থাইল্যান্ডের দম্পতিরা সবচেয়ে বেশি বিশ্বাসঘাতক

12386006-CHIANG-MAI-THAILAND-FEBRUARY-4-Traditionally-dressed-Thai-couple-in-procession-on-Chiang-Mai-36th-Fl-Stock-Photoফিচারঃ নারী কখন অসতী হন? পুরুষ কেন তার স্ত্রীর প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা করেন? সম্পর্কের এই বিশ্বাসঘাতকতা  কি কোন বিশেষ জাতি বা দেশের ওপর নির্ভর করে? হ্যাঁ করে।এমনটাই বলছে কনডোম তৈরির আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ‘ডিউরেক্স’। কোম্পানিটি দীর্ঘদিন এক সমীক্ষা চালানোর পর এমন একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে যেখানে কোন দেশের নারী কিংবা পুরুষদের মধ্যে বিশ্বাসঘাতকতার পরিমাণ কতোটা তা উঠে এসেছে। তালিকা অনুযায়ী, বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বিশ্বাসঘাতক হচ্ছেন থাইল্যান্ডের দম্পতিরা। দেশটির ৫১ শতাংশ মানুষ কোনো না কোনো সময় তাদের পার্টনারের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। এর পরের অবস্থানেই রয়েছে ফিনল্যান্ড। দেশটিতে এই পরিমাণ শতকরা ৪৬ ভাগ।

বিশ্বাসঘাতকতার দিক থেকে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ইতালি। দেশটির শতকতরা ৪৫ জন নারী ও পুরুষ তাদের পার্টনারের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। চতুর্থ অবস্থানে থাকা জার্মানিতে এই সংখ্যা ৪৫ শতাংশ। ফ্রান্স বললেই মনে পড়ে ভালোবাসার

‘প্যারি’, মানে প্যারিসকে। অথচ এই ভালোবাসা কিন্তু সারা জীবনের জন্য কাউকে ভালোবাসা না-ও হতে পারে৷ একই সময়ে একাধিক মানুষের প্রতি ভালোবাসা কোনো অদ্ভুতুড়ে কাণ্ড নয় ফরাসিদের কাছে। আর সে কারণেই হয়ত ফরাসিদের ৪৩ শতাংশ মানুষ নিজের সঙ্গীর প্রতি বিশ্বাসী নয়। তালিকায় ষষ্ঠ অবস্থানে থাকা নরওয়ের মোট ৪১ শতাংশ নারী-পুরুষ দাম্পত্য সম্পর্কে ছলনা বা মিথ্যাচারের আশ্রয় নেয়। আর বেলজিয়ামের ৪০ শতাংশ মানুষ কোনো না কোনো সময় তাদের পার্টনারের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। ক্যাথলিক স্পেনের প্রায় ৩৯ শতাংশ নারী-পুরুষ মিথ্যাচারী বলে দাবি করা হয়েছে ওই গবেষণা প্রতিবেদনে। নিজের সঙ্গী থাকার পরও অন্য নারী বা পর-পুরুষের প্রতি আকর্ষিত হয়ে থাকে যুক্তরাজ্যের প্রায় ৩৬ শতাংশ মানুষ। অন্যের সঙ্গে সম্পর্কেও জড়িয়ে পড়েন তারা। তালিকায় ১০ম অবস্থানে থাকা ফিনল্যান্ডের অবস্থাও ব্রিটেনের মতোই। এ দেশেরও ৩৬ শতাংশ নর-নারী ব্যভিচারের শিকার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *