউঞ্জে দেখতে না পেয়ে গার্ডেনে এলাম। দুজনে কলকল করে কথা বলছে, আমায় দেখতে পেয়ে একসঙ্গে জিজ্ঞাসা করল-রুমি কই? বললাম আসছে। গার্গী রাখীকে চারটে চা অর্ডার করতে অনুরোধ করল। রাখি চলে গেতেই গার্গী আমায় চেপে ধরল। কি ব্যাপার দেবরাজ,ভালই তো চলছে, করছ করো তবে বুঝে শুনে। কলকাতায় ফিরে আমায় ভুলে যেও না, আমার রুমির মতো আবেগ নেই তবে আমি ন্যায্য পাওনা থেকে কেউকে বঞ্চিত করি না। রুমি আসছে, মনে রেখ এটা তোমার আমার সাবজেক্ট।

mens-health-sex

সকলে ঠিক করল কাল চলে যাব তাই আজ রাতটা আমারা সেলিব্রেট করব এবং দেবরাজও থাকবে। গার্গী ঘোষণা করল আজ আমার ঘরে আসর বসবে। ম্যাডাম দুম বলল, না, দেবরাজের ঘরে বসব। গার্গী মৃদু আপত্তি জানাল কিন্তু জেদ করল না, ঠিক আছে তাই হোক। ম্যাডাম হাঁটা দিয়েচেন আমরা পেছনে। গার্গী চাপা গলায় আমায় বলল- বেশ ভালই কব্জা করেছ। তবে খেয়াল রেখ ওর মুড শেয়ার বাজারের মতো ওঠা নামা করে।

আসর বেশ জমে গেছে, ম্যাডাম আমার পাশে ঘন হয়ে বসে। গার্গী- রাখি গা টেপাটেপি করছে, হালকা দু একটা টোনও কাটল, ম্যাডামের কোন বিকার নেই বরং বার বার ডিনার করার তাগাদা দেওয়াতে আমার মনে হল উনি আসর শেষ করতে চাইছেন। রাখি জানতে চাইল ডাইনিং এ ডিনার করলে কেমন হয়? ম্যাডাম- তোরা যে যার ঘরে করে নে, আমার আর দেবরাজেরটা এখানেই দিতে বলে দে। ঠিক আছে বলে ওরা চলে গেল। খানিক বাদে রাখি ফোনে জানতে চাইল আমরা কি খাব, ম্যাডামকে জিজ্ঞাসা করে বলে দিলাম। খাবার দিয়ে গেছে, ম্যাডাম বাথরুমে গেছেন, উনি এলে আমিও যাব। বাথরুমের দরজা খুলতেই আমি হতবাক, ম্যাডাম শুধু ব্রা আর প্যানটি পরে দাঁড়িয়ে আছে, বাঁ হাতটা কোমরে রাখা ডান হাতটা ঘাড়ের পেছনে। চুল খোলা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *