প্রথম দিনেই বেস্ট সেলার ব্লেয়ারের ‘অ্যা জার্নি’

downloadহাটে হাঁড়ি ভেঙে দিয়েছেন টনি ব্লেয়ার। ব্লেয়ারের প্রধানমন্ত্রিত্বের সময় ব্রাউন ছিলেন অর্থমন্ত্রী। ব্রাউন-ব্লেয়ারের সম্পর্ক যে খারাপ ছিল, এটা বিশ্বরাজনীতি-সচেতন সবাই জানত। কিন্তু ওই জানার বাইরে গিয়ে বাস্তবিক সম্পর্কটা কত বেশি খারাপ ছিল তা প্রকাশ করেছেন ‘অ্যা জার্নি’ বইটিতে।টনি, ব্রাউনকে অদ্ভুত ধরনের মানুষ হিসেবে উল্লেখ করে লিখেছেন, ব্রাউন খুবই জটিল এবং কখনো কখনো বিরক্তিকর।  তিনি ব্রাউনের রাজনৈতিক কূটকৌশলের প্রশংসা করেছেন এবং শক্তিশালী রাজনীতিবিদ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন।প্রাক্তন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর ৬০০ পৃষ্ঠার এই বই বাজারে আসার আগেই গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

বইটিতে গর্ডন ব্রাউনের সঙ্গে তার সম্পর্ক, ইরাক যুদ্ধ, ১৯৯৪ সালে লেবার পার্টির নেতা হিসেবে তার নির্বাচন, ডায়নার মৃত্যু, টুইন টাওয়ারে হামলার ঘটনা এবং উত্তর আয়ারল্যান্ডের শান্তি আলোচনা তুলে ধরেছেন ব্লেয়ার। এছাড়া তুলে ধরেছেন নেলসন মেন্ডেলা, বিল কিনটন, ভাদিমির পুতিন ও জর্জ বুশসহ পৃথিবীর বড় বড় রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে তার সম্পর্কের কথা।

ইরাক যুদ্ধ সম্পর্কে উক্তি, এটা তার ভুল ছিল না এবং মনেপ্রাণে বিশ্বাস করেন। এ ব্যাপারে তার কোনো অনুশোচনা নেই। তবে ওই যুদ্ধে সেনা ও সাধারণ নাগরিকদের মৃত্যু তাকে কাঁদিয়েছে। তিনি লিখেছেন, সাদ্দাম হোসেনকে ইরাকের শাসনমতায় থাকতে দেওয়া হলে তা অত্যন্ত ঝুঁকির কাজ হতো। সাদ্দামের ছেলেরা ক্ষমতায় এলে অবস্থা আরও খারাপ হতো।

ব্যক্তিগত জীবনের কথা তিনি লিখেছেন তার বইয়ে। রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের সঙ্গে তার সম্পর্ক থেকে শুরু করে অনেকের সঙ্গেই তার সুসম্পর্কের কথা তিনি লিখেছেন। এমনকি বাদ দেননি তার পানাভ্যাসের কথাও। তিনি সুরা পানের কথা অবলীলায় স্বীকার করেছেন। লিখেছেন, সন্ধ্যায় জিন অ্যান্ড টনিক বা হুইস্কির পর ডিনারে আধা বোতল পর্যন্ত তিনি ওয়াইন পান করেন। তবে তিনি এতে আসক্ত নন। কাজের চাপের মধ্যে কান্তি আর অবসাদ মুক্ত হতে তার এটা দরকার ছিল।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *