“সেক্স করি..পরিবার চালাই”পর্ব-৩(ধারাবাহিক)লেখক,দেবাশীষ পাইন।

male-prostituteআমাদের দেখে গার্গী হইহই করে বলে উঠল, বাব্বা- রুমি তুই পারিস বটে। আমাদের বসিয়ে রেখে তুই বেপাত্তা!! আড়চোখে আমার দিকে চেয়ে, কি দেবরাজ, ম্যাডামকে একটু হালকা করেছ তো? আমি কোনও উত্তর না দিয়ে চুপ করে থাকলাম।

রাতের ডিনার বলাই ছিল। ডিনার করার আগে তিনজনেই  ড্রিংক করার ইচ্ছা প্রকাশ করল । আমি রুমে চলে এলাম।সুন্দর হাওয়া দিচ্ছে।বারাণ্ডার একটা চেয়ার নিয়ে বসলাম।ভাবছি, ম্যাদাম আমার বন্ধু হতে চান, আমার সঙ্গ চান, এটা ওনার উদারতা না অন্য কিছু। একাকীত্ব কাটাতে শুধুই বন্ধু চান না তার বাইরে গিয়ে আরও বেশী কিছু? যদি তাই হয়! তক্ষুনি একটা বাংলা গানের কলি মনে এলো—‘আরে ছোড় ছোড়, ক্যা শরম কি বাত- ভদ্দর ঘরকা লেড়কি ভাগে ডারাইভার কা সাথ”, নিজের মনেই হেঁসে ফেললাম। আমি বেশ বুজতে পারছি আমার অবচেতন মনে একটা কৌতূহল তৈরি হয়েছে। আমি শুনতে চাইছি, আমায় নিয়ে কি আলোচনা করে।আর সেই কারনেই বারাণ্ডায়  উৎকর্ণ হয়ে বসে  আছি।

কিন্তু আমি আর আলোচ্য নই। কানে এলোমেলো কথা ভেসে আসছে। ডিনারের অর্ডার, ইন্টারকামে রুম সার্ভিসকে  ঠাণ্ডা জল, সোডা আনার ফরমায়েশ। ক্লান্তি লাগছিল, আর বারান্দায় না বসে বিছানায় গা এলিয়ে দিলাম। ডোর বেল বাজতে তন্দ্রার চটকা কাটল, দরজা খুলতেই সামনে হোটেলের বেয়ারা।স্যার ডিনার করবেন না? আমি জিজ্ঞাসা করলাম ম্যাডামরা? বেয়ারা জানাল, যে যার ঘরে ডিনার সারভ করতে বলেছে। ঠিক আছে আমারটাও তাহলে ঘরেই দিয়ে যাও। রুটি- মুরগীর মাংস  খাওয়া শেষ করে আলো নিভিয়ে শুয়ে পড়লাম।

place-beyond-the-pines_55008268-2048x1365 মাথায় চিন্তার ওলট পালট চলছে। ইন্টারকামের  আওয়াজে চিন্তার তার কেটে গেলো। ফোনের ওপারে ম্যাডাম। দেবরাজ, তুমি কি ঘুমিয়ে পড়েছ? বললাম,না ম্যাডাম,তাহলে এসো না আমার ঘরে।ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখলাম-১২.১৫ মিনিট,এত রাতে কেন ডাকছেন! সন্ধ্যায় ওনার আমার প্রতি আচরণ নিশ্চয় ভাবাচ্ছিল। আমিও ভেতর ভেতর একটা নিষ্পত্তি চাইছিলাম, কতদুর কি চাইছেন সেটাই দেখা যাক। জল কতদুর গড়ায়, দেখেই ছাড়ব, মনে মনে স্থির করে সোজা ম্যাডামের রুমের দিকে হাঁটা দিলাম।দরজায় টোকা না দিয়ে আলতো চাপ দিতেই খুলে গেল।ভেতর থেকে গলার আওয়াজ পেলাম-কে,দেবরাজ? বললাম হ্যা,ভেতরে চলে এসো। কলিডোরের উজ্জ্বল আলো থেকে রুমের মৃদু আলোতে প্রথমে ঠাওর করতে পারছিলাম  না। খানিক চোখ ধাতস্ত হতে দেখলাম ম্যাডাম ফিনফিনে আকাশী মাক্সি পরে আলুথালু হয়ে বিছানায় আধশোয়া । আমি কি বলব ভেবে না পেয়ে স্নানুর মতো দাঁড়িয়ে আছি। কি হোল দেবরাজ, দাঁড়িয়ে আছ কেন? বোশ। গলাতে নেশার ঘোলাতে ছোঁয়া। খাটের পাশে রাখা চেয়ারটায় গিয়ে বসলাম। দেখছি,ম্যাডাম হাতের তালু দিয়ে পরম আদরে বিছানার চাদরে হাত বোলাচ্ছে। হটাত বলে উঠলেন, এতো রাতে তোমায় ডাকলাম বলে তুমি কি বিরক্ত হলে? ছি-ছি ম্যাডাম, বিরক্ত হব কেন। বলুন কোনও বিশেষ কাজ আছে কি? না না, তোমার সঙ্গে স্রেফ গল্প করব বলে ডাকলাম। আদুরে গলায় বলে উঠলেন-  ভীষণ বোর লাগছে জান। বাড়িতে একা থাকি দম বন্ধ হয়ে থাকে, হৈ হৈ করব বলে এখানে এলাম, এতক্ষণ তাই করছিলাম। ওরা চলে যাবার পর যেই রুমের দরজা বন্ধ করলাম আবার একাকীত্ব গলা টিপে ধরল। দেবরাজ, আমি আরও একটু  ড্রিংক করব, তুমি সঙ্গ দেবে? তুমি-আমি ড্রিংক করতে করতে আড্ডা মারব। ঘুম পেলে শুয়ে পরবো। ঠিক আছে ম্যাডাম, আপনি চাইলে আমি সঙ্গ দেব কিন্তু আপনি ইতিমধ্যে অনেকটাই ড্রিংক করে ফেলেছেন,আর না খেলেই কি নয়।

alexis_mabille_hot_boys_V_28jun10-FirstVIEW

আকুল হয়ে পার্থনা করলেন, প্লীজ দেবরাজ আজ রাতটুকু আমায় খেতে দাও, তুমি আমার সঙ্গে থাক। তাহলেই আমি আমার ফেলে আসা অনেক তিক্ততা খানিকক্ষণের জন্য ভুলতে পারব। ভয় পেয় না, আমি মাতাল হই না। আজ তুমি ঢেলে দাও, আমি খাবো। আমি আজ তোমার হাত দিয়ে সব ভুলতে চাই। দ্বিরুক্তি না করে ঠিক আছে বলে গ্লাসে মদ ঢালতে শুরু করলাম,  হুঁশ করলাম আমি আর নার্ভাস হচ্ছি না। ভবিষ্যৎ পরিনতি কি হতে পারে তা নিয়ে মনে ছিটে ফোঁটাও শঙ্কা নেই। কেমন নিজের অজান্তে কক্ষ পথের বাইরে চলে যাচ্ছি। নিজেকে রোখার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছি। হাত একটুও কাঁপল না, ম্যাডামের দিকে মদের গ্লাস বাড়িয়ে ধরলাম-নিন ম্যাডাম। গ্লাস নিতে গিয়ে আলতো ছোঁয়াও লাগলো,ম্যাডাম মুছকি হেঁসে নিজের পাশে পড়ে  থাকা আরও একটা বালিশ খাটের মাথার দিকে খাড়া করে দিয়ে আমায় বসতে বললেন। এই বালিশটায় হেলান দিয়ে বশ। দ্বিরুক্তি না করে, বসলাম। দুজনে পাশাপাশি পা ছড়িয়ে বসে,হাতে মদের গ্লাস, সামনে টিভিটা চলছে তবে মিউট করা। দুজনের  কারোর মুখে কোনও কথা নেই, ম্যাডামের মাথাটা খানিক পরেই আমার কাঁধে নেমে এলো, চোখ দুটো বোজা। অস্ফুটে শুধু বললেন- নোড়ো না, আমি এইভাবে খানিকক্ষণ থাকতে চাই।

mens-health-sex

কাঠের পুতুলের অবস্থা আমার, পরিস্থিতি বদলাতে উপায় খুঁজছি। বাধ্য হয়ে ডেকেই বসলাম , ম্যাডাম আপনার হাতের গ্লাস তো শেষ, আর কি নেবেন? কোনও সাড়া নেই।খানিক পড়ে  ম্যাডাম-গভীর স্বরে‘হুউউউ’করে সাড়া দিলেন, যেন ঘুমের খাদ থেকে উঠলেন, কিছু বলছ? ম্যাডাম, আপনার গ্লাসে ড্রিংক শেষ-আর দেব? হ্যা নেব কিন্তু তার আগে বাথরুমে যাব।খাট থেকে উঠতে গিয়ে একটু টোলে গেলেন। ডান হাত দিয়ে দেওয়াল ধরে সামলেও  নিলেন। আমি ততক্ষণে খাট থেকে উঠে  পাশে গিয়ে দাঁড়িয়েছি, যদি সাহায্য লাগে। চোখ ঘুরিয়ে আমার দিকে তৃপ্তির হাসি হাসলেন, বাঁ-হাতটা আমার কাঁধে রেখে ডান-হাত দিয়ে বাথরুমের দরজা খুলে ঢুকে গেলেন। আমি বাথরুমের  দরজার বাইরে দাঁড়িয়।

অনেকক্ষণ কোনও সাড়াশব্দ নেই। ভেতরে কি করছেন কি করে জানব! হটাত ভেতর থেকে অয়াক অয়াক করে বমির আওয়াজ পেলাম,বাইরে দাঁড়িয়ে স্থির করতে পারছি না ঠিক কি করা উচিৎ। বমির আওয়াজ থামতেই  জল ঝরার আওয়াজ পেলাম।ভেতরে  কি করছে রে বাবা! বিপদ না হয়, না, আর ভাবার দরকার নেই। বাথরুমের দরজা ঠেলতেই খুলে গেল।

172d3c89-7590-4bb9-94db-8b9a14abbec81176839830

হুড়মুড়িয়ে ভেতরে ঢুকলাম আর তার পরেই আমার  শরীরের সব ইন্দ্রিয়গুলো স্থির হয়ে গেল। শাওয়ার দিয়ে অঝোর ধারায় জল পড়ছে, ঐ ফিনফিনে আকাশী ম্যাক্সিটা পরে ম্যাডাম তার তলায়! জল মাক্সির অস্তিত্ব বিলোপ করে দিয়েছে। ম্যাক্সি ভেদ করে শরীরের  সব দৃশ্যমান, লোমকূপ অবধি। মুচকি হেঁসে,ব্যাঙ্গ করে জানতে চাইছে- কি, এখন লোভনীয় মনে হচ্ছে? ছিটকে বাথরুমের বাইরে এলাম। এলোপাতারি ম্যাডামের সুটকেস হাতড়ে একটা শুকনো মাক্সি নিয়ে বাথরুমে গেলাম,শাওয়ারের কলটা বন্ধ করে ম্যাডামকে ম্যাক্সিটা পরে নিতে বলে বাইরে বেড়িয়ে এলাম। আমার মাথা ঝিম ঝিম করছে,এই প্রথম কোনও মহিলাকে পূর্ণরূপে দেখলাম।জীবন্ত নারী রূপ চাক্ষুষ করলাম।পত্র-পত্রিকায় ছবি দেখেছি কিন্তু সে দেখা,আর এ দেখা অনেক অনেক তফাত!! এ দেখায় ২৮ বছরের তরুনের দুকান দিয়ে গরম হাওয়া বেরোয়। ব্রম্ভতালুতে হাতুড়ির বাড়ী পড়ে। নাভির নিচে গাণ্ডীবের টঙ্কার পড়ে, ভেঙ্গে ফেলে দিতে পারে সব উচিৎ-অনুচিত, দুরমুশ করে সব সামর্থ্য আর সামাজিক শ্রেণীর বিন্যাস।

**বাকি অংশ পরের সপ্তাহে।<<মতামত জানান>>

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *