এই সপ্তাহের বই– ‘হিমালয়’, জলধর সেন

pixhimalay

বাঙালি ভ্রমনপ্রিয় জাতি। খুব কম বাঙ্গালির দেখা পাওয়া যারা নিদেনপক্ষে বছরে একবারও দেশ ভ্রমনে বেরোয় না। সেযুগে পথঘাট, যানবাহন আজকের মতন সুগম ছিল না সেই কারনে বাঙালি দৌড় দেহঘর,পুরি,বড়জোর বেণারস পর্যন্ত ছিল। এদের মধ্যে কেউ কেউ  প্রকৃতির টানে শত বাধা অতিক্রম করে পা বাড়াত হিমালয়ের বুকে। আর বাকি অল্পসংখ্যক তীর্থদর্শনেচ্ছু পুণ্যার্থীরা। হিমালয়ের ক্ষেত্রে বিশিষ্টতা হোল প্রাকৃতিক দৃশ্য ও পুণ্যক্ষেত্র উভয়েরই মহাসঙ্গম।

লেখক রচিত হিমালয় বইটি পাঠ করার পর কেউ যদি হিমালয় ভ্রমনে যায় তাহলে বর্তমান হিমালয়ের সঙ্গে অনেক ক্ষেত্রে সাদৃশ্য খুঁজে পাবেন না। কিন্তু পাঠক যদি  প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আস্বাদন ও তার নিস্পৃহ বর্ণনভঙ্গীর জন্য ভ্রমন সাহিত্যের আস্বাদন করতে চায় তাহলে  হিমালয় বইটি নিশ্চয় পড়া উচিৎ।  এ ছাড়া বইটির অতুলনীয় রচনা শৈলী আপনাকে মুগ্ধ করবে।

১৩০০ বঙ্গাব্দের ভারতী পত্রিকায়  বৈশাখ সংখা থেকে ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশিত হয়। ‘হিমালয়ের’ প্রথম সংস্করণ প্রকাশিত হয় ১৩০৭ বঙ্গাব্দে। দাম ছিল পাঁচ সিকা। চতুর্দশ সংস্করণটি প্রকাশিত হয় ১৯৩৮ সালে। ১৯৮৮ সালে ‘কলেজ ষ্ট্রীট’ পত্রিকার শারদীয়া সংখ্যায় গ্রন্থটি  মুদ্রিত হয়েছিল। ১৯৯০ সালে বিশিষ্ট গবেষক বারিদ বরণ ঘোষের সম্পাদনায় ‘মিত্র ও ঘোষ পাবলিশার্স’ থেকে এটি আবার প্রকাশিত হয়। এবং ২০০৮ সালে ড: সুবিমল ঘোষের সম্পাদনায় ‘হিমালয়’ ও অন্যান্য রচনা অখণ্ড ভাবে প্রকাশিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *