লেখায়, বিষয় বৈচিত্র্যে অনায়াস বিচরণ করেছেন সাহিত্যিক নারায়ন সান্যাল।

220px-NarayanSanyallhome

১৯২৪ সালে ২৬সে এপ্রিল নদিয়ার কৃষ্ণনগরে নারায়ন সান্যাল জন্মগ্রহন করেন। নারায়ণ সান্যাল সাহিত্য জীবনে নানান ধরণের লেখা লিখেছেন, ঐতিহাসিক উপন্যাস- মহাকালের মন্দির, লাড্লী বেগম, গবেষণা মূলক উপন্যাস- আমি নেতাজিকে দেখেছি, কল্পবিজ্ঞান- নক্ষত্রলোকের দেবতারা, রহস্য- কাঁটা সিরিজ, স্থাপত্য- রোঁদ্যা, জন্তুজানোয়ারদের জগৎ- তিমি-তিমিঙ্গিল, না-মানুষী বিশ্বকোষ, বাস্তুবিজ্ঞান- বাস্তুবিজ্ঞান, গ্রামের বাড়ি ইত্যাদি। বাংলা সাহিত্যে বিষয়ের এত বৈচিত্র্য খুব অল্প লেখকের লেখাতেই চোখে পড়ে। নারায়ণ সান্যালের উপন্যাস ‘দণ্ডক শবরী’ দেশ পত্রিকায় ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশিত হয় পরে ১৯৬২ সালে পুস্তাকাকারে প্রকাশিত হয়।

নারায়ণ সান্যাল পেশায় ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন। ১৯৪৮ সালে শিবপুর থেকে বি.ই.পাশ করে পাবলিক ওয়ার্কস ডিপার্টমেণ্টে (P.W.D) অ্যাসিস্টেণ্ট ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে যোগ দেন।প্রায় ২০০ টিরও বেশী বই লিখেছেন এবং বেশিরভাগ পেশার ফাঁকে ফাঁকেই লিখেছেন।

১৯৫৫ সালে নারায়ণ সান্যালের প্রথম উপন্যাস ‘বকুলতলা পি.এল. ক্যাম্প’ প্রকাশিত হয়। এর আগে অবশ্য ১৯৫৫ সালে ‘মুশকিল আসান’ নামে একটি নাটক লেখেন।

বকুলতলা পি.এল. ক্যাম্প নারায়ণ সান্যালের শ্রেষ্ঠ কীর্তিগুলোর মধ্যে পড়ে। ঐ প্রথম উপন্যাসেই উনি বহু তরুণ পাঠকের মন জয় করেছিলেন। 

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *