কৃষ্ণগহ্বর বিজ্ঞানী স্টিফেন উইলিয়াম হকিং চলে গেলেন মহাশূন্য লোকে।

Mandatory Credit: Photo by REX/Shutterstock (4451661a) Professor Stephen Hawking Professor Stephen Hawking at the Centre of Applied Maths and Theoretical Physics, Oxford, Britain - 12 Apr 2013

জীবনকে কখনও কখনও কঠিন মনে হলেও তা থেকে কোনো না কোনো সাফল্য অর্জন সম্ভব।

এই মহান উক্তি বুঝিয়ে দেয় কতটা দৃঢ় মানসিকতার অধিকারী ছিলেন স্টিফেন হকিং। হুইল চেয়ার বিজ্ঞানী নামে পরিচিত ছিলেন স্টিফেন হকিং। তার পুরো নাম স্টিফেন উইলিয়াম হকিং। বিশিষ্ট ইংরেজ তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী ও গণিতজ্ঞ হিসেবে বিশ্বের সর্বত্র পরিচিত ব্যক্তিত্ব। তাঁকে বিশ্বের সমকালীন তাত্ত্বিক পদার্থবিদদের মধ্যে অন্যতম হিসাবে বিবেচনা করা হয়।

আকাশের তারার দিকে তাকান, নিচের দিকে নয়। বিস্ময়কর মহাবিশ্বকে অনুভব করুন কৌতূহল নিয়ে।

এই উক্তির মাধ্যমে উক্তির স্রষ্টা মহাকাশ প্রেমের পরিচিতি মেলে।
ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণ গহ্বর বলতে আমরা যে বস্তুর কথা সাধারণত কল্পনা করে থাকি আদতে সেরকম কিছু নেই- এমন দাবি করে নিবন্ধ লেখা পদার্থবিজ্ঞানীকে নিয়ে সবাই বেজায় হাসি ঠাট্টাই করত।কিন্তু যখন মহাজাগতিক সংকোচনশীল বস্তুকে নতুন করে সংজ্ঞায়নের কথা বলেন খোদ স্টিফেন হকিং, তখন তা আর তামাশা করার বিষয় থাকে না।এক নিবন্ধে আধুনিক ব্ল্যাক হোল তত্ত্বের অন্যতম জনক কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক এই পদার্থবিদ বলেছিলেন, কৃষ্ণ বিবরকে ঘিরে থাকা ইভেন্ট হরাইজন নামের কথিত অদৃশ্য প্রাচীর বা সীমানার অস্তিত্ব নেই।
নেচার পত্রিকাকে হকিং বলেছিলেন, ধ্রুপদী কৃষ্ণ গহবর তত্ত্বে এর থেকে কোনো কিছু বের হওয়ার কোনো পথ নেই।“যদিও কোয়ান্টাম তত্ত্বে শক্তি ও কৃষ্ণ বিবর সম্পর্কিত তথ্যের ব্ল্যাক হোল থেকে বেরিয়ে আসার রাস্তা পাওয়ার কথা।”
সমস্ত শারীরিক অক্ষমতাকে অগ্রাহ্য করে চালিয়ে গেছেন পদার্থবিদ্যা ও গণিতের নিরলস সাধনা।
তাই তার মহান উক্তি
“শারীরিকভাবে অক্ষমদের প্রতি আমার উপদেশ- আপনার কাজের প্রতি মনোযোগ দিন, অক্ষমতা আপনাকে আটকাবে না। শারীরিকভাবে পঙ্গুত্ব থাকতে পারে, মানসিকতা দিয়ে সেটিকে জয় করতে হবে।”
এই মহান বিজ্ঞান সাধের আত্মার চির শান্তি কামনা করি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *