কবিতা– “তুই মানে তো”, গৌতম বিশ্বাস

u75355_462359_199749তুই মানে তো ছেলেবেলা।

গুলি ডাংগুলি গোল্লাছুট।

পুকুর ঘাটে কাদা মেখে ভুত।

চিৎ সাঁতারে পেরিয়ে যাওয়া এপার থেকে ওপার।

ডুব সাঁতারে লুকিয়ে খেলা।

বর্ষা এলে ভাসানো ভেলা।

তুই মানে তো কৈশোরে পথ চলা।

এক কিশোরীর মোহে একই কথা বলা।

নরম ছোঁয়ার গরম গল্প।

কৈশোরেতে সময় বড় অল্প।

তুই মানে তো যৌবনে পা, গোঁফের রেখা।

লুকিয়ে লুকিয়ে বৌদি দেখা।

কল্পনাতে সহবাসের হরেক চিত্র আঁকা।

প্রথম সিগারেট, প্রথম মদ, প্রথম নীল হলুদ বই।

সে সব দিন কই?

আমি মানে তো কর্ম জীবন, একা চলার শুরু।

লড়াই করে বাঁচতে গিয়ে নতুন যে কেউ তখন আমার গুরু।

ভুলে গেলাম ছোটবেলা, কৈশোর যৌবন।

আমি মানে তো আমার জীবন আমার মতো চলা।

চলা মানেই একঘেয়েমি এক আকাশে ওড়া।

আমি মানে তো মধ্যগগন। ফেরার পালা।

বুকের ভেতর জমে থাকা হাঁপানি আর কাশি।

মধুমেহ, রক্তচাপ, কৈশোর যৌবনের যত পাপ।

আমি মানে তো তেপান্তর সাত সাগরের পার।

তুই মানে তো নীল আকাশে চাঁদের পাহাড়।

তুই মানে তো বন্ধু আমার।

গৌতম বিশ্বাস

গৌতম বিশ্বাস

  

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *