সেক্স করি…পরিবার চালাই(পর্ব-৫)

male-prostituteউত্তাল শরীরী খেলায় ক্লান্ত হয়ে দুজনেই ঝিমিয়ে পড়েছি। ঘরে ফুলদমে এসি চলছে তবুও আমি ঘেমে একসা। ম্যাদাম আমার গায়ে হাত দিয়ে ডাকলেন, জান দেবরাজ অনেক দিন পর আরও বেশী বেশী করে বাঁচতে ইচ্ছে করছে। একাকিত্তের অন্ধকারে নিজেকে হারিয়ে ফেলেছিলাম। তুমি আমায় ফেরত আনলে। দেখুন ম্যাডাম আপনার তো সব আছে, স্যারের মতো মানুষ আপনার স্বামী, টাকা-পয়সা, সমাজে মান পতিপত্তি- সবই, তবুও কেন এভাবে সুখের সন্ধান করছেন- আমি বললাম। দীর্ঘশ্বাস ফেলে ম্যাডাম বললেন তোমার স্যারকে ভালবেসে বাবার অমতে বিয়ে করেছিলাম। আমাদের ফার্মে হিসাবের খাতা লেখার কাজ করতে এসেছিল। নিজের কর্মচারীর সঙ্গে বিয়ে দিতে বাবা কিছুতেই রাজী ছিল না। বলেছিল, যাদের সকালে খাওয়ার পর রাতে কি খাবে ঠিক নেই সে তোমায় বিয়ে করে  খাওয়াবে কি।

alexis_mabille_hot_boys_V_28jun10-FirstVIEW

আমার জেদের কাছে বাবা হার মেনেছিল। বিয়ের প্রথম রাতেই আমার মনে হয়েছিল আমি ধর্ষিতা। সৎ, কর্মঠ, লাজুক ছেলেটি বিছানায় অমন বনমানুষ হয়ে উঠতে পারে আমার ধারনায় ছিল না। প্রতিরাতে ধর্ষিতা হয়েছি। আমার স্বপ্নগুলোকে, মনের সুক্ষ পরতগুলোকে দোলে কচলে দিয়েছে। ঠিক যেমন ভাবে গোলাপের বাগানে হনুমান এসে করে যায়। ওর আদায়ের হিংস্রতায় আমি ধিরে ধিরে ওর থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছি। এই বেশ আছি- ও ওর মতো আমি আমার মতো।

ব্রেকফাস্ট করে বেরোতে বেরোতে ১১ টা বেজে গেল। লাঞ্চ করব কোলাঘাটে। যাবার সময় গাড়ীতে যেমন খলবল কথা চলছিল ফেরার সময় তেমন হচ্ছে না। টুকটাক। ম্যাডাম গুনগুন করে গান গাইছেন, কখনও নিজের হাতে সিডি বদলে বদলে গান শুনছেন। বেশ ফুরফুরে মেজাজে আছেন। কোলাঘাটে লাঞ্চ সেরে বেরলাম ২,২৫ নাগাদ আসা করি ৪।৩০ কলকাতায় পৌঁচে যাব। পাক্কা বিকেল ৪।৩০ মিনিটে রাখি আর গার্গীকে নামিয়ে ম্যাডামের বাড়ী এলাম। মালপত্র তোলার জন্য নিচে লোক অপেক্ষা করছিল। ম্যাডাম আমায় ওপরে এসে চা খেয়ে যেতে বললেন কিন্তু আমি রাজী হলাম না। গাড়ী গ্যারেজ করে ব্যাগ নিয়ে চলে আসতে যাচ্ছি ম্যাডামের খাস কাজের মেয়ে ববি আমার হাতে একটা বাদামী রঙের খাম ধরিয়ে দিল। বলল- এটা ম্যাডাম দিলেন, কাল কটায় কাজে আসতে হবে ম্যাডামকে ফোন করে জেনে নিতে। স্ট্যান্ড থেকে সাইকেল নিয়ে বাড়ীর দিকে চললাম। খামের ভেতর কি আছে দেখার জন্য ছটফট করছিলাম। বাড়িতে পৌঁচে ব্যাগটা কোনমতে মায়ের হাতে দিয়ে খাম খুলতে শুরু করলাম। ভেতরে টাকা!! গুনে দেখলাম ১০০০০ টাকা। মা আমার হাতে এতগুলো টাকা দেখে জানতে চাইল কে দিয়েছে- কি ভাবে পেলাম। মাকে বললাম ম্যাডাম দিয়েছে শুধু যা বলতে পারলাম না সেটা- এ টাকা তোমার ছেলে তার কৌমার্য বিসর্জন দিয়ে রোজগার করেছে। আমি আজ থেকে লাল মহল্লার শ্রমিক তফাত শুধু ওরা থাকে পট্টিতে আমি বাড়িতে।

place-beyond-the-pines_55008268-2048x1365

দিন চারের পরে গার্গীর ফোন এলো। দেবরাজ কেমন আছ, তুমি তো আর ফোন করলে না তাই আমিই করলাম। এটা সেটা কথার পর জানতে চাইল আমি ফ্রি আছি কিনা। জানালাম- না, রাত ৮ টার আগে ছুটি পাব বলে মনে হয় না। কলকাতার একটি পাঁচতারা হোটেলে রাত ৯ টায় আমি আসতে পারবো কিনা গার্গী জানতে চাইল। আমি জিজ্ঞাসা করলাম কি জন্য আসতে বলছেন। আরে এসোই না, এলে পরে কথা হবে। যদি আসো তাহলে তুমি কোথায় দাঁড়াবে আমায় ফোন করে জানিয়ে দিয় আমার গাড়ী তোমায় তুলে নিয়ে আসবে, গার্গী বলল। ম্যাডামের কাছে ৬ টায় ছুটি চাইলাম। জানতে চাইলেন এতো তাড়াতাড়ি কোথায় যাবে, কোনও অনুষ্ঠান আছে, কই সকালে বলনি তো,একসঙ্গে এতগুলো কথা ম্যাডাম জানতে চাইল। না না কোথাও যাব না, আজ শরীরটা ঠিক লাগছে না তাই বাড়ী চলে যেতে চাই। সোফা থেকে উঠে আমার কপালে হাত রাখলেন ম্যাদাম, কই গা তো ঠাণ্ডা! আমি ম্যাডামের রকম সকম দেখে ঠাণ্ডা গলায় বললাম ছুটি দিলে দিন নাহলে আমি নিচে গাড়ীতে গিয়ে বসছি। চোখ সরু করে আমার দিকে তাকালেন- ঠিক আছে যাও।

বাড়িতে এসে ঝটপট স্নান করে নিলাম। আলমারি খুলে নতুন উপহার পাওয়া পোশাকের মধ্যে একটা কালো জামা আর জিনসের প্যান্ট পরে নিলাম। মন্দারমুনি থেকে ফেরার পর ম্যাডাম বেশ কয়েকটা ব্রান্ডেড পোশাক উপহার দিয়েছেন। গার্গীকে ফোন করে জানিয়ে দিলাম কোথায় দাঁড়াব।ড্রাইভারের কথা মতো বাড়ী থেকে পায়ে হেঁটে নির্দিষ্ট দাঁড়াবার জায়গায় গিয়ে দেখলাম একটা কালো রঙের হুন্ডা সিটি পাকিং করা। দরজা খুলে বসলাম। হোটেলে পৌঁচে গার্গীকে ফোন করলাম ও বলে দিল কোন তলায় আসতে হবে। মন্দারমুনি থেকে ফেরার পর  ম্যাডামের সঙ্গে বড় বড় হোটেলে বেশ কয়েকবার আসতে বেশ সড়গড় হয়ে উঠেছি। লিফটের সামনে গার্গী অপেক্ষা করছে। বেশ আন্তরিক হয়ে আমার হাত ধরে পেল্লায় একটা দরজা খুলে বিশাল হলঘরে প্রবেশ করাল। হলঘরের ভেতরে কানফাটা মিউজিক বাজছে, আধ অন্ধকার, লেসারের আলো পিছলে পিছলে খেলা করছে হল জুড়ে। গার্গী আমার কানের কাছে মুখ নামিয়ে অপেক্ষা করতে বলে চলে গেল, নিকটে দাঁড়ান বেয়ারাকে নির্দেশ দিয়ে গেল আমার কি লাগবে খেয়াল রাখতে।

172d3c89-7590-4bb9-94db-8b9a14abbec81176839830

বেয়ারাটি কি পানীয় নেব জেনে নিয়ে একমিনিটেই আমার হাতে ধরিয়ে দিয়ে গেল। কিছুক্ষণ পরে গার্গী এক ভদ্র লোককে নিয়ে আমার কাছে এলো-দেবরাজ আলাপ করিয়ে দি ইনি আমার হাসবেন্ড। আলাপ করলাম। উনিও একটা ড্রিংক নিলেন, খুচরো কথা চলছে আমাদের মধ্যে। অনেকে গার্গীর কাছে আসছে কথা বলে চলে যাচ্ছে। গার্গী বেশ পপুলার। গার্গীর স্বামিকে লক্ষ্য করলাম কেমন অস্থির অস্থির ভাব, গার্গীকে চোখের ইসারা করে কি যেন জানতে চাইছেন। হাততুলে গার্গী ওনাকে আশ্বস্ত করল। হাতে চাপ অনুভব করলাম, গার্গী দিচ্ছে, আমায় হলের বাইরে আসতে ইঙ্গিত করল। হলের বাইরে লম্বা কলিডর সেখানে সোফা পাতা- দুজনে বসলাম। দেখ দেবরাজ আমি ভনিতা করে কথা বলতে পারি না। এই হোটেলে একটা ফোর বেডেড রুম আমাদের বুক করা আছে। অহহ আজ আপনারা থাকছেন এই হোটেলে? না আমরা থাকতে আসিনি- জবাব দিলো গার্গী। আমি এবং আমার স্বামী কাপল সেক্স করতে চাই। তোমাকে ওই কারণে ডাকা। তুমি কি রাজী আছ? কাপল সেক্সটা কি আমি জানতে চাইলাম। আমরা স্বামী- স্ত্রী দুজনেই একই ঘরে সেক্স করব কিন্তু পার্টনার আলাদা। যেমন, যদি রাজী হও তাহলে তুমি আমার সঙ্গে অন্য মেয়ে আমার স্বামীর সঙ্গে। এই কাজের জন্য তুমি অবশ্যই ভালো পারিশ্রমিক পাবে। কি দেবরাজ, রাজী আছ? ইদানীং সেক্স করাটা বেশ নেশায় পেয়ে বসেছে, হাতেও কাঁচা টাকা আসছে, পেটেও মদ ছিল- আমি হ্যা বলে দিলাম।

 

mens-health-sex

এক ঘরে স্বামী- স্ত্রী দুজনে সম্পর্ক বহির্ভূত নারী পুরুষের সঙ্গে যৌনক্রীড়া করতে পারে আমার ধারনায় ছিল না। কাজ হয়ে যাওয়ার পর দুজনের চোখে মুখে কোনও গ্লানি লক্ষ্য করিনি বরং তৃপ্তির আভা দেখেছি। দুজনেই দুজনার চোখে চোখ রেখে হাসতে হাসতে কতটা তৃপ্তি পেয়েছে সেই আলোচনাই করছিল। স্বামী আমাদের দুজনের হাতে খাম ধরিয়ে দিল আমরা রুমের বাইরে চলে এলাম। রুমের বাইরে বেড়িয়ে মেয়েটিকে আমার ফোন নং দিলাম ওরটাও নিলাম।  চলে যাব না দাঁড়াব ভাবছি, গার্গীর ফোন এলো, আমায় অপেক্ষা করতে বলল। রুমের বাইরে এসে গার্গী আমার হাতে আরও একটা খাম ধরিয়ে দিয়ে বলল ডিনার করে যাও, নিচে গাড়ী অপেক্ষা করছে যেখানে যেতে চাও গাড়ী তোমায় নামিয়ে দেবে। মিষ্টি হেঁসে বলল, আশা করি আমরা প্রফেসানাল রিলেশনটা বজায় রাখব বলে চলে গেল। আমি আরও দুটো ড্রিংক নিলাম, গুছিয়ে ডিনার করে বাড়ী এলাম। স্বামীর খামে দশ হাজার, গার্গীর টায় পাঁচ হাজার। মোট পনেরো হাজার।এই রোজগারের বহর চলতে থাকলে আমার নিজেকে পুরুষ বেশ্যা বলতে কোনও কুণ্ঠা নেই।

সেদিনের পর থেকে গার্গীর সঙ্গে আমার অনেক দিন পর্যন্ত সম্পর্ক ছিল। কাপল সেক্সের বাইরেও শুধু আমার-গার্গীর বহু যৌনক্রিয়া হয়েছে। সব সময় উপযুক্ত পারিশ্রমিক দিয়েছে, পারস্রমিকের বাইরে গিয়েও অনেক দিয়েছে। একসময় মাষে সাত- আটবার মিলিত হয়েছি পরে ধিরে ধিরে ফিকে হয়ে গেছে আমাদের সম্পর্ক। আসলে সম্পর্ক তো কিছু ছিল না যা ছিল সেটা শরীরের একঘেয়েমি কাটানোর খেলা। যে একঘেয়েমি একদিন গার্গীকে স্বামীর শরীর থেকে আমার শরীরে ঝুকিয়েছিল হয়তো একই একঘেয়েমির কারণে গার্গী অন্য শরীর খুঁজে নিয়েছে। মাঝে মাঝে গার্গীর ফোন আশে  কথা বলি কিন্তু গার্গীকে আর বিছানায় সময় দিতে ইচ্ছে করে না। হয়তো একঘেয়েমির কারণে! এছাড়াও  আরও একটা বড় কারণও আছে- গার্গী সেই ১০০০০ হাজারেই আটকে আছে, নতুন ক্লায়েন্টরা অনেক বেশী দেয়।

(চলবে)

 

 

 

 

 

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *